ঢাকা ১২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
মোদীর আশ্বাসে থামছে না দেশব্যাপী আন্দোলন; অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ককরোজ জনতা পার্টি ব্রাজিলের পণ্যের উপর আরোপিত শুল্ককে স্বেচ্ছাচারী ও অযৌক্তিক আখ্যা দিয়েছে ব্রাজিল ট্রাম্প প্রশাসনের ৮০টির বেশি দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক (ট্যারিফ) আরোপের ঘোষণা শিক্ষা সচিব বিনীত জোশীকে সরিয়ে দিয়েছে মোদি সরকার মধ্যরাতে ভিডিও বার্তায় মোদীর প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা ইরানের বিরুদ্ধে টানা ১৩তম রাতের সামরিক অভিযান সম্পন্ন, বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ২৩ জুলাই ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৪ জুলাই ২০২৬ শুক্রবার পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

দীর্ঘ ১৭ বছর পর বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৬:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৮৩ Time View

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে তার বাবা, দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন। এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে অশ্রুসিক্ত হতে দেখা গেছে তাকে।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকাল পৌনে ৫টার দিকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বাবার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন তারেক রহমান।

এ সময় প্রথমে দলের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। পরে দলের প্রতিষ্ঠাতার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত করা হয়। দলীয়ভাবে শ্রদ্ধা ও মোনাজাত শেষে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারেক রহমান। এরপর একান্তে বাবার জন্য দোয়া-মোনাজাত করেন তিনি। মোনাজাত শেষে আবেগাপ্লুত তারেক রহমানকে টিস্যু দিয়ে চোখের পানি মুছতে দেখা গেছে।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তারেক রহমানের পাশে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খানআমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

পরে তারেক রহমান কিছুক্ষণ বাবার কবরের সামনে একা দাঁড়িয়ে সুরা ফাতেহা ও দরুদ পাঠ করেন। এরপর তিনি একাই মোনজাত করেন। মোনাজাত শেষে রুমাল দিয়ে নিজের চোখ মুছতে দেখা যায় বিএনপি নেতাকে।

এর মধ্য দিয়ে ১৯ বছর পর তারেক রহমান বিএনপি নেতা হিসেবে দলের প্রতিষ্ঠাতার কবরে শ্রদ্ধা জানালেন। এর আগে ২০০৬ সালে শহীদ জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন তিনি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে তারেক রহমান এখানে শেষবার শ্রদ্ধা নিবেদন করেছিলেন। এরপর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনের কারণে আর আসা সম্ভব হয়নি।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতা, ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের দেশের মানুষ খুশি হয়েছে, জনগণের মধ্যে মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে, জনগণ উজ্জীবিত হয়েছে।’

তারেক রহমান জিয়া উদ্যান আসবেএ খবর আগেই জানা থাকায় সকাল ১০টা থেকে সেখানে নেতাকর্মীদের ভিড় জমতে থাকে। জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়।

এদিন বেলা পৌনে ২টা ৫২ মিনিটে তারেক রহমানের গাড়িবহর গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়ির সামনে থেকে জিয়া উদ্যানের পথে রওনা দেয়। আগের দিন যে বুলেটপ্রুফ বাসে করে তিনি বিমানবন্দর থেকে এসেছিলেন, সেই বাসে করেই তিনি শেরেবাংলা নগরে যান।

লাল-সবুজ পতাকার রঙে সাজানো বাসের সামনে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে তারেক রহমান কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। বাস ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে আট কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে লেগে যায় পৌনে ২ ঘণ্টা।

বেলা ৪টা ৩৬ মিনিটে বাস থেকে নেমে তিনি সমাধিস্থলে হেঁটে রওনা দেন। এরপর সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি মোনাজাতে অংশ নেন। 

Tag :
জনপ্রিয়

মোদীর আশ্বাসে থামছে না দেশব্যাপী আন্দোলন; অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ককরোজ জনতা পার্টি

দীর্ঘ ১৭ বছর পর বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন

Update Time : ০৬:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে তার বাবা, দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন। এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে অশ্রুসিক্ত হতে দেখা গেছে তাকে।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকাল পৌনে ৫টার দিকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বাবার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন তারেক রহমান।

এ সময় প্রথমে দলের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। পরে দলের প্রতিষ্ঠাতার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত করা হয়। দলীয়ভাবে শ্রদ্ধা ও মোনাজাত শেষে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারেক রহমান। এরপর একান্তে বাবার জন্য দোয়া-মোনাজাত করেন তিনি। মোনাজাত শেষে আবেগাপ্লুত তারেক রহমানকে টিস্যু দিয়ে চোখের পানি মুছতে দেখা গেছে।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তারেক রহমানের পাশে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খানআমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

পরে তারেক রহমান কিছুক্ষণ বাবার কবরের সামনে একা দাঁড়িয়ে সুরা ফাতেহা ও দরুদ পাঠ করেন। এরপর তিনি একাই মোনজাত করেন। মোনাজাত শেষে রুমাল দিয়ে নিজের চোখ মুছতে দেখা যায় বিএনপি নেতাকে।

এর মধ্য দিয়ে ১৯ বছর পর তারেক রহমান বিএনপি নেতা হিসেবে দলের প্রতিষ্ঠাতার কবরে শ্রদ্ধা জানালেন। এর আগে ২০০৬ সালে শহীদ জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন তিনি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে তারেক রহমান এখানে শেষবার শ্রদ্ধা নিবেদন করেছিলেন। এরপর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনের কারণে আর আসা সম্ভব হয়নি।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতা, ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের দেশের মানুষ খুশি হয়েছে, জনগণের মধ্যে মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে, জনগণ উজ্জীবিত হয়েছে।’

তারেক রহমান জিয়া উদ্যান আসবেএ খবর আগেই জানা থাকায় সকাল ১০টা থেকে সেখানে নেতাকর্মীদের ভিড় জমতে থাকে। জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়।

এদিন বেলা পৌনে ২টা ৫২ মিনিটে তারেক রহমানের গাড়িবহর গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়ির সামনে থেকে জিয়া উদ্যানের পথে রওনা দেয়। আগের দিন যে বুলেটপ্রুফ বাসে করে তিনি বিমানবন্দর থেকে এসেছিলেন, সেই বাসে করেই তিনি শেরেবাংলা নগরে যান।

লাল-সবুজ পতাকার রঙে সাজানো বাসের সামনে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে তারেক রহমান কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। বাস ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে আট কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে লেগে যায় পৌনে ২ ঘণ্টা।

বেলা ৪টা ৩৬ মিনিটে বাস থেকে নেমে তিনি সমাধিস্থলে হেঁটে রওনা দেন। এরপর সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি মোনাজাতে অংশ নেন।