ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে আগামী বছর থেকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা উৎপাদন শুরু হবে :প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:২৬:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর ২০২১
  • ৩২১ Time View

দেশে আগামী বছর থেকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা উৎপাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

রাজধানীর সেগুন বাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘ইনসেপ্টা চায়নার একটি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করছে। ইনসেপ্টার কাছে চায়না যে বিশেষ ধরনের টিকা বানায় সেটি তাদের বানানোর সক্ষমতা আছে। তাদের সঙ্গে চীনের টার্ম অ্যান্ড কন্ডিশন চূড়ান্ত হলেই টিকা উৎপাদন শুরু করতে পারবে। এর পাশাপাশি বেক্সিমকোও টিকা উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু করেছে।

‘আশা করি আগামী চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে আমরাও টিকা উৎপাদনের কার্যক্রম শেষ করতে পারব। তারপরও আমরা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টিকা উৎপাদনকারী কোম্পানির সঙ্গে কথা বলছি। বেসরকারিভাবে ইনসেপ্টা ও বেক্সিমকো কাজ করলেও আরও কয়েকটি কোম্পানি টিকা উৎপাদন নিয়ে কাজ করছে।’

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে আন্তরিক। তিনিও চান দেশে টিকা উৎপাদন হোক। এজন্য যেকোনো ধরনের সুযোগ সুবিধা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এ অবস্থায় আমি বিশ্বাস করি, আগামী বছর বাংলাদেশ টিকা উৎপাদন শুরু হবে।’

তিনি জানান, করোনা মহামারির বর্তমান অবস্থায় আগামী এক থেকে দুই বছর টিকা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। টিকা দেয়ার পরও এখনও করোনা ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। ফলে আলোচনায় আসছে বোস্টার টিকা দেয়ার। সে বিষয়টিও আলোচনায় আছে।

Tag :
জনপ্রিয়

দেশে আগামী বছর থেকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা উৎপাদন শুরু হবে :প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা

Update Time : ০৯:২৬:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর ২০২১

দেশে আগামী বছর থেকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা উৎপাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

রাজধানীর সেগুন বাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘ইনসেপ্টা চায়নার একটি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করছে। ইনসেপ্টার কাছে চায়না যে বিশেষ ধরনের টিকা বানায় সেটি তাদের বানানোর সক্ষমতা আছে। তাদের সঙ্গে চীনের টার্ম অ্যান্ড কন্ডিশন চূড়ান্ত হলেই টিকা উৎপাদন শুরু করতে পারবে। এর পাশাপাশি বেক্সিমকোও টিকা উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু করেছে।

‘আশা করি আগামী চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে আমরাও টিকা উৎপাদনের কার্যক্রম শেষ করতে পারব। তারপরও আমরা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টিকা উৎপাদনকারী কোম্পানির সঙ্গে কথা বলছি। বেসরকারিভাবে ইনসেপ্টা ও বেক্সিমকো কাজ করলেও আরও কয়েকটি কোম্পানি টিকা উৎপাদন নিয়ে কাজ করছে।’

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে আন্তরিক। তিনিও চান দেশে টিকা উৎপাদন হোক। এজন্য যেকোনো ধরনের সুযোগ সুবিধা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এ অবস্থায় আমি বিশ্বাস করি, আগামী বছর বাংলাদেশ টিকা উৎপাদন শুরু হবে।’

তিনি জানান, করোনা মহামারির বর্তমান অবস্থায় আগামী এক থেকে দুই বছর টিকা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। টিকা দেয়ার পরও এখনও করোনা ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। ফলে আলোচনায় আসছে বোস্টার টিকা দেয়ার। সে বিষয়টিও আলোচনায় আছে।