ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ৭ অক্টোবর ২০২৬ ফুটবল শুধু একটি খেলা না, জীবনের গল্প, সেই গল্পের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়গুলোর একটির নাম লিওনেল মেসি লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচটা স্মরণীয় করে রাখল আর্জেন্টিনা; জিতলো ৩-০ গোলে ফরিদপুরে ব্যবসায়ী ইউসুফ হত্যা: আড়াই মাসেও রহস্য উদ্ঘাটন কিংবা গ্রেফতার নেই, ২০২৭ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল ফরিদপুরে মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কক্ষে যৌন উত্তেজক ঔষধ ও সরঞ্জাম, অপসারনের দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।। মানববন্ধন ওবিক্ষোভ ইরান যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে: আইআরজিসি উপদেষ্টা ওয়াশিংটন ইরান নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেবে এবং এর ফলাফল আসবে ‘সহজ অথবা কঠিন’: ট্রাম্প মদিনার বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলার নিন্দা বাংলাদেশের

নতুন টাকার রমরমা ব্যবসা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১১:১১:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২২
  • ৩১৭ Time View

ঈদ মানেই আনন্দ। আর সালামি মানেই নতুন টাকা! সালামি হিসেবে নতুন টাকা পেলে শিশুদের ঈদ আনন্দ বহুগুণে বেড়ে যায়। শুধু ছোটদেরই নয়, নতুন কড়কড়ে নোট পেতে বড়দেরও ভালো লাগে। এ জন্য ঈদ এলেই কদর বাড়ে টাকার নতুন নোটের। অনেকে ফিতরা ও জাকাত হিসেবেও চকচকে নতুন নোট দেন।

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী নতুন টাকার দোকান। চাহিদা বাড়ায় নতুন নোটের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। ক্রেতাদের ভিড়ও চোখে পড়ার মতো। ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে যারা সময় নষ্ট করতে চান না, অথবা অফিস সময়ের পরে ঝামেলামুক্তভাবে নতুন টাকা নিতে চান, মূলত তারাই এসব অস্থায়ী দোকানের ক্রেতা। সে ক্ষেত্রে বান্ডিল (১০০টি নোট) প্রতি নোটভেদে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে।

রাজধানীর বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে, গুলিস্তান ও মার্কেটের পাশে দেখা মেলে নতুন টাকার কারবারিদের। অস্থায়ী বাজারের বিক্রেতারা জানান, ঈদে ১০ ও ২০ টাকার নতুন নোটের চাহিদা বেশি। ৫০ ও ১০০ টাকার বান্ডেলের চাহিদা খুব একটা নেই।

বিক্রেতারা আরোও জানান, ১০ টাকার নোটের চাহিদা বেশি। ১০ টাকার একটি বান্ডিলের মূল্যমান এক হাজার টাকা হলেও এসব টাকার দোকান থেকে নিতে হলে কোথাও এক হাজার ১৫০ টাকা, আবার কোথাও এক হাজার ১২০ টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

২০ টাকার বান্ডিল কিনতে হলে মূল্যমান দুই হাজার টাকার সঙ্গে বাড়তি দিতে হয় আরও ১০০ টাকা। ৫০ টাকার নোটে পাঁচ হাজারে বাড়তি ১০০ টাকা গুনতে হয় ক্রেতাদের। ১০০ টাকার এক বান্ডিলের নোটে ১০ হাজার টাকায় বাড়তি ১০০ টাকা এবং ২০০ টাকার নোটে হাজারে ২০ টাকা বেশি রেখে বিক্রি হচ্ছে। তবে বান্ডিল ছাড়া ভেঙে ভেঙে বিক্রির ক্ষেত্রে দাম আরও চড়া।

বিক্রেতা আরিফ হোসেন জানান, প্রথম নতুন নোট নিয়ে মানুষের তেমন আগ্রহ ছিল না। তেমন বিক্রিও হয়নি। কিন্তু ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এখন ১০ টাকা ও ২০ টাকার চাহিদা বেশি। সবাই এ দুই ধরনের নোট কিনছেন। পাশাপাশি নতুন ৫০ টাকাও কেউ কেউ নিচ্ছেন।

এ ছাড়া নতুন নোট সংগ্রহের বিষয়ে দোকানিরা জানান, ব্যাংকে তাদের ঢুকতে দেয় না। এ জন্য সরাসরি ব্যাংক থেকে নতুন টাকা তারা নিতে পারেন না। আগে থেকেই যোগাযোগ থাকে ব্যাংকে। কিন্তু অনেক হাত ঘুরে টাকা তাদের হতে আসে। এ জন্য দাম বেশি পড়ে যায়।

Tag :
জনপ্রিয়

আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা

নতুন টাকার রমরমা ব্যবসা

Update Time : ১১:১১:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২২

ঈদ মানেই আনন্দ। আর সালামি মানেই নতুন টাকা! সালামি হিসেবে নতুন টাকা পেলে শিশুদের ঈদ আনন্দ বহুগুণে বেড়ে যায়। শুধু ছোটদেরই নয়, নতুন কড়কড়ে নোট পেতে বড়দেরও ভালো লাগে। এ জন্য ঈদ এলেই কদর বাড়ে টাকার নতুন নোটের। অনেকে ফিতরা ও জাকাত হিসেবেও চকচকে নতুন নোট দেন।

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী নতুন টাকার দোকান। চাহিদা বাড়ায় নতুন নোটের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। ক্রেতাদের ভিড়ও চোখে পড়ার মতো। ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে যারা সময় নষ্ট করতে চান না, অথবা অফিস সময়ের পরে ঝামেলামুক্তভাবে নতুন টাকা নিতে চান, মূলত তারাই এসব অস্থায়ী দোকানের ক্রেতা। সে ক্ষেত্রে বান্ডিল (১০০টি নোট) প্রতি নোটভেদে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে।

রাজধানীর বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে, গুলিস্তান ও মার্কেটের পাশে দেখা মেলে নতুন টাকার কারবারিদের। অস্থায়ী বাজারের বিক্রেতারা জানান, ঈদে ১০ ও ২০ টাকার নতুন নোটের চাহিদা বেশি। ৫০ ও ১০০ টাকার বান্ডেলের চাহিদা খুব একটা নেই।

বিক্রেতারা আরোও জানান, ১০ টাকার নোটের চাহিদা বেশি। ১০ টাকার একটি বান্ডিলের মূল্যমান এক হাজার টাকা হলেও এসব টাকার দোকান থেকে নিতে হলে কোথাও এক হাজার ১৫০ টাকা, আবার কোথাও এক হাজার ১২০ টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

২০ টাকার বান্ডিল কিনতে হলে মূল্যমান দুই হাজার টাকার সঙ্গে বাড়তি দিতে হয় আরও ১০০ টাকা। ৫০ টাকার নোটে পাঁচ হাজারে বাড়তি ১০০ টাকা গুনতে হয় ক্রেতাদের। ১০০ টাকার এক বান্ডিলের নোটে ১০ হাজার টাকায় বাড়তি ১০০ টাকা এবং ২০০ টাকার নোটে হাজারে ২০ টাকা বেশি রেখে বিক্রি হচ্ছে। তবে বান্ডিল ছাড়া ভেঙে ভেঙে বিক্রির ক্ষেত্রে দাম আরও চড়া।

বিক্রেতা আরিফ হোসেন জানান, প্রথম নতুন নোট নিয়ে মানুষের তেমন আগ্রহ ছিল না। তেমন বিক্রিও হয়নি। কিন্তু ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এখন ১০ টাকা ও ২০ টাকার চাহিদা বেশি। সবাই এ দুই ধরনের নোট কিনছেন। পাশাপাশি নতুন ৫০ টাকাও কেউ কেউ নিচ্ছেন।

এ ছাড়া নতুন নোট সংগ্রহের বিষয়ে দোকানিরা জানান, ব্যাংকে তাদের ঢুকতে দেয় না। এ জন্য সরাসরি ব্যাংক থেকে নতুন টাকা তারা নিতে পারেন না। আগে থেকেই যোগাযোগ থাকে ব্যাংকে। কিন্তু অনেক হাত ঘুরে টাকা তাদের হতে আসে। এ জন্য দাম বেশি পড়ে যায়।