ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিম্নআয়ের করভার নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা

চলতি অর্থবছরে আয়ের ওপর অন্তর্বর্তী সরকার যে করমুক্ত আয়সীমা নির্ধারণ করেছিল সেখানে রেখেই আগামী করবর্ষের করের হার বাজেটে প্রস্তাবি করেছিল বিএনপি সরকার; সেখান থেকে সরে এসে ২৫ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে।

এর ফলে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে একজন ব্যক্তির ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ের জন্য তাকে কোনো আয়কর দিতে হবে না।

এর পরের তিন লাখ টাকার জন্য ১০ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে; তাতে মূল্যস্ফীতির এই সময়ে সীমিত আয়ের মানুষের ওপর করের বোঝা রয়েই গেল।

এর আগে করমুক্ত আয়সীমা পার হওয়ার পরের ধাপে ৫ শতাংশ হারে কর ছিল।

সোমবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তার সংশোধনীর প্রস্তাব অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সামনে তুলে ধরেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সকালে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। প্রথমে বাজেট আলোচনায় অংশ নেন বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। এর পর সংসদ নেতা তারেক রহমান বক্তব্য দেন।

পরে অর্থবিলের সংশোধনীতে সরকারি দলের সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী এ নিয়ে প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

Tag :

নিম্নআয়ের করভার নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা

Update Time : ০১:৩২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

চলতি অর্থবছরে আয়ের ওপর অন্তর্বর্তী সরকার যে করমুক্ত আয়সীমা নির্ধারণ করেছিল সেখানে রেখেই আগামী করবর্ষের করের হার বাজেটে প্রস্তাবি করেছিল বিএনপি সরকার; সেখান থেকে সরে এসে ২৫ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে।

এর ফলে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে একজন ব্যক্তির ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ের জন্য তাকে কোনো আয়কর দিতে হবে না।

এর পরের তিন লাখ টাকার জন্য ১০ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে; তাতে মূল্যস্ফীতির এই সময়ে সীমিত আয়ের মানুষের ওপর করের বোঝা রয়েই গেল।

এর আগে করমুক্ত আয়সীমা পার হওয়ার পরের ধাপে ৫ শতাংশ হারে কর ছিল।

সোমবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তার সংশোধনীর প্রস্তাব অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সামনে তুলে ধরেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সকালে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। প্রথমে বাজেট আলোচনায় অংশ নেন বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। এর পর সংসদ নেতা তারেক রহমান বক্তব্য দেন।

পরে অর্থবিলের সংশোধনীতে সরকারি দলের সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী এ নিয়ে প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।