ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তাকে রেড লাইন ঘোষণা করলো ইরান: ইসরায়েলের সাবমেরিন লোহিত সাগরে

পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তাকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নিজের জন্য রেডলাইন বলে ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে ইহুদিবাদী ইসরাইলের পক্ষ অবলম্বন করার জন্য ব্রিটিশ সরকারের নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। সোমবার (৯ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদে এই নিন্দা জানান।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ব্রিটেনের মতো দেশগুলো পারস্য উপসাগরের জলপথকে বিপদাপন্ন করে তোলার জন্য যে সমস্ত কূটকৌশল অবলম্বন করেছে তার মোকাবেলায় তেহরান সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়েছে। এখন ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে মনোযোগ দেয়া উচিত।

সম্প্রতি ওমান সাগরের উপকূলে ইহুদিবাদী ইসরাইলের মালিকানাধীন একটি ট্যাংকারে যে হামলা হয়েছে সে ব্যাপারে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোমিনিক রাবের বক্তব্য সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে সাঈদ খাতিবজাদে বলেন, এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য এই প্রথম নয়। এ সময় তিনি ২০১৯ সালের জুলাই মাসে জিব্রাল্টার প্রণালীতে ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর হাতে ইরানের একটি তেল ট্যাংকার আটক হওয়া ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, সেটি ছিলো অবশ্যই আন্তর্জাতিক আইনের লংঘন।

এদিকে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের একটি সাবমেরিন লোহিত সাগরে প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে। সাবমেরিনটি বাবুল মান্দেব প্রণালী পার হয়ে পারস্য উপসাগরের দিকে রওয়ানা দিতে পারে এবং ধারণা করা হচ্ছে তার সম্ভাব্য লক্ষ্য হচ্ছে ইরান।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, ইসরায়েলের ডলফিন ক্লাসের একটি সাবমেরিন সুয়েজ খাল দিয়ে গত বুধবার ৪ আগস্ট গোপনে লোহিত সাগরে প্রবেশ করেছে। ইসরায়েলের দুটি ডেস্ট্রয়ারও একইদিন সুয়েজ খাল পার হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ডেস্ট্রয়ার দুটি ইসরাইলের সাবমেরিনকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

গত ৪ আগস্ট বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর বের হয়েছে যে, ইহুদিবাদী ইসরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ তাদের সর্বাধুনিক সাইবার সরঞ্জাম সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্থানান্তর করেছে। পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় জাহাজ ও বিমান চলাচল বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্য নিয়ে ইসরায়েলে সাইবার তৎপরতা শুরু করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Tag :

পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তাকে রেড লাইন ঘোষণা করলো ইরান: ইসরায়েলের সাবমেরিন লোহিত সাগরে

Update Time : ০৫:১১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অগাস্ট ২০২১

পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তাকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নিজের জন্য রেডলাইন বলে ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে ইহুদিবাদী ইসরাইলের পক্ষ অবলম্বন করার জন্য ব্রিটিশ সরকারের নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। সোমবার (৯ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদে এই নিন্দা জানান।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ব্রিটেনের মতো দেশগুলো পারস্য উপসাগরের জলপথকে বিপদাপন্ন করে তোলার জন্য যে সমস্ত কূটকৌশল অবলম্বন করেছে তার মোকাবেলায় তেহরান সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়েছে। এখন ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে মনোযোগ দেয়া উচিত।

সম্প্রতি ওমান সাগরের উপকূলে ইহুদিবাদী ইসরাইলের মালিকানাধীন একটি ট্যাংকারে যে হামলা হয়েছে সে ব্যাপারে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোমিনিক রাবের বক্তব্য সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে সাঈদ খাতিবজাদে বলেন, এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য এই প্রথম নয়। এ সময় তিনি ২০১৯ সালের জুলাই মাসে জিব্রাল্টার প্রণালীতে ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর হাতে ইরানের একটি তেল ট্যাংকার আটক হওয়া ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, সেটি ছিলো অবশ্যই আন্তর্জাতিক আইনের লংঘন।

এদিকে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের একটি সাবমেরিন লোহিত সাগরে প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে। সাবমেরিনটি বাবুল মান্দেব প্রণালী পার হয়ে পারস্য উপসাগরের দিকে রওয়ানা দিতে পারে এবং ধারণা করা হচ্ছে তার সম্ভাব্য লক্ষ্য হচ্ছে ইরান।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, ইসরায়েলের ডলফিন ক্লাসের একটি সাবমেরিন সুয়েজ খাল দিয়ে গত বুধবার ৪ আগস্ট গোপনে লোহিত সাগরে প্রবেশ করেছে। ইসরায়েলের দুটি ডেস্ট্রয়ারও একইদিন সুয়েজ খাল পার হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ডেস্ট্রয়ার দুটি ইসরাইলের সাবমেরিনকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

গত ৪ আগস্ট বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর বের হয়েছে যে, ইহুদিবাদী ইসরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ তাদের সর্বাধুনিক সাইবার সরঞ্জাম সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্থানান্তর করেছে। পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় জাহাজ ও বিমান চলাচল বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্য নিয়ে ইসরায়েলে সাইবার তৎপরতা শুরু করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।