ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফুসফুসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংক্রমণ হচ্ছে ক্যান্সার

ফুসফুসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংক্রমণ হচ্ছে ক্যান্সার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বর্তমান বিশ্বে ফুসফুসের ক্যান্সার সবচেয়ে মারাত্মক হয়ে উঠেছে। আর এতে আক্রান্ত হয়ে সারাবিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি।

কিছু কিছু জিনিস আছে, যা ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। এগুলোকে রিস্ক ফ্যাক্টর বলা হয়।

ফুসফুস ক্যানসার দুভাবে হতে পারে। এক. ফুসফুসে ক্যানসার যখন শুধু ফুসফুসেই সীমাবদ্ধ থাকে। বলা যায় কাশি, জ্বর, গলার স্বর পরিবর্তন, কাশির সঙ্গে রক্ত কিংবা শ্বাসকষ্ট ফুসফুসে ক্যানসারের কিছু সাধারণ উপসর্গ, যেগুলো ফুসফুসে সীমাবদ্ধ হয়ে থাকে।

দুই. ফুসফুস ক্যানসার ফুসফুসে সীমাবদ্ধ না থেকে ফুসফুস থেকে অন্য কোথাও ছড়িয়ে পড়ে; যেমন হাড়ে ছড়িয়ে পড়লে প্রবল ব্যথা অনুভব হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ফুসফুস ক্যানসার মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে যেতে পারে, এমনকি অনেক সময় আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসা প্রদান করতে অজ্ঞান অবস্থাতেও নিয়ে আসতে হতে পারে। এটি লিভারে ছড়িয়ে পড়তে পারে, এ ক্ষেত্রে পেটে ব্যথা কিংবা জন্ডিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই রোগটি কোন স্তরে আছে সেটির ওপর নির্ভর করেই চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।

জেনে নিন ফুসফুস ক্যান্সারের ৬ রিস্ক ফ্যাক্টর

১. ধূমপান
ধূমপান হচ্ছে ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার সবচেয়ে বড় ঝুঁকির কারণ। আপনি যত বেশি ধূমপান করবেন, আপনার ঝুঁকি তত বেশি। ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৯ জনই পাওয়া যায় ধূমপায়ী বা প্রাক্তন ধূমপায়ী। আর অল্প বয়সে ধূমপান শুরু করলে এ ঝুঁকি আরও বেশি থাকে।

যারা ধূমপান করেন না, তাদেরও ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে, তবে তাদের ঝুঁকি অনেক কম।

২. প্যাসিভ স্মোকিং
অন্য লোকের সিগারেটের ধোঁয়া নিলে বা ধোঁয়ার মধ্যে শ্বাস নিলে তাকে প্যাসিভ স্মোকিং বা সেকেন্ড-হ্যান্ড ধূমপান বলে। আর এটি ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি আরও কিছুটা বাড়িয়ে দিতে পারে, যা আপনি নিজে ধূমপান করলেও এর চেয়ে ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

৩. বয়স
বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সার বেশি দেখা যায়। ১০ জনের মধ্যে চারজনেরও বেশি এমন রোগীকে দেখা যায় যাদের বয়স ৭৫ বা তার বেশি। তবে ফুসফুসের ক্যান্সার অল্পবয়সিদেরও প্রভাবিত করতে পারে, কিন্তু ৪০ বছরের কম বয়সিদের ক্ষেত্রে তা বিরল।

৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে
অসুস্থতা বা চিকিত্সার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

৫. পারিবারিক ঝুঁকি
যাদের পরিবারে বাবা-মায়ের ফুসফুসের ক্যান্সার থাকে, তাদের এটি হওয়ার ঝুঁকি কিছুটা বেশি থাকে। এ ছাড়া ভাই বা বোনের ফুসফুসের ক্যান্সার যদি অল্প বয়সে ধরা পড়ে, তাদেরও ঝুঁকি বেশি থাকে।

৬. বায়ুদূষণ
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, বায়ুদূষণের কারণে ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে। তবে জায়গাভেদে ও পৃথক ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বলাটা একটু কঠিন। তথ্যসূত্র: ম্যাকমিলান ক্যান্সার সাপোর্ট

ফুসফুসে ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণগুলি

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে ফুসফুসে ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা এবং মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিবছর প্রায় ২ মিলিয়ন মানুষ ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হন।

১. বুক, ঘাড় এমনকি বগলের কাছে ব্যথা অনুভব হলে তা ফুসফুসে ক্যানসারের লক্ষণগুলির মধ্যে পড়ে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

২.জ্বরের সমস্যাও ফুসফুসের ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ।

৩. একটানা বেশ কিছুদিন ধরে যদি ক্লান্তিতে ভোগেন, তাহলে তা চিন্তার।

৪. শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হলে অর্থাৎ, শ্বাস নিতে যদি কষ্ট হয়, তাহলে তা ফুসফুসের ক্যানসারের লক্ষণের মধ্যেই পড়ছে বিশেষজ্ঞদের মতে।

৫. হাঁচতে গেলে, কাশতে গেলে কিংবা কথা বলার সময়ও যদি বুকে ব্যথা অনুভব করেন, তাহলে ফেলে না রেখে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা প্রয়োজন।

৬. দু সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে যদি কাশির সমস্যা দেখা দেয় তাহলে তা চিন্তার বিষয় বৈকি।

৭. আচমকা যদি অনেকটা ওজন কমে যায়, তাহলে খুশি না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া ফুসফুসের ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণগুলির মধ্যেই পড়ছে।

ডিসক্লেইমার : কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপদ্ধতি/ডায়েট ফলো করার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন।

অন্যান্য ক্যানসারের মতো ফুসফুস ক্যানসারকেও চারটি স্তরে ভাগ করা যেতে পারে। আর্লি স্টেজে এটি শনাক্ত করা খুবই কঠিন। তবে কিছু ইন্সিডেন্টাল ফাইন্ডিংসের মাধ্যমে এটি শনাক্ত করা হয়ে থাকে। পরবর্তী সময়ে ফুসফুসের লোকাল সমস্যা নিয়ে রোগী আসতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে ফুসফুস ছাড়িয়ে এটি অন্য কোথাও এমনভাবে চলে যায় যে সেসব অঙ্গে ক্ষতির লক্ষণ নিয়ে যখন রোগী পরামর্শ নিতে আসে, তখন ফুসফুস ক্যানসার ধরা পড়ে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫%-৯০% ফুসফুসে ক্যানসারের জন্য দায়ী হলো ধূমপান। আমাদের দেশে বিভিন্ন স্থানে পানিতে আর্সেনিক রয়েছে, এটিও ক্যানসারের একটি অন্যতম কারণ। এ ছাড়া পারিবারিক সূত্রেও কিংবা বার্ধক্যজনিত অন্যান্য রোগের কারণেও অনেকে ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারে। তাই ফুসফুসে ক্যানসারের উপসর্গ দেখামাত্রই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

Tag :

ফুসফুসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংক্রমণ হচ্ছে ক্যান্সার

Update Time : ০১:০৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ নভেম্বর ২০২১

ফুসফুসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংক্রমণ হচ্ছে ক্যান্সার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বর্তমান বিশ্বে ফুসফুসের ক্যান্সার সবচেয়ে মারাত্মক হয়ে উঠেছে। আর এতে আক্রান্ত হয়ে সারাবিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি।

কিছু কিছু জিনিস আছে, যা ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। এগুলোকে রিস্ক ফ্যাক্টর বলা হয়।

ফুসফুস ক্যানসার দুভাবে হতে পারে। এক. ফুসফুসে ক্যানসার যখন শুধু ফুসফুসেই সীমাবদ্ধ থাকে। বলা যায় কাশি, জ্বর, গলার স্বর পরিবর্তন, কাশির সঙ্গে রক্ত কিংবা শ্বাসকষ্ট ফুসফুসে ক্যানসারের কিছু সাধারণ উপসর্গ, যেগুলো ফুসফুসে সীমাবদ্ধ হয়ে থাকে।

দুই. ফুসফুস ক্যানসার ফুসফুসে সীমাবদ্ধ না থেকে ফুসফুস থেকে অন্য কোথাও ছড়িয়ে পড়ে; যেমন হাড়ে ছড়িয়ে পড়লে প্রবল ব্যথা অনুভব হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ফুসফুস ক্যানসার মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে যেতে পারে, এমনকি অনেক সময় আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসা প্রদান করতে অজ্ঞান অবস্থাতেও নিয়ে আসতে হতে পারে। এটি লিভারে ছড়িয়ে পড়তে পারে, এ ক্ষেত্রে পেটে ব্যথা কিংবা জন্ডিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই রোগটি কোন স্তরে আছে সেটির ওপর নির্ভর করেই চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।

জেনে নিন ফুসফুস ক্যান্সারের ৬ রিস্ক ফ্যাক্টর

১. ধূমপান
ধূমপান হচ্ছে ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার সবচেয়ে বড় ঝুঁকির কারণ। আপনি যত বেশি ধূমপান করবেন, আপনার ঝুঁকি তত বেশি। ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৯ জনই পাওয়া যায় ধূমপায়ী বা প্রাক্তন ধূমপায়ী। আর অল্প বয়সে ধূমপান শুরু করলে এ ঝুঁকি আরও বেশি থাকে।

যারা ধূমপান করেন না, তাদেরও ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে, তবে তাদের ঝুঁকি অনেক কম।

২. প্যাসিভ স্মোকিং
অন্য লোকের সিগারেটের ধোঁয়া নিলে বা ধোঁয়ার মধ্যে শ্বাস নিলে তাকে প্যাসিভ স্মোকিং বা সেকেন্ড-হ্যান্ড ধূমপান বলে। আর এটি ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি আরও কিছুটা বাড়িয়ে দিতে পারে, যা আপনি নিজে ধূমপান করলেও এর চেয়ে ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

৩. বয়স
বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সার বেশি দেখা যায়। ১০ জনের মধ্যে চারজনেরও বেশি এমন রোগীকে দেখা যায় যাদের বয়স ৭৫ বা তার বেশি। তবে ফুসফুসের ক্যান্সার অল্পবয়সিদেরও প্রভাবিত করতে পারে, কিন্তু ৪০ বছরের কম বয়সিদের ক্ষেত্রে তা বিরল।

৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে
অসুস্থতা বা চিকিত্সার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

৫. পারিবারিক ঝুঁকি
যাদের পরিবারে বাবা-মায়ের ফুসফুসের ক্যান্সার থাকে, তাদের এটি হওয়ার ঝুঁকি কিছুটা বেশি থাকে। এ ছাড়া ভাই বা বোনের ফুসফুসের ক্যান্সার যদি অল্প বয়সে ধরা পড়ে, তাদেরও ঝুঁকি বেশি থাকে।

৬. বায়ুদূষণ
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, বায়ুদূষণের কারণে ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে। তবে জায়গাভেদে ও পৃথক ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বলাটা একটু কঠিন। তথ্যসূত্র: ম্যাকমিলান ক্যান্সার সাপোর্ট

ফুসফুসে ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণগুলি

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে ফুসফুসে ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা এবং মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিবছর প্রায় ২ মিলিয়ন মানুষ ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হন।

১. বুক, ঘাড় এমনকি বগলের কাছে ব্যথা অনুভব হলে তা ফুসফুসে ক্যানসারের লক্ষণগুলির মধ্যে পড়ে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

২.জ্বরের সমস্যাও ফুসফুসের ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ।

৩. একটানা বেশ কিছুদিন ধরে যদি ক্লান্তিতে ভোগেন, তাহলে তা চিন্তার।

৪. শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হলে অর্থাৎ, শ্বাস নিতে যদি কষ্ট হয়, তাহলে তা ফুসফুসের ক্যানসারের লক্ষণের মধ্যেই পড়ছে বিশেষজ্ঞদের মতে।

৫. হাঁচতে গেলে, কাশতে গেলে কিংবা কথা বলার সময়ও যদি বুকে ব্যথা অনুভব করেন, তাহলে ফেলে না রেখে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা প্রয়োজন।

৬. দু সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে যদি কাশির সমস্যা দেখা দেয় তাহলে তা চিন্তার বিষয় বৈকি।

৭. আচমকা যদি অনেকটা ওজন কমে যায়, তাহলে খুশি না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া ফুসফুসের ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণগুলির মধ্যেই পড়ছে।

ডিসক্লেইমার : কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপদ্ধতি/ডায়েট ফলো করার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন।

অন্যান্য ক্যানসারের মতো ফুসফুস ক্যানসারকেও চারটি স্তরে ভাগ করা যেতে পারে। আর্লি স্টেজে এটি শনাক্ত করা খুবই কঠিন। তবে কিছু ইন্সিডেন্টাল ফাইন্ডিংসের মাধ্যমে এটি শনাক্ত করা হয়ে থাকে। পরবর্তী সময়ে ফুসফুসের লোকাল সমস্যা নিয়ে রোগী আসতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে ফুসফুস ছাড়িয়ে এটি অন্য কোথাও এমনভাবে চলে যায় যে সেসব অঙ্গে ক্ষতির লক্ষণ নিয়ে যখন রোগী পরামর্শ নিতে আসে, তখন ফুসফুস ক্যানসার ধরা পড়ে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫%-৯০% ফুসফুসে ক্যানসারের জন্য দায়ী হলো ধূমপান। আমাদের দেশে বিভিন্ন স্থানে পানিতে আর্সেনিক রয়েছে, এটিও ক্যানসারের একটি অন্যতম কারণ। এ ছাড়া পারিবারিক সূত্রেও কিংবা বার্ধক্যজনিত অন্যান্য রোগের কারণেও অনেকে ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারে। তাই ফুসফুসে ক্যানসারের উপসর্গ দেখামাত্রই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।