ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের ‘প্রথম চালকবিহীন’ ট্রেন চালু করল জার্মানি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:২৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ অক্টোবর ২০২১
  • ৩১৫ Time View

জার্মান রেল অপারেটর ডয়চে বান এবং শিল্প গ্রুপ সিমেন্স সোমবার হামবুর্গ শহরে বিশ্বের প্রথম স্বয়ংক্রিয় ও চালকবিহীন ট্রেন উন্মোচন করেছে। প্রচলিত ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেন অনেক বেশি সময়ানুবর্তী এবং শক্তি সাশ্রয়ী হবে।

এই ধরনের চারটি ট্রেন উত্তরাঞ্চলীয় শহরের এস-বাহন র‍্যাপিড আরবান রেল নেটওয়ার্কে যোগ দেবে এবং বিদ্যমান রেল অবকাঠামো ব্যবহার করেই ডিসেম্বর থেকে যাত্রী বহন শুরু করবে।

ফ্রান্সের প্যারিসের মতো অন্যান্য শহরে চালকবিহীন মেট্রোরেল আছে। বিভিন্ন বিমানবন্দরেও স্বয়ংক্রিয় মনোরেল ট্রেন চলাচল করে। কিন্তু সেসব ট্রেন একচেটিয়াভাবে একটি একক রেললাইনের মাধ্যমে চালাচল করে।

আর জার্মানির এই হামবুর্গ ট্রেন অন্যান্য নিয়মিত ট্রেনের সঙ্গে একই রেললাইনে চলাচল করবে। বিশ্বে এমন চালকবিহীন সাধারণ ট্রেন জার্মানিতেই প্রথম চালু হতে যাচ্ছে।

এই প্রকল্প হামবুর্গের দ্রুত নগর রেল ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে যে ৬০ মিলিয়ন ইউরোর প্রকল্প নেওয়া হয়েছে তারই অংশ।

ডয়চে বানের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড লুৎজ বলেন, নতুন এই স্বয়ংক্রিয় ট্রেনগুলোর জন্য এক কিলোমিটারও নতুন বা বিশেষ রেললাইন নির্মাণ করার দরকার হয়নি। সাধারণ রেললাইন দিয়েই চলবে এই ট্রেন এবং ‘আরো নির্ভরযোগ্য’ সেবা দেবে।

সিমেন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রোল্যান্ড বুশ বলেন, ‘আমরা রেল পরিবহনকে আরও বুদ্ধিমান করে তুলছি। স্বয়ংক্রিয় ট্রেনগুলো ৩০ শতাংশ বেশি যাত্রী পরিবহন করতে পারবে এবং নির্দিষ্ট সময়সূচী ঠিক রেখে চলাচল করার ক্ষেত্রেও আরও বেশি উন্নতি করতে পারে। এছাড়া এতে জ্বালানি খরচও অনেক কম হবে এবং ৩০ শতাংশের বেশি জ্বলানি সঞ্চয় হবে’।

ট্রেনটি পুরোপুরি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে এবং সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে। তবুও যাত্রীরা যখন ট্রেনে থাকবেন তখন একজন চালকও সবকিছু ঠিকঠাক মতো চলছে কিনা তা দেখার জন্য ট্রেনে উপস্থিত থাকবেন।

Tag :

বিশ্বের ‘প্রথম চালকবিহীন’ ট্রেন চালু করল জার্মানি

Update Time : ০৪:২৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ অক্টোবর ২০২১

জার্মান রেল অপারেটর ডয়চে বান এবং শিল্প গ্রুপ সিমেন্স সোমবার হামবুর্গ শহরে বিশ্বের প্রথম স্বয়ংক্রিয় ও চালকবিহীন ট্রেন উন্মোচন করেছে। প্রচলিত ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেন অনেক বেশি সময়ানুবর্তী এবং শক্তি সাশ্রয়ী হবে।

এই ধরনের চারটি ট্রেন উত্তরাঞ্চলীয় শহরের এস-বাহন র‍্যাপিড আরবান রেল নেটওয়ার্কে যোগ দেবে এবং বিদ্যমান রেল অবকাঠামো ব্যবহার করেই ডিসেম্বর থেকে যাত্রী বহন শুরু করবে।

ফ্রান্সের প্যারিসের মতো অন্যান্য শহরে চালকবিহীন মেট্রোরেল আছে। বিভিন্ন বিমানবন্দরেও স্বয়ংক্রিয় মনোরেল ট্রেন চলাচল করে। কিন্তু সেসব ট্রেন একচেটিয়াভাবে একটি একক রেললাইনের মাধ্যমে চালাচল করে।

আর জার্মানির এই হামবুর্গ ট্রেন অন্যান্য নিয়মিত ট্রেনের সঙ্গে একই রেললাইনে চলাচল করবে। বিশ্বে এমন চালকবিহীন সাধারণ ট্রেন জার্মানিতেই প্রথম চালু হতে যাচ্ছে।

এই প্রকল্প হামবুর্গের দ্রুত নগর রেল ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে যে ৬০ মিলিয়ন ইউরোর প্রকল্প নেওয়া হয়েছে তারই অংশ।

ডয়চে বানের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড লুৎজ বলেন, নতুন এই স্বয়ংক্রিয় ট্রেনগুলোর জন্য এক কিলোমিটারও নতুন বা বিশেষ রেললাইন নির্মাণ করার দরকার হয়নি। সাধারণ রেললাইন দিয়েই চলবে এই ট্রেন এবং ‘আরো নির্ভরযোগ্য’ সেবা দেবে।

সিমেন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রোল্যান্ড বুশ বলেন, ‘আমরা রেল পরিবহনকে আরও বুদ্ধিমান করে তুলছি। স্বয়ংক্রিয় ট্রেনগুলো ৩০ শতাংশ বেশি যাত্রী পরিবহন করতে পারবে এবং নির্দিষ্ট সময়সূচী ঠিক রেখে চলাচল করার ক্ষেত্রেও আরও বেশি উন্নতি করতে পারে। এছাড়া এতে জ্বালানি খরচও অনেক কম হবে এবং ৩০ শতাংশের বেশি জ্বলানি সঞ্চয় হবে’।

ট্রেনটি পুরোপুরি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে এবং সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে। তবুও যাত্রীরা যখন ট্রেনে থাকবেন তখন একজন চালকও সবকিছু ঠিকঠাক মতো চলছে কিনা তা দেখার জন্য ট্রেনে উপস্থিত থাকবেন।