ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

ব্যাংক থেকে উধাও নতুন টাকা কিন্তু বাহিরে মিলছে ১ হাজারের দাম ১২’শ টাকা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০১:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২২
  • ২৬৪ Time View

প্রতি বছর ঈদকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ব্যাংক চাহিদা অনুযায়ি নতুন টাকা বাজারে ছেড়ে থাকে। তবে এক শ্রেণির অসাধু ব্যসায়ীরা নতুন টাকাকে ঘিরে সিন্ডিকেট তৈরি করে থাকে প্রতি বছরই। ৫’শ, ১ হাজার টাকার নতুন নোট ব্যাংকে মিললেও মিলছে না ছোট টাকার নোট। তবে এই নতুন টাকা মিলছে বাহিরে। বর্তমানে ১০ টাকার নতুন বান্ডেলের দাম হাকা হচ্ছে ১২’শ টাকা। শুধু ১০ টাকা না, যে কোন নতুন টাকা নিতে হলে হাজার প্রতি বাড়তি লাগছে আরও ১’শ থেকে ৩’শ টাকা পর্যন্ত।

তথ্য অনুযায়ি এবছরেও ২৪ হাজার কোটি টাকা বাজারে ছেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রাজধানীর অনেক অঞ্চলের ব্যাংকগুলোতে মিলছে না নতুন টাকা। সরেজমিনে শ্যামলী রিং রোডের ব্যাংক এশিয়া, যমুনা ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংক ঘুরে পাওয়া যায় এমন তথ্য।

রাজধানীর বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে, গুলিস্তান ও মার্কেটের পাশে দেখা মেলে নতুন টাকার কারবারিদের। অস্থায়ী বাজারের বিক্রেতারা জানান, ঈদে ১০ ও ২০ টাকার নতুন নোটের চাহিদা বেশি। ৫০ ও ১০০ টাকার বান্ডেলের চাহিদা খুব একটা নেই।

বিক্রেতারা আরোও জানান, ১০ টাকার নোটের চাহিদা বেশি। ১০ টাকার একটি বান্ডিলের মূল্যমান এক হাজার টাকা হলেও এসব টাকার দোকান থেকে নিতে হলে কোথাও এক হাজার ১৫০ টাকা, আবার কোথাও এক হাজার ১২০ টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

২০ টাকার বান্ডিল কিনতে হলে মূল্যমান দুই হাজার টাকার সঙ্গে বাড়তি দিতে হয় আরও ১০০ টাকা। ৫০ টাকার নোটে পাঁচ হাজারে বাড়তি ১০০ টাকা গুনতে হয় ক্রেতাদের। ১০০ টাকার এক বান্ডিলের নোটে ১০ হাজার টাকায় বাড়তি ১০০ টাকা এবং ২০০ টাকার নোটে হাজারে ২০ টাকা বেশি রেখে বিক্রি হচ্ছে। তবে বান্ডিল ছাড়া ভেঙে ভেঙে বিক্রির ক্ষেত্রে দাম আরও চড়া।

বিক্রেতা আরিফ হোসেন জানান, প্রথম নতুন নোট নিয়ে মানুষের তেমন আগ্রহ ছিল না। তেমন বিক্রিও হয়নি। কিন্তু ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এখন ১০ টাকা ও ২০ টাকার চাহিদা বেশি। সবাই এ দুই ধরনের নোট কিনছেন। পাশাপাশি নতুন ৫০ টাকাও কেউ কেউ নিচ্ছেন।

এ ছাড়া নতুন নোট সংগ্রহের বিষয়ে দোকানিরা জানান, ব্যাংকে তাদের ঢুকতে দেয় না। এ জন্য সরাসরি ব্যাংক থেকে নতুন টাকা তারা নিতে পারেন না। আগে থেকেই যোগাযোগ থাকে ব্যাংকে। কিন্তু অনেক হাত ঘুরে টাকা তাদের হতে আসে। এ জন্য দাম বেশি পড়ে যায়।

Tag :

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পর্ষদ বাতিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক

ব্যাংক থেকে উধাও নতুন টাকা কিন্তু বাহিরে মিলছে ১ হাজারের দাম ১২’শ টাকা

Update Time : ০১:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২২

প্রতি বছর ঈদকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ব্যাংক চাহিদা অনুযায়ি নতুন টাকা বাজারে ছেড়ে থাকে। তবে এক শ্রেণির অসাধু ব্যসায়ীরা নতুন টাকাকে ঘিরে সিন্ডিকেট তৈরি করে থাকে প্রতি বছরই। ৫’শ, ১ হাজার টাকার নতুন নোট ব্যাংকে মিললেও মিলছে না ছোট টাকার নোট। তবে এই নতুন টাকা মিলছে বাহিরে। বর্তমানে ১০ টাকার নতুন বান্ডেলের দাম হাকা হচ্ছে ১২’শ টাকা। শুধু ১০ টাকা না, যে কোন নতুন টাকা নিতে হলে হাজার প্রতি বাড়তি লাগছে আরও ১’শ থেকে ৩’শ টাকা পর্যন্ত।

তথ্য অনুযায়ি এবছরেও ২৪ হাজার কোটি টাকা বাজারে ছেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রাজধানীর অনেক অঞ্চলের ব্যাংকগুলোতে মিলছে না নতুন টাকা। সরেজমিনে শ্যামলী রিং রোডের ব্যাংক এশিয়া, যমুনা ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংক ঘুরে পাওয়া যায় এমন তথ্য।

রাজধানীর বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে, গুলিস্তান ও মার্কেটের পাশে দেখা মেলে নতুন টাকার কারবারিদের। অস্থায়ী বাজারের বিক্রেতারা জানান, ঈদে ১০ ও ২০ টাকার নতুন নোটের চাহিদা বেশি। ৫০ ও ১০০ টাকার বান্ডেলের চাহিদা খুব একটা নেই।

বিক্রেতারা আরোও জানান, ১০ টাকার নোটের চাহিদা বেশি। ১০ টাকার একটি বান্ডিলের মূল্যমান এক হাজার টাকা হলেও এসব টাকার দোকান থেকে নিতে হলে কোথাও এক হাজার ১৫০ টাকা, আবার কোথাও এক হাজার ১২০ টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

২০ টাকার বান্ডিল কিনতে হলে মূল্যমান দুই হাজার টাকার সঙ্গে বাড়তি দিতে হয় আরও ১০০ টাকা। ৫০ টাকার নোটে পাঁচ হাজারে বাড়তি ১০০ টাকা গুনতে হয় ক্রেতাদের। ১০০ টাকার এক বান্ডিলের নোটে ১০ হাজার টাকায় বাড়তি ১০০ টাকা এবং ২০০ টাকার নোটে হাজারে ২০ টাকা বেশি রেখে বিক্রি হচ্ছে। তবে বান্ডিল ছাড়া ভেঙে ভেঙে বিক্রির ক্ষেত্রে দাম আরও চড়া।

বিক্রেতা আরিফ হোসেন জানান, প্রথম নতুন নোট নিয়ে মানুষের তেমন আগ্রহ ছিল না। তেমন বিক্রিও হয়নি। কিন্তু ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এখন ১০ টাকা ও ২০ টাকার চাহিদা বেশি। সবাই এ দুই ধরনের নোট কিনছেন। পাশাপাশি নতুন ৫০ টাকাও কেউ কেউ নিচ্ছেন।

এ ছাড়া নতুন নোট সংগ্রহের বিষয়ে দোকানিরা জানান, ব্যাংকে তাদের ঢুকতে দেয় না। এ জন্য সরাসরি ব্যাংক থেকে নতুন টাকা তারা নিতে পারেন না। আগে থেকেই যোগাযোগ থাকে ব্যাংকে। কিন্তু অনেক হাত ঘুরে টাকা তাদের হতে আসে। এ জন্য দাম বেশি পড়ে যায়।