ভূমধ্যসাগরে ডুবে যাওয়া একটি নৌকা থেকে ৪৯ জন বাংলাদেশী অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ১৬ থেকে ৫০ বছর বয়সের এসব অবৈধ অভিবাসী লিবিয়া থেকে ইউরোপ যাত্রা করেছিলেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার তাদের উদ্ধার করা হয়।
এর আগে, গত মাসে লিবিয়া থেকে ইউরোপে যাওয়ার পথে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা ভূমধ্যসাগরে ভেঙে যায়। পরে তিউনিশিয়ার নৌবাহিনী ওই নৌকা থেকে ১৭৮ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করে।
তিউনিসিয়ার বন্দরগুলো মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা থেকে সংঘাত ও দারিদ্র্যকে পেছনে ফেলে ইউরোপে গিয়ে উন্নত জীবন শুরু করার আকাঙ্ক্ষাকারী শরণার্থীদের বহুল ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
মানব পাচারকারীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বায়ুভর্তি রাবার নৌকা বা ভঙ্গুর মাছ ধরার নৌকায় এই শরণার্থীদের তুলে দিয়ে ইউরোপ পাঠাচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই পথে দুর্বল বাহন নিয়ে এই যাত্রায় শরণার্থীরা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।
গত মার্চে সাফাকিশ শহর থেকেই ছেড়ে যাওয়া অপর এক নৌকাডুবিতে ৩৯ শরণার্থীর মৃত্যু হয়। এর আগে এপ্রিলে ৪০ জনের। এছাড়া গত বছর জুনে এমনই এক দুর্ঘটনায় অন্তত ৬০ জনের মৃত্যু হয়।
আইওএমের তথ্য অনুসারে, ২০১৪ সাল থেকে অন্তত ২০ হাজারের বেশি শরণার্থী ও অভিবাসী আফ্রিকা থেকে ইউরোপ যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে ডুবে প্রাণ হারান।
ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে এই বছর তিউনিসিয়ার উপকূল থেকে ইতালিতে আরো আট হাজার পাঁচ শ’ অভিবাসী ও শরণার্থী পৌঁছায়।
সূত্র : আলজাজিরা
অনলাইন ডেস্ক 























