ঢাকা ০২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাইতিতে ভূমিকম্পে ৩০৪ জনের মৃত্যু

হাইতিতে ৭ দশমিক ২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৩০৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও প্রায় দুই হাজার মানুষ।

স্থানীয় সময় শনিবার সকালের এই ভূমিকম্পে গির্জা ও হোটেলসহ বহু ভবন পুরো ধসে পড়েছে ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিবিসি জানায়, দেশটির প্রধানমন্ত্রী আরিয়েল অঁরি ইতোমধ্যেই হাইতিতে মাসব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশটি ২০১০ সালে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে লাখো মানুষের মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি এখনো পুষিয়ে উঠতে পারেনি।

জানা গেছে, লে ন্যুভেলিস্ত শহরের বেশিরভাগ গির্জা ও হোটেল ধসে পড়েছে অথবা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সেখানকার এপিসকোপাল গির্জার প্রধান আবিয়াদে লোজামা নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, ‘রাস্তা জুড়ে শুধু মানুষের চিৎকার। তারা তাদের প্রিয়জনকে খুঁজছে। পানি ও চিকিৎসা সহায়তা চাইছে।’

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে ভয়াবহ ধ্বংসের চিত্র ফুটে উঠেছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা বলছে, দ্বীপটির সেইন্ট-লুইস দু সাদ শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। ওই অঞ্চলে ৫ দশমিক ১ মাত্রার একটিসহ মোট ছয়টি ‘আফটার-শক’ অনুভূত হয়েছে।

সেখান থেকে ১২৫ কিলোমিটার দুরে রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্স এবং প্রতিবেশী কয়েকটি দেশেও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরিয়েল অঁরি বলেছেন, ‘এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যতটা সম্ভব ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে জীবিতদের উদ্ধার করা।’

তিনি জানান, স্থানীয় হাসপাতালগুলো আহতদের সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। বহু মানুষ সেখানে ভাঙা হাড়গোড় নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হাইতিতে ‘তাৎক্ষণিক সহায়তা’ অনুমোদন দিয়েছেন। মার্কিন সাহায্য সংস্থা ইউএসএআইডি সেখানে ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ যাচাই, নিখোঁজদের খুঁজে বের করা এবং পুনর্গঠনে সহায়তা করবে।

Tag :

হাইতিতে ভূমিকম্পে ৩০৪ জনের মৃত্যু

Update Time : ০৪:১৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২১

হাইতিতে ৭ দশমিক ২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৩০৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও প্রায় দুই হাজার মানুষ।

স্থানীয় সময় শনিবার সকালের এই ভূমিকম্পে গির্জা ও হোটেলসহ বহু ভবন পুরো ধসে পড়েছে ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিবিসি জানায়, দেশটির প্রধানমন্ত্রী আরিয়েল অঁরি ইতোমধ্যেই হাইতিতে মাসব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশটি ২০১০ সালে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে লাখো মানুষের মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি এখনো পুষিয়ে উঠতে পারেনি।

জানা গেছে, লে ন্যুভেলিস্ত শহরের বেশিরভাগ গির্জা ও হোটেল ধসে পড়েছে অথবা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সেখানকার এপিসকোপাল গির্জার প্রধান আবিয়াদে লোজামা নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, ‘রাস্তা জুড়ে শুধু মানুষের চিৎকার। তারা তাদের প্রিয়জনকে খুঁজছে। পানি ও চিকিৎসা সহায়তা চাইছে।’

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে ভয়াবহ ধ্বংসের চিত্র ফুটে উঠেছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা বলছে, দ্বীপটির সেইন্ট-লুইস দু সাদ শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। ওই অঞ্চলে ৫ দশমিক ১ মাত্রার একটিসহ মোট ছয়টি ‘আফটার-শক’ অনুভূত হয়েছে।

সেখান থেকে ১২৫ কিলোমিটার দুরে রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্স এবং প্রতিবেশী কয়েকটি দেশেও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরিয়েল অঁরি বলেছেন, ‘এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যতটা সম্ভব ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে জীবিতদের উদ্ধার করা।’

তিনি জানান, স্থানীয় হাসপাতালগুলো আহতদের সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। বহু মানুষ সেখানে ভাঙা হাড়গোড় নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হাইতিতে ‘তাৎক্ষণিক সহায়তা’ অনুমোদন দিয়েছেন। মার্কিন সাহায্য সংস্থা ইউএসএআইডি সেখানে ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ যাচাই, নিখোঁজদের খুঁজে বের করা এবং পুনর্গঠনে সহায়তা করবে।