ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি : প্রতি ১০ বন্দীর মুক্তির বিনিময়ে এক দিন করে যুদ্ধবিরতি বাড়বে

আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে (জিএমটি ৫.০০) ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হচ্ছে। এর স্থায়িত্ব হবে চার দিন। এই সময়ের মধ্যে গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের হাতে বন্দী ৫০ জনকে মুক্তি দেয়া হবে। এর বিনিময়ে ইসরাইলের কারাগারে আটক ১৫০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেয়া হবে। এছাড়া গাজায় বিপুল পরিমাণে জ্বালানি এবং অন্যান্য সহায়তা প্রবেশ করার সুযোগ দেয়া হবে। প্রাথমিকভাবে চার দিন স্থায়ী হবে এই যুদ্ধবিরতি। তবে প্রতি ১০ বন্দীর মুক্তির বিনিময়ে এক দিন করে যুদ্ধবিরতি বাড়বে।

বৃহস্পতিবার কাতারে দুই পক্ষের মধ্যকার সমঝোতার বিষয়টি প্রকাশ করা হয়। ইসরাইল, হামাস, কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের ব্যাপক আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো চূড়ান্ত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় (১৪.০০ জিএমটি) গাজা থেকে হামাস ১৩ বন্দীকে মুক্তি দেবে। এরা সবাই হবে নারী ও শিশু। আজকের মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনজন আমেরিকানও থাকবে। এদের একজন হচ্ছে তিন বছর বয়স্ক আবিগাইল মোর ইদান।

এর বিনিময়ে স্থানীয় সময় আজ রাত ৮টায় (১৮ জিএমটি) ৩৯ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেবে। ইসরাইলের তিনটি কারাগার থেকে তাদের মুক্তি দেয়া হবে।

গাজায় আন্তর্জাতিক রেড ক্রস বন্দীদের মুক্তির সাথে সম্পৃক্ত থাকবে। তারাই বন্দীদেরকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর হাতে হস্তান্তর করবে। এরপর শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। তারপর তাদেরকে শারীরিক ও মানসিক অবস্থা পরীক্ষা করার জন্য ইসরাইলের বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়া হবে।

হামাস গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ভেতরে হামলা চালিয়ে প্রায় ২৪০ জনকে ধরে আনে। ইতোমধ্যে দুই দফায় চারজনকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। হামাসের হামলায় ওই দিন প্রায় ১২ শ’ লোক নিহত হয়েছিল বলে ইসরাইলিরা দাবি করছে। আর এরপর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। গাজার বিরাট অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

সূত্র : আল জাজিরা, টাইমস অব ইসরাইল এবং অন্যান্য

Tag :

হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি : প্রতি ১০ বন্দীর মুক্তির বিনিময়ে এক দিন করে যুদ্ধবিরতি বাড়বে

Update Time : ০৩:৫৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩

আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে (জিএমটি ৫.০০) ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হচ্ছে। এর স্থায়িত্ব হবে চার দিন। এই সময়ের মধ্যে গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের হাতে বন্দী ৫০ জনকে মুক্তি দেয়া হবে। এর বিনিময়ে ইসরাইলের কারাগারে আটক ১৫০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেয়া হবে। এছাড়া গাজায় বিপুল পরিমাণে জ্বালানি এবং অন্যান্য সহায়তা প্রবেশ করার সুযোগ দেয়া হবে। প্রাথমিকভাবে চার দিন স্থায়ী হবে এই যুদ্ধবিরতি। তবে প্রতি ১০ বন্দীর মুক্তির বিনিময়ে এক দিন করে যুদ্ধবিরতি বাড়বে।

বৃহস্পতিবার কাতারে দুই পক্ষের মধ্যকার সমঝোতার বিষয়টি প্রকাশ করা হয়। ইসরাইল, হামাস, কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের ব্যাপক আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো চূড়ান্ত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় (১৪.০০ জিএমটি) গাজা থেকে হামাস ১৩ বন্দীকে মুক্তি দেবে। এরা সবাই হবে নারী ও শিশু। আজকের মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনজন আমেরিকানও থাকবে। এদের একজন হচ্ছে তিন বছর বয়স্ক আবিগাইল মোর ইদান।

এর বিনিময়ে স্থানীয় সময় আজ রাত ৮টায় (১৮ জিএমটি) ৩৯ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেবে। ইসরাইলের তিনটি কারাগার থেকে তাদের মুক্তি দেয়া হবে।

গাজায় আন্তর্জাতিক রেড ক্রস বন্দীদের মুক্তির সাথে সম্পৃক্ত থাকবে। তারাই বন্দীদেরকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর হাতে হস্তান্তর করবে। এরপর শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। তারপর তাদেরকে শারীরিক ও মানসিক অবস্থা পরীক্ষা করার জন্য ইসরাইলের বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়া হবে।

হামাস গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ভেতরে হামলা চালিয়ে প্রায় ২৪০ জনকে ধরে আনে। ইতোমধ্যে দুই দফায় চারজনকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। হামাসের হামলায় ওই দিন প্রায় ১২ শ’ লোক নিহত হয়েছিল বলে ইসরাইলিরা দাবি করছে। আর এরপর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। গাজার বিরাট অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

সূত্র : আল জাজিরা, টাইমস অব ইসরাইল এবং অন্যান্য