ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১১ দিন হাসতে পারবেন না উত্তর কোরিয়ার নাগরিকরা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০১:০৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২১
  • ২৭৪ Time View

উত্তর কোরিয়া এবার হাসিতেও নিষেধাজ্ঞা! কথাটি শুনে অবাক হলেও সত্যি। ১১ দিন হাসতে পারবেন না উত্তর কোরিয়ার নাগরিকরা। সেই সঙ্গে মদ্যপান থেকেও বিরত থাকতে হবে। এমনি নতুন এক আদেশ জারি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট কিম জং উন।

উত্তর কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম রেডিও ফ্রি এশিয়ার খবরে এমনটায় বলা হয়েছে।

খবরে বলা হয়, উত্তর কোরিয়ার প্রাক্তন শাসক কিমের বাবা কিম জং ইলের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেশটিতে ১১ দিনব্যাপী শোকপালন চলবে। আর এ সময়ে দেশটির বাসিন্দারা কেউ হাসতে পারবেন না, মদ্যপানও করতে পারবেন না।

১১ দিনের এ শোক চলা সময়ে নতুন এ নিয়মের ব্যতয় ঘটলে ভোগ করতে হবে কঠিন শাস্তি।

এর আগে পোশাক, চুলের ছাঁট, স্টাইল – সব নিয়েই দেশবাসীর উপর কঠোর নিয়ম জারি করে রেখেছিলেন উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন। এছাড়াও প্রথম পাঁচ বছরের শাসনকালে মোট ৩৪০ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে কিমের বিরুদ্ধে। কিমের কাকা থেকে শুরু করে দেশের তৎকালীন সেনা প্রধানের নাম রয়েছে সেই তালিকায়।

জানা যায়, সেই সময় কিমের নির্দেশে প্রিয়জনের মৃত্যুদণ্ড দেখতে ঘনিষ্ঠদের বাধ্য করা হয়েছিল। ওই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষাকারী সংগঠনের তরফে, ৬৮৩ জন কিম-বিরোধী উত্তর কোরিয়ানদের সঙ্গে এই নিয়ে ২০১৫ সাল থেকে কথোপকথন করার চেষ্টা চলছে।

Tag :

১১ দিন হাসতে পারবেন না উত্তর কোরিয়ার নাগরিকরা

Update Time : ০১:০৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২১

উত্তর কোরিয়া এবার হাসিতেও নিষেধাজ্ঞা! কথাটি শুনে অবাক হলেও সত্যি। ১১ দিন হাসতে পারবেন না উত্তর কোরিয়ার নাগরিকরা। সেই সঙ্গে মদ্যপান থেকেও বিরত থাকতে হবে। এমনি নতুন এক আদেশ জারি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট কিম জং উন।

উত্তর কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম রেডিও ফ্রি এশিয়ার খবরে এমনটায় বলা হয়েছে।

খবরে বলা হয়, উত্তর কোরিয়ার প্রাক্তন শাসক কিমের বাবা কিম জং ইলের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেশটিতে ১১ দিনব্যাপী শোকপালন চলবে। আর এ সময়ে দেশটির বাসিন্দারা কেউ হাসতে পারবেন না, মদ্যপানও করতে পারবেন না।

১১ দিনের এ শোক চলা সময়ে নতুন এ নিয়মের ব্যতয় ঘটলে ভোগ করতে হবে কঠিন শাস্তি।

এর আগে পোশাক, চুলের ছাঁট, স্টাইল – সব নিয়েই দেশবাসীর উপর কঠোর নিয়ম জারি করে রেখেছিলেন উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন। এছাড়াও প্রথম পাঁচ বছরের শাসনকালে মোট ৩৪০ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে কিমের বিরুদ্ধে। কিমের কাকা থেকে শুরু করে দেশের তৎকালীন সেনা প্রধানের নাম রয়েছে সেই তালিকায়।

জানা যায়, সেই সময় কিমের নির্দেশে প্রিয়জনের মৃত্যুদণ্ড দেখতে ঘনিষ্ঠদের বাধ্য করা হয়েছিল। ওই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষাকারী সংগঠনের তরফে, ৬৮৩ জন কিম-বিরোধী উত্তর কোরিয়ানদের সঙ্গে এই নিয়ে ২০১৫ সাল থেকে কথোপকথন করার চেষ্টা চলছে।