ঢাকা ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
আজ ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় ম্যারাডোনাকে উৎসর্গ করলেন মেসি আর্জেন্টিনার মানুষ এই জয় চেয়েছিল, আমরাও চেয়েছিলাম: লিওনেল মেসি চার বছর ধরে আমরা বিশ্বের সেরা, কেউ পছন্দ করুক বা না করুক: সমালোচকদের মেসি এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ১৫ জুলাই ২০২৬ মহাগুরুত্বপূর্ণ জয়ের পর মাঠে শিশুদের মতো উল্লাসে মেতে উঠেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারে আর্জেন্টিনা অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের শুরুর একাদশে কারা আছেন ফরিদপুরে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

আর্জেন্টিনা ২-১ ইংল্যান্ড

অবিশ্বাস্য, অকল্পনীয়, অননুমেয়, অভাবনীয়—এসব বিশেষণও এখন ক্লিশে হয়ে গেছে।

শুধু এটুকুই বলা যায়, আর্জেন্টিনা, আর কত!

এই আটলান্টাতেই মিশরের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-২ গোলে জিতেছিল আর্জেন্টিনা।

তবে তাদের সেই জয় নিয়ে ছিল অনেক বিতর্ক।

তবে আজ আর বিতর্কের কোনো সুযোগ দিলেন না মেসি-মার্তিনেজরা। অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে ইংল্যান্ড ৮৪ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থাকলেও প্রত্যাবর্তনের আরেকটি অদম্য গল্প লিখল আর্জেন্টিনা। যাতে নেই কোনো বিতর্ক কিংবা সমালোচনার সুযোগ; আছে শুধু গর্ব করার মতো উপাদান।

বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় আটলান্টা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দু’দল।

এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে এগিয়ে থাকে আর্জেন্টিনা। কিছু সুযোগ তৈরি করলেও তা লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হয় আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যাান্ডারসনকে ফাউল করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরুতেই দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। যদিও রেফারির হস্তক্ষেপে ঘটনা বেশিদূর এগোয়নি।

প্রথমার্ধে ১৯টি ফাউল হয়। এর মাঝে ১২টি করে আর্জেন্টিনা এবং ৭টি ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দু’দল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণ চালায় ইংলিশরা। সেই ফল পেতে খুব একটা দেরিও হয়নি তাদের। ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে মরগান রজার্সের ক্রসে দারুণ এক গোলে ইংলিশদের লিড এনে দেন গর্ডন।

৬৪তম মিনিটে একাদশে পরিবর্তন আনে আর্জেন্টিনা। লিয়ান্দ্রো পারেদেসের পরিবর্তে মাঠে নামেন নিকো গঞ্জালেজ।

দ্বিতীয়ার্ধের হাইড্রেশন বিরতির পর আরও তিনটি পরিবর্তন আনে আলবিসেলেস্তেরা। লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নাহুয়েল মোলিনা ও জুলিয়ানো সিমিওনের বদলে মাঠে নামেন নিকোলাস ওতামেন্দি, রদ্রিগো দি পল ও গনসালো মন্তিয়েল। ইংল্যান্ড দলেরও একটি পরিবর্তন করা হয়। অ্যান্থনি গর্ডনের বদলে মাঠে নামেন এজরি কনসা।

ম্যাচের শেষ ২০ মিনিটে অনেকগুলো আক্রমণ ও পাল্টা-আক্রমণের পসরা দেখা যায় মাঠজুড়ে। সেই সময়েই ম্যাচে ফেরে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক শটে গোল করে আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরান এনজো।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমের তৃতীয় মিনিটে লিড পায় আর্জেন্টিনা। মেসির ক্রসে দারুণ এক হেডে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে দেন লাওতারো মার্তিনেজ।

বাকি সময়ে ম্যাচে ফিরতে চেষ্টা চালায় ইংলিশরা। তবে প্রতিপক্ষ রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হয় ইংলিশ ফরোয়ার্ড বাহিনী। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেসিরা।

এই জয়ে টানা দুই বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলো আর্জেন্টিনা। আগামী রোববার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় বিশ্বকাপের মেগা ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ব্যাক টু ব্যাক শিরোপা জেতার লক্ষ্যে মাঠে নামবে আলবিসেলেস্তেরা।

Tag :
জনপ্রিয়

আজ ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

Update Time : ০৯:১৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

আর্জেন্টিনা ২-১ ইংল্যান্ড

অবিশ্বাস্য, অকল্পনীয়, অননুমেয়, অভাবনীয়—এসব বিশেষণও এখন ক্লিশে হয়ে গেছে।

শুধু এটুকুই বলা যায়, আর্জেন্টিনা, আর কত!

এই আটলান্টাতেই মিশরের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-২ গোলে জিতেছিল আর্জেন্টিনা।

তবে তাদের সেই জয় নিয়ে ছিল অনেক বিতর্ক।

তবে আজ আর বিতর্কের কোনো সুযোগ দিলেন না মেসি-মার্তিনেজরা। অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে ইংল্যান্ড ৮৪ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থাকলেও প্রত্যাবর্তনের আরেকটি অদম্য গল্প লিখল আর্জেন্টিনা। যাতে নেই কোনো বিতর্ক কিংবা সমালোচনার সুযোগ; আছে শুধু গর্ব করার মতো উপাদান।

বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় আটলান্টা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দু’দল।

এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে এগিয়ে থাকে আর্জেন্টিনা। কিছু সুযোগ তৈরি করলেও তা লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হয় আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যাান্ডারসনকে ফাউল করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরুতেই দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। যদিও রেফারির হস্তক্ষেপে ঘটনা বেশিদূর এগোয়নি।

প্রথমার্ধে ১৯টি ফাউল হয়। এর মাঝে ১২টি করে আর্জেন্টিনা এবং ৭টি ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দু’দল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণ চালায় ইংলিশরা। সেই ফল পেতে খুব একটা দেরিও হয়নি তাদের। ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে মরগান রজার্সের ক্রসে দারুণ এক গোলে ইংলিশদের লিড এনে দেন গর্ডন।

৬৪তম মিনিটে একাদশে পরিবর্তন আনে আর্জেন্টিনা। লিয়ান্দ্রো পারেদেসের পরিবর্তে মাঠে নামেন নিকো গঞ্জালেজ।

দ্বিতীয়ার্ধের হাইড্রেশন বিরতির পর আরও তিনটি পরিবর্তন আনে আলবিসেলেস্তেরা। লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নাহুয়েল মোলিনা ও জুলিয়ানো সিমিওনের বদলে মাঠে নামেন নিকোলাস ওতামেন্দি, রদ্রিগো দি পল ও গনসালো মন্তিয়েল। ইংল্যান্ড দলেরও একটি পরিবর্তন করা হয়। অ্যান্থনি গর্ডনের বদলে মাঠে নামেন এজরি কনসা।

ম্যাচের শেষ ২০ মিনিটে অনেকগুলো আক্রমণ ও পাল্টা-আক্রমণের পসরা দেখা যায় মাঠজুড়ে। সেই সময়েই ম্যাচে ফেরে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক শটে গোল করে আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরান এনজো।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমের তৃতীয় মিনিটে লিড পায় আর্জেন্টিনা। মেসির ক্রসে দারুণ এক হেডে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে দেন লাওতারো মার্তিনেজ।

বাকি সময়ে ম্যাচে ফিরতে চেষ্টা চালায় ইংলিশরা। তবে প্রতিপক্ষ রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হয় ইংলিশ ফরোয়ার্ড বাহিনী। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেসিরা।

এই জয়ে টানা দুই বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলো আর্জেন্টিনা। আগামী রোববার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় বিশ্বকাপের মেগা ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ব্যাক টু ব্যাক শিরোপা জেতার লক্ষ্যে মাঠে নামবে আলবিসেলেস্তেরা।