ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের সব বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনলাইনে,সময় ও নম্বর কমবে

করোনা পরিস্থিতি এমনই থাকলে আগামী ১ জুলাই থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের সব বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনলাইনে নেয়া হবে। ডিনস কমিটির এমন সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে ঢাবির একাডেমিক নীতিনির্ধারণী আনুষ্ঠানিক ফোরাম শিক্ষা পরিষদ।

এক্ষেত্রে অনলাইন পরীক্ষায় সময় ও নম্বর কমবে। সে ক্ষেত্রে মূল্যায়নকৃত ফলাফলকে প্রচলিত পূর্ণমানে রূপান্তর করে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরি করা হবে।

আগের দিন ডিনস কমিটির বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত নিলে বৃহস্পতিবার বিকেলে শিক্ষা পরিষদের ভার্চ্যুয়াল সভায় তা অনুমোদন করা হয়।

শিক্ষা পরিষদের সভা শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ডিনস কমিটির সিদ্ধান্তগুলো অনুমোদন করেছে পরিষদ। সভায় কৌশলগত কারণে প্রতিটি কোর্সকে একাধিক ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন ধরন বা পদ্ধতিতে পরীক্ষা (যেমন: বর্ণনামূলক সংক্ষিপ্ত আকারে, এমসিকিউ, কুইজ, অ্যাসাইনমেন্ট এবং ওপেনবুক পরীক্ষা) নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষার সময় ও মান কমানো হবে, তবে মূল্যায়নকৃত ফলাফলকে প্রচলিত পূর্ণমানে রূপান্তর করে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরি করা হবে, ক্রেডিট অপরিবর্তিত থাকবে। এছাড়া কম্পিউটারভিত্তিক ব্যবহারিক পরীক্ষাগুলো অনলাইনে নেয়া হবে। অন্যান্য ল্যাবভিত্তিক ব্যবহারিক পরীক্ষা যথাযথ নিয়মে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নেয়া হবে।

জানা গেছে, অনলাইন পরীক্ষার গ্রহণযোগ্যতা ও পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ কীভাবে নিশ্চিত করা যায়, তা সুনির্দিষ্ট করতে অনুষদগুলোর ডিন ও ইনস্টিটিউটগুলোর পরিচালকদের একটি কৌশলপত্র তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে কৌশলপত্রটি জমা দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়াও অনলাইন পরীক্ষার দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এর মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে প্রচলিত নিয়মে সশরীরেই পরীক্ষা-কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলেও জানা গেছে।

Tag :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের সব বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনলাইনে,সময় ও নম্বর কমবে

Update Time : ০৫:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১

করোনা পরিস্থিতি এমনই থাকলে আগামী ১ জুলাই থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের সব বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনলাইনে নেয়া হবে। ডিনস কমিটির এমন সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে ঢাবির একাডেমিক নীতিনির্ধারণী আনুষ্ঠানিক ফোরাম শিক্ষা পরিষদ।

এক্ষেত্রে অনলাইন পরীক্ষায় সময় ও নম্বর কমবে। সে ক্ষেত্রে মূল্যায়নকৃত ফলাফলকে প্রচলিত পূর্ণমানে রূপান্তর করে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরি করা হবে।

আগের দিন ডিনস কমিটির বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত নিলে বৃহস্পতিবার বিকেলে শিক্ষা পরিষদের ভার্চ্যুয়াল সভায় তা অনুমোদন করা হয়।

শিক্ষা পরিষদের সভা শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ডিনস কমিটির সিদ্ধান্তগুলো অনুমোদন করেছে পরিষদ। সভায় কৌশলগত কারণে প্রতিটি কোর্সকে একাধিক ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন ধরন বা পদ্ধতিতে পরীক্ষা (যেমন: বর্ণনামূলক সংক্ষিপ্ত আকারে, এমসিকিউ, কুইজ, অ্যাসাইনমেন্ট এবং ওপেনবুক পরীক্ষা) নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষার সময় ও মান কমানো হবে, তবে মূল্যায়নকৃত ফলাফলকে প্রচলিত পূর্ণমানে রূপান্তর করে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরি করা হবে, ক্রেডিট অপরিবর্তিত থাকবে। এছাড়া কম্পিউটারভিত্তিক ব্যবহারিক পরীক্ষাগুলো অনলাইনে নেয়া হবে। অন্যান্য ল্যাবভিত্তিক ব্যবহারিক পরীক্ষা যথাযথ নিয়মে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নেয়া হবে।

জানা গেছে, অনলাইন পরীক্ষার গ্রহণযোগ্যতা ও পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ কীভাবে নিশ্চিত করা যায়, তা সুনির্দিষ্ট করতে অনুষদগুলোর ডিন ও ইনস্টিটিউটগুলোর পরিচালকদের একটি কৌশলপত্র তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে কৌশলপত্রটি জমা দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়াও অনলাইন পরীক্ষার দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এর মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে প্রচলিত নিয়মে সশরীরেই পরীক্ষা-কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলেও জানা গেছে।