আজ থেকে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্কুল-কলেজ ও সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেরা ব্যবস্থা নেবে।
মন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমন বেড়ে যাওয়ায় আগামী দুই সপ্তাহের জন্য দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে ওনার সম্মতি সাপেক্ষেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক/রাজনৈতিক/ধর্মীয়/রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ১০০-এর বেশি জনসমাবেশ করা যাবে না। এসব ক্ষেত্রে যারা যোগদান করবেন তাদের অবশ্যই টিকা সনদ বা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর সার্টিফিকেট আনতে হবে।
সরকারি/বেসরকারি অফিস, শিল্প-কারখানাগুলোতে কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের টিকা সনদ গ্রহণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে দায়িত্ব বহন করবেন।
এর আগে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের শুরুর দিকে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করা হয়। এরপর বেশ কয়েক ধাপে ছুটি বাড়িয়ে প্রায় ১৭ মাস বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশে ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণিপাঠদান শুরু হয়। দীর্ঘ এই সময়ে টেলিভিশনের পাশাপাশি অনলাইনে ক্লাস চালু রাখা হয়। চলতি বছরের শুরুর দিকে সংক্রমণ নতুন করে বেড়ে যাওয়ায় আবারও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়টি আলোচনায় আসে। অবশ্য শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের টিকা দিয়ে সীমিত পরিসরে শ্রেণিপাঠদান চালু রাখার কথা বলে আসছিলেন শিক্ষামন্ত্রী।
ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সংক্রমণের হার বেড়ে গেছে। তারা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছে। এই মুহূর্তে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ জরুরি। আমরা প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি সাপেক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুই সপ্তাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
দুই সপ্তাহ পর পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা কিংবা বন্ধ রাখার পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অনলাইন ডেস্ক 




















