ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ পুরোপুরি পুনর্দখল করার দাবি করেছে ইউক্রেন

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ থেকে রুশ সেনাদের পুরোপুরি সরিয়ে পুনর্দখল করার দাবি করেছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হান্না মালিয়ার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্ট দিয়ে কিয়েভ পুনর্দখলের এই দাবি করেছে। খবর সিএনএনের।

স্থানীয় সময় শনিবার (২ এপ্রিল) রাত দুইটার দিকে ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে হান্না মালিয়ার জানিয়েছেন, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ রাশিয়ার কাছ থেকে মুক্ত হয়েছে। কিয়েভ এখন পুরোপুরি ইউক্রেনের সেনাদের দখলে।

তিনি আরও জানান, রুশ বাহিনীর কাছ থেকে ইরপিন, বুচা, গোস্তমেল এবং পুরো কিয়েভ মুক্ত হয়েছে। তবে কিয়েভ মুক্ত হলেও ইউক্রেনীয়দের এখনই নিরাপদ আশ্রয় ছেড়ে হামলার মুখে পড়া বাড়িঘরে ফিরতে নিষেধও করেছেন তিনি।

তবে কিয়েভের পুরো অঞ্চল প্রকৃতপক্ষে রুশ সেনা মুক্ত হয়েছে কিনা তা সিএনএনের পক্ষ থেকে এখন যথার্থভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, বিগত কয়েকদিন কিয়েভ ও এর পার্শ্ববর্তী শহর থেকে রুশ সেনাদের সরে যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছিল। দুটি কারণে রুশ সেনারা সরে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রথমটি হচ্ছে ইউক্রেনের সেনাদের মনোবল চাঙা রেখে যেন প্রতিরোধ অব্যাহত রাখে। দ্বিতীয়টি, রুশ সেনারা এখন দোনবাস দখলে বেশি মনোযোগী হয়েই কিয়েভ থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছেন।

Tag :
জনপ্রিয়

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ পুরোপুরি পুনর্দখল করার দাবি করেছে ইউক্রেন

Update Time : ০৪:৪৭:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ এপ্রিল ২০২২

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ থেকে রুশ সেনাদের পুরোপুরি সরিয়ে পুনর্দখল করার দাবি করেছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হান্না মালিয়ার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্ট দিয়ে কিয়েভ পুনর্দখলের এই দাবি করেছে। খবর সিএনএনের।

স্থানীয় সময় শনিবার (২ এপ্রিল) রাত দুইটার দিকে ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে হান্না মালিয়ার জানিয়েছেন, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ রাশিয়ার কাছ থেকে মুক্ত হয়েছে। কিয়েভ এখন পুরোপুরি ইউক্রেনের সেনাদের দখলে।

তিনি আরও জানান, রুশ বাহিনীর কাছ থেকে ইরপিন, বুচা, গোস্তমেল এবং পুরো কিয়েভ মুক্ত হয়েছে। তবে কিয়েভ মুক্ত হলেও ইউক্রেনীয়দের এখনই নিরাপদ আশ্রয় ছেড়ে হামলার মুখে পড়া বাড়িঘরে ফিরতে নিষেধও করেছেন তিনি।

তবে কিয়েভের পুরো অঞ্চল প্রকৃতপক্ষে রুশ সেনা মুক্ত হয়েছে কিনা তা সিএনএনের পক্ষ থেকে এখন যথার্থভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, বিগত কয়েকদিন কিয়েভ ও এর পার্শ্ববর্তী শহর থেকে রুশ সেনাদের সরে যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছিল। দুটি কারণে রুশ সেনারা সরে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রথমটি হচ্ছে ইউক্রেনের সেনাদের মনোবল চাঙা রেখে যেন প্রতিরোধ অব্যাহত রাখে। দ্বিতীয়টি, রুশ সেনারা এখন দোনবাস দখলে বেশি মনোযোগী হয়েই কিয়েভ থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছেন।