ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। মুসলিমদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ উল ফিতরের দিনও হামলা বন্ধ রাখেনি তারা।
বৃহস্পতিবার (১৩ মে) দেশটিতে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। আর এদিন ইসরায়েলি বাহিনীর নৃশংস হামলায় গাজায় আরও ১৯ জন নিরস্ত্র ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
গত ১০ মে থেকে ইসরায়েলের অব্যাহত বিমান হামলায় গাজায় নিহত বেড়ে ৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ১৭ জন শিশু। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৪৮০ জন ফিলিস্তিনি। খবর আল-জাজিরার।
অপরদিকে, ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের ইসরায়েল অভিমুখে রকেট হামলায় এ পর্যন্ত ৭ জন ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ভারতীয় নারী ও ইসরায়েলি এক সেনা রয়েছেন। আর হামাসের হামলায় শতাধিক ইসরায়েলি আহত হয়েছেন।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ঈদের দিনেও বিমান হামলা চালিয়ে গাজার বেশ কয়েকটি বহুতল ভবন ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলছে, বুধবার গভীর রাতে এবং বৃহস্পতিবার সকালে গাজার নিকটবর্তী ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে কয়েকশ রকেট নিক্ষেপ করেছে হামাস। তারা পশ্চিম তীরে আরও সেনা মোতায়েন করেছে। সেখানে সেনা সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি যুদ্ধাস্ত্র সামগ্রীর সরবরাহও বাড়ানো হয়েছে।
গত ১০ মে স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে গাজা উপত্যকায় সিরিজ বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী। হামলার প্রথম দিনে তিন শিশুসহ অন্তত ২০ জন নিহত হয়। দ্বিতীয় দিনে তা বেড়ে ২৮ এবং তৃতীয় দিনে ৬৫ জনে দাঁড়ায়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
পবিত্র রমজানের জুমাতুল বিদা এবং পবিত্র রাত শবে কদরেও আল-আকসায় তাণ্ডব চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিরা এর প্রতিবাদ করে আসছেন। এর মধ্যেই গত সোমবার প্রতিশোধ হিসেবে হামাস ইসরায়েলে দিকে রকেট হামলা চালায়। তারপর থেকে অব্যাহত বিমান হামলা চালাচ্ছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী।
আন্তজার্তিক ডেস্ক 























