তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, মানুষকে করোনা বিষয়ে সঠিক তথ্য দেওয়া, স্বাস্থ্য সচেতনতা বার্তা প্রচার এবং গুজব রটানো প্রতিহত করতে দেশের মূলধারার গণমাধ্যম বিশাল ভূমিকা রেখে চলেছে। সাংবাদিকরা অকুতোভয়ে কাজ করে চলেছেন।
বুধবার (২ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দফতর থেকে অনলাইনে দুই দিনব্যাপী লিডারস ওয়েব সামিটে মন্ত্রী পর্যায়ের উদ্বোধনী আলোচনায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকালে তিনি এসব কথা বলেন। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত এশিয়া-প্যাসিফিক ইনস্টিটিউট ফর ব্রডকাস্টিং ডেভেলপমেন্ট-এআইবিডি এ আলোচনার আয়োজন করে।
ড. হাছান মাহমুদ তার বক্তৃতায় বলেন, ‘বাংলাদেশ পৃথিবীর একটি সর্বোচ্চ ঘনবসতির দেশ। এ সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশে যেমন করোনা সংক্রমণকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছেন, তেমনি দেশের মানুষের খাদ্য ও কাজেরও কোনও সংকট হতে দেননি। শুধু তা-ই নয়, গত এক বছরে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ভারতকে ছাড়িয়ে ২ হাজার ২২৭ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। বিশ্বের হাতেগোনা ধনাত্মক জিডিপি প্রবৃদ্ধির ২০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।’
করোনাকালে দেশের গণমাধ্যমের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘মানুষকে করোনার বিষয়ে ঠিক তথ্য দেওয়া, স্বাস্থ্য সচেতনতা বার্তা প্রচার এবং গুজব রটানো প্রতিহত করতে দেশের মূলধারার গণমাধ্যম বিশাল ভূমিকা রেখে চলেছে এবং সাংবাদিকরা অকুতোভয়ে কাজ করে চলেছেন। শত শত গণমাধ্যমকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, মৃত্যুকেও বরণ করেছেন অনেকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব গণমাধ্যমকর্মীর জন্য বিশেষ সহায়তা চালু রেখেছেন।’
এআইবিডি পরিচালক ফিলোমেনা নানাপ্রাগাসামের সভাপতিত্বে ‘মহামারির তথ্য প্রদানে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এ আলোচনায় আরও অংশ নেন- মালয়েশিয়ার কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া মন্ত্রী দাতো সাইফুদ্দিন আব্দুল্লাহ, নাইজেরিয়ার তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী আলহাজি লাই মোহাম্মদ, ফিলিপাইনের তথ্যমন্ত্রী জোসে রুপার্টো মার্টিন আন্দানার এবং কম্বোডিয়ার তথ্য উপমন্ত্রী ড. সক প্রাসিথ।