ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ইরান যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে: আইআরজিসি উপদেষ্টা ওয়াশিংটন ইরান নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেবে এবং এর ফলাফল আসবে ‘সহজ অথবা কঠিন’: ট্রাম্প মদিনার বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলার নিন্দা বাংলাদেশের সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় আগুন, আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ৪ অক্টোবর ২০২৬ ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৬০৮ শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বলা সম্ভব নয়, প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী ফরিদপুরের সবজাননেছা কামিল মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করেছে চীন: এশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ সংকট আরও বাড়তে পারে

‘জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া সবই তো ভোট চোর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১১:৩৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অক্টোবর ২০২৩
  • ২১৫ Time View
যারা ভোট চুরি করেছে তাদের কাছ থেকে সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা শুনতে হয় বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া সবই তো ভোট চোর। এদেশের মানুষ জানে, নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নতি হয়েছে। মানুষ স্বাবলম্বী হয়েছে। দারিদ্র বিমোচন হয়েছে। দারিদ্রসীমা ৫ শতাংশে কমিয়ে এনেছি। কেউ ঘরবাড়ি ছাড়া থাকবে না। সন্দেহ হয় সেজন্যই।’ গণভবনে সংবাদ সম্মেলন শেষে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শ্যামল দত্তের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের জন্য আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছে। অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যাপারে আমাকে শেখাতে হবে না। আইয়ুব খানের আমল থেকে আন্দোলন করে আসছি।

ভোরের কাগজ এর সম্পাদক শ্যামল দত্ত জানতে চান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলছে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথা। সরকারও একই কথা বলছে। তাহলে আমেরিকা আর সরকারের আকাঙ্ক্ষার মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার প্রশ্নটা হচ্ছে, যখন আমরা সংগ্রাম করেছি, ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের জন্য, নির্বাচনের যে সংস্কার ছবিসহ ভোটার তালিকা, স্বচ্ছ ভোটার বাক্স, আইন পাস, ভোটের অধিকার সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা, এগুলো তো আওয়ামী লীগই করেছে। তার জন্য আমাদের অনেক মানুষকে রক্ত দিতে হয়েছে। আমাকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন শেখাতে হবে না। এখন এত প্রশ্ন আসে কেন?

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, যারা জানে নির্বাচনে ভোট পাবে না, তারা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ধর্না দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তারা বাস্তব অবস্থাটা বুঝেছে কি না জানি না। একই রেকর্ড তারা বাজিয়ে যাচ্ছে। একটা দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সেটাকে থামিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা কি না সেটা প্রশ্ন আমারও।

“নিয়মতান্ত্রিকভাবে দেশ পরিচালনা এবং দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার পরও হঠাৎ অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনে নিয়ে সবার মাতামাতিকে ‘সন্দেহ হয় রে, সন্দেহ হয় রে’” বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার জাতিসংঘের ৭৮তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান ও যুক্তরাজ্য সফরের নানা দিক তুলে ধরতে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলন শুরু হয় বিকেল ৪টায়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশ যখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি তোলে তখন বলতে হয়, ‘সন্দেহ হয় রে’। যারা ভোট পাবে না, যাদের জনসমর্থন নেই। যাদের কোটি কোটি টাকা আছে, তারা বিভিন্ন জায়গায় ধরনা দিয়ে বেড়াচ্ছে।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হঠাৎ অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলে। যখন দেশে স্বৈরশাসন ছিল, আমরা সংগ্রাম করেছি। নির্বাচন ব্যবস্থার যে সংস্কার। ভোটার তালিকা প্রণয়ন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। এটা আওয়ামী লীগই করেছে। আমাকে শেখাতে হবে না। একটানা আমরা ক্ষমতায় আছি বলেই দেশের উন্নয়নটা সম্ভব হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, সংসদ সদস্য ও সরকারের পদস্থ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।
Tag :
জনপ্রিয়

ইরান যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে: আইআরজিসি উপদেষ্টা

‘জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া সবই তো ভোট চোর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

Update Time : ১১:৩৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অক্টোবর ২০২৩
যারা ভোট চুরি করেছে তাদের কাছ থেকে সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা শুনতে হয় বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া সবই তো ভোট চোর। এদেশের মানুষ জানে, নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নতি হয়েছে। মানুষ স্বাবলম্বী হয়েছে। দারিদ্র বিমোচন হয়েছে। দারিদ্রসীমা ৫ শতাংশে কমিয়ে এনেছি। কেউ ঘরবাড়ি ছাড়া থাকবে না। সন্দেহ হয় সেজন্যই।’ গণভবনে সংবাদ সম্মেলন শেষে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শ্যামল দত্তের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের জন্য আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছে। অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যাপারে আমাকে শেখাতে হবে না। আইয়ুব খানের আমল থেকে আন্দোলন করে আসছি।

ভোরের কাগজ এর সম্পাদক শ্যামল দত্ত জানতে চান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলছে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথা। সরকারও একই কথা বলছে। তাহলে আমেরিকা আর সরকারের আকাঙ্ক্ষার মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার প্রশ্নটা হচ্ছে, যখন আমরা সংগ্রাম করেছি, ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের জন্য, নির্বাচনের যে সংস্কার ছবিসহ ভোটার তালিকা, স্বচ্ছ ভোটার বাক্স, আইন পাস, ভোটের অধিকার সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা, এগুলো তো আওয়ামী লীগই করেছে। তার জন্য আমাদের অনেক মানুষকে রক্ত দিতে হয়েছে। আমাকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন শেখাতে হবে না। এখন এত প্রশ্ন আসে কেন?

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, যারা জানে নির্বাচনে ভোট পাবে না, তারা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ধর্না দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তারা বাস্তব অবস্থাটা বুঝেছে কি না জানি না। একই রেকর্ড তারা বাজিয়ে যাচ্ছে। একটা দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সেটাকে থামিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা কি না সেটা প্রশ্ন আমারও।

“নিয়মতান্ত্রিকভাবে দেশ পরিচালনা এবং দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার পরও হঠাৎ অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনে নিয়ে সবার মাতামাতিকে ‘সন্দেহ হয় রে, সন্দেহ হয় রে’” বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার জাতিসংঘের ৭৮তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান ও যুক্তরাজ্য সফরের নানা দিক তুলে ধরতে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলন শুরু হয় বিকেল ৪টায়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশ যখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি তোলে তখন বলতে হয়, ‘সন্দেহ হয় রে’। যারা ভোট পাবে না, যাদের জনসমর্থন নেই। যাদের কোটি কোটি টাকা আছে, তারা বিভিন্ন জায়গায় ধরনা দিয়ে বেড়াচ্ছে।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হঠাৎ অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলে। যখন দেশে স্বৈরশাসন ছিল, আমরা সংগ্রাম করেছি। নির্বাচন ব্যবস্থার যে সংস্কার। ভোটার তালিকা প্রণয়ন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। এটা আওয়ামী লীগই করেছে। আমাকে শেখাতে হবে না। একটানা আমরা ক্ষমতায় আছি বলেই দেশের উন্নয়নটা সম্ভব হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, সংসদ সদস্য ও সরকারের পদস্থ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।