ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তৃণমূল না বিজেপি, কার হাতে থাকবে রাজ্যের ভার: সবার নজর নন্দীগ্রামে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ। এবার ভোট গণনার পালা। তৃণমূল না বিজেপি, কার হাতে থাকবে রাজ্যের ভার? রবিবার মিলবে সব উত্তর।

তবে সবার নজর নন্দীগ্রামে। কারণ এই আসনে লড়ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপিতে যাওয়া শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে শেষ পর্যন্ত কে জিতবে তা নিয়ে উত্তেজনায় ফুটছে গোটা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য।

নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের ভোট গণনা হচ্ছে হলদিয়া মহকুমা শাসকের দপ্তরের অদূরে অবস্থিত হলদিয়া গভর্নমেন্ট স্পনসর হাইস্কুলে। নন্দীগ্রাম থেকে সড়ক পথে যার দূরত্ব প্রায় ৬৭ কিলোমিটার। ঘণ্টাখানেকের সেই পথ পাড়ি দিয়ে শনিবার রাতেই হলদিয়া গভর্নমেন্ট স্পনসর হাইস্কুলে পৌঁছে যেতে চান অনেকেই।

মমতার নির্বাচনী এজেন্ট সেখ সুফিয়ান বলেন, ‘রাতে বাড়িতে থাকার কোনও প্রশ্নই নেই। শনিবার বিকেলেই দলবল নিয়ে হলদিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছি। রাতটা হলদিয়ার হোটেলেই কাটাব।’

তৃণমূলের জমি আন্দোলনের ভিত্তিভূমি নন্দীগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে তেভাগা আন্দোলনের ইতিহাসও। ওই কেন্দ্রের রাজনৈতিক যুদ্ধ নিয়ে প্রথম থেকেই উত্তাপ ছড়িয়েছে।

ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এবং সংস্থা এই নির্বাচন নিয়ে তাদের বুথফেরত সমীক্ষার আলাদা আলাদা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেই সব বুথফেরত সমীক্ষায় মমতার তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ের ইঙ্গিত দিয়েছে। আবার দু–একটি সংবাদমাধ্যম এবং সংস্থা বিজেপির জয়ের আভাস দিয়েছে। যদিও বিজেপি গতকালই জানিয়ে দিয়েছে, তারা মানেন না বুথফেরত সমীক্ষা। ফলাফলেই বোঝা যাবে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই এবার পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। তবে বিজেপির এই যুক্তিকে মানছে না তৃণমূল। তারা বলছে, অধিকাংশ বুথফেরত সমীক্ষায়ই ইঙ্গিত দিয়েছে মমতার বিজয়ের। তৃণমূলও জানে এবার এই রাজ্যে ক্ষমতায়ই থাকছে তৃণমূল। মমতাই হবেন এই রাজ্যের তৃতীয়বারের মুখ্যমন্ত্রী।

১২টি সমীক্ষার রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ছয়টি সংস্থা তৃণমূলের আর ছয়টি সংস্থা বিজেপির জয়ের ইঙ্গিত দিয়েছে।

এদিকে, শনিবার ভোট গণনা কেন্দ্রগুলোতে চলছে একেবারে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। তবে অন্য বারের থেকে এ বারের গণনা পদ্ধতির কিছু পার্থক্য রয়েছে। মূলত কোভিডের জন্যই সেই পার্থক্য বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

কমিশন জানায়, ১০৮টি গণনাকেন্দ্রের জন্য কাউন্টিং হলের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। ২০১৬ সালের নির্বাচনে কাউন্টিং হল ছিল ৩৮৫টি। এখন তা বেড়ে হচ্ছে ৭০৬টি। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনা হয়েছে এ বারের গণনায়।

রবিবার রাজ্যের ২৯২টি আসনের ভোট গণনা। এর জন্য ২৩টি জেলায় তৈরি করা হয়েছে ১০৮টি গণনাকেন্দ্র। প্রতি কেন্দ্রে এক বা তার বেশি আসনের গণনা হবে। গণনা শুরু হবে সকাল ৭টা থেকে। প্রথমে ব্যালট পেপার গণনা হবে। তার ৩০ মিনিট পর শুরু হবে ইভিএমের গণনা। একটি কাউন্টিং হলে সাধারণত ১৪টি টেবিল থাকে। প্রতিটি টেবিলে একটি করে ইভিএমের গণনা হবে। অর্থাৎ ১৪টি টেবিলে ১৪টি ইভিএম থাকবে। ১৪টি ইভিএমের গণনা সম্পন্ন হলে তাকে এক রাউন্ড গণনা বলা হয়। তবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে কমিশনের পরিকল্পনা মতো তাতে পরিবর্তনও হতে পারে। অর্থাৎ এক রাউন্ডে ১৪টির বেশি বা কম ইভিএম গণনা হতে পারে। যেমন এই বার করোনার পরিস্থিতির জন্য একটি হলে গড়ে ৭টি টেবিল থাকবে। ফলে সে ক্ষেত্রে রাউন্ডের পরিবর্তন হবে।

কমিশন জানায়, করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দূরত্ব বজায় রাখতে কাউন্টিং হল ও টেবিলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। ফলে রাউন্ডের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আসবে। গণনা সর্বনিম্ন ১৭ রাউন্ড এবং সর্বোচ্চ ৩০ রাউন্ড ধরে হতে পারে। ফলে চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য বেশ কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।

ভোট গণনার নির্দিষ্ট কয়েকটি পর্যায় রয়েছে। সেগুলো অবলম্বন করেই গণনা করতে হয়। গণনা কক্ষের ভেতরে একই লাইনে পর পর কাউন্টিং টেবিলগুলো রাখা হয়। তারপর রিটার্নিং অফিসারের অনুমতিতে স্ট্রং রুম থেকে ইভিএম নিয়ে আসেন কাউন্টিং এজেন্টরা। স্ট্রং রুমের বাইরে থাকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা। তবে একসঙ্গে সব ইভিএম নিয়ে আসা হয় না। গণনাকক্ষে যতগুলি কাউন্টিং টেবিল থাকে, একবারে তত সংখ্যক ইভিএম আনা যায়। ওই ইভিএমগুলির গণনা সম্পন্ন হলে তার পর আবার স্ট্রং রুম থেকে নতুন ইভিএম নিয়ে আসা হয়। এই ভাবে পর্যায়ক্রমে চলতে থাকে।

কাউন্টিং টেবিলে ইভিএমের সঙ্গে থাকে সংশ্লিষ্ট বুথের ভোটার তালিকা। গণনা শুরুর আগে ইভিএমের ৩টি ভিন্ন ধরনের সিল খুলতে হয়। প্রথমে গণনার পূর্বে ইভিএম মেশিনগুলো পরীক্ষা করে নেওয়া হয়। সব ঠিক থাকলে গণনা পর্যবেক্ষকের পরামর্শ নিয়ে ইভিএম অন করা হয়। সুইচ অন করলেই স্ক্রিনের ওপর ২টি বিকল্প (অপশন) আসবে। একটি রেজাল্টের, অন্যটি প্রিন্টের। রেজাল্টে ক্লিক করলেই দেখা যাবে ওই বুথে কত ভোট পড়েছে এবং কোন প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন। এর পর তা নোট ডাউন করতে হয় মাইক্রো অবজার্ভারদের। একই সঙ্গে উপস্থিত থাকা রাজনৈতিক দলের এজেন্টদের তা দেখানো হয়। তবেই একটি ইভিএম বুথের গণনার কাজটি সম্পন্ন হয়। এই ভাবেই চলে ওই বিধানসভা আসনের বুথ অনুযায়ী পর পর গণনা। প্রতি রাউন্ড গণনার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

ভোট গণনার কাজে যুক্ত থাকেন গণনা পর্যবেক্ষক, গণনা সহকর্মী, মাইক্রো অবজার্ভার, কাউন্টিং এজেন্ট, প্রার্থী ও নির্বাচনী এজেন্ট। এ ছাড়া অন্য কেউ কমিশনের অনুমতিপত্র ছাড়া গণনাকক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না। তবে কাউন্টিং হলে ঢোকার মুখে এবং স্ট্রং রুমের বাইরে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ১০৮টি গণনাকেন্দ্রের জন্য ২৫৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে কমিশন। সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে ২৯২ জন। এ ছাড়া বুথের বাইরে নজরদারির জন্য থাকবেন ১৫ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

Tag :

তৃণমূল না বিজেপি, কার হাতে থাকবে রাজ্যের ভার: সবার নজর নন্দীগ্রামে

Update Time : ০৬:২৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মে ২০২১

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ। এবার ভোট গণনার পালা। তৃণমূল না বিজেপি, কার হাতে থাকবে রাজ্যের ভার? রবিবার মিলবে সব উত্তর।

তবে সবার নজর নন্দীগ্রামে। কারণ এই আসনে লড়ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপিতে যাওয়া শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে শেষ পর্যন্ত কে জিতবে তা নিয়ে উত্তেজনায় ফুটছে গোটা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য।

নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের ভোট গণনা হচ্ছে হলদিয়া মহকুমা শাসকের দপ্তরের অদূরে অবস্থিত হলদিয়া গভর্নমেন্ট স্পনসর হাইস্কুলে। নন্দীগ্রাম থেকে সড়ক পথে যার দূরত্ব প্রায় ৬৭ কিলোমিটার। ঘণ্টাখানেকের সেই পথ পাড়ি দিয়ে শনিবার রাতেই হলদিয়া গভর্নমেন্ট স্পনসর হাইস্কুলে পৌঁছে যেতে চান অনেকেই।

মমতার নির্বাচনী এজেন্ট সেখ সুফিয়ান বলেন, ‘রাতে বাড়িতে থাকার কোনও প্রশ্নই নেই। শনিবার বিকেলেই দলবল নিয়ে হলদিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছি। রাতটা হলদিয়ার হোটেলেই কাটাব।’

তৃণমূলের জমি আন্দোলনের ভিত্তিভূমি নন্দীগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে তেভাগা আন্দোলনের ইতিহাসও। ওই কেন্দ্রের রাজনৈতিক যুদ্ধ নিয়ে প্রথম থেকেই উত্তাপ ছড়িয়েছে।

ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এবং সংস্থা এই নির্বাচন নিয়ে তাদের বুথফেরত সমীক্ষার আলাদা আলাদা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেই সব বুথফেরত সমীক্ষায় মমতার তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ের ইঙ্গিত দিয়েছে। আবার দু–একটি সংবাদমাধ্যম এবং সংস্থা বিজেপির জয়ের আভাস দিয়েছে। যদিও বিজেপি গতকালই জানিয়ে দিয়েছে, তারা মানেন না বুথফেরত সমীক্ষা। ফলাফলেই বোঝা যাবে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই এবার পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। তবে বিজেপির এই যুক্তিকে মানছে না তৃণমূল। তারা বলছে, অধিকাংশ বুথফেরত সমীক্ষায়ই ইঙ্গিত দিয়েছে মমতার বিজয়ের। তৃণমূলও জানে এবার এই রাজ্যে ক্ষমতায়ই থাকছে তৃণমূল। মমতাই হবেন এই রাজ্যের তৃতীয়বারের মুখ্যমন্ত্রী।

১২টি সমীক্ষার রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ছয়টি সংস্থা তৃণমূলের আর ছয়টি সংস্থা বিজেপির জয়ের ইঙ্গিত দিয়েছে।

এদিকে, শনিবার ভোট গণনা কেন্দ্রগুলোতে চলছে একেবারে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। তবে অন্য বারের থেকে এ বারের গণনা পদ্ধতির কিছু পার্থক্য রয়েছে। মূলত কোভিডের জন্যই সেই পার্থক্য বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

কমিশন জানায়, ১০৮টি গণনাকেন্দ্রের জন্য কাউন্টিং হলের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। ২০১৬ সালের নির্বাচনে কাউন্টিং হল ছিল ৩৮৫টি। এখন তা বেড়ে হচ্ছে ৭০৬টি। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনা হয়েছে এ বারের গণনায়।

রবিবার রাজ্যের ২৯২টি আসনের ভোট গণনা। এর জন্য ২৩টি জেলায় তৈরি করা হয়েছে ১০৮টি গণনাকেন্দ্র। প্রতি কেন্দ্রে এক বা তার বেশি আসনের গণনা হবে। গণনা শুরু হবে সকাল ৭টা থেকে। প্রথমে ব্যালট পেপার গণনা হবে। তার ৩০ মিনিট পর শুরু হবে ইভিএমের গণনা। একটি কাউন্টিং হলে সাধারণত ১৪টি টেবিল থাকে। প্রতিটি টেবিলে একটি করে ইভিএমের গণনা হবে। অর্থাৎ ১৪টি টেবিলে ১৪টি ইভিএম থাকবে। ১৪টি ইভিএমের গণনা সম্পন্ন হলে তাকে এক রাউন্ড গণনা বলা হয়। তবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে কমিশনের পরিকল্পনা মতো তাতে পরিবর্তনও হতে পারে। অর্থাৎ এক রাউন্ডে ১৪টির বেশি বা কম ইভিএম গণনা হতে পারে। যেমন এই বার করোনার পরিস্থিতির জন্য একটি হলে গড়ে ৭টি টেবিল থাকবে। ফলে সে ক্ষেত্রে রাউন্ডের পরিবর্তন হবে।

কমিশন জানায়, করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দূরত্ব বজায় রাখতে কাউন্টিং হল ও টেবিলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। ফলে রাউন্ডের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আসবে। গণনা সর্বনিম্ন ১৭ রাউন্ড এবং সর্বোচ্চ ৩০ রাউন্ড ধরে হতে পারে। ফলে চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য বেশ কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।

ভোট গণনার নির্দিষ্ট কয়েকটি পর্যায় রয়েছে। সেগুলো অবলম্বন করেই গণনা করতে হয়। গণনা কক্ষের ভেতরে একই লাইনে পর পর কাউন্টিং টেবিলগুলো রাখা হয়। তারপর রিটার্নিং অফিসারের অনুমতিতে স্ট্রং রুম থেকে ইভিএম নিয়ে আসেন কাউন্টিং এজেন্টরা। স্ট্রং রুমের বাইরে থাকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা। তবে একসঙ্গে সব ইভিএম নিয়ে আসা হয় না। গণনাকক্ষে যতগুলি কাউন্টিং টেবিল থাকে, একবারে তত সংখ্যক ইভিএম আনা যায়। ওই ইভিএমগুলির গণনা সম্পন্ন হলে তার পর আবার স্ট্রং রুম থেকে নতুন ইভিএম নিয়ে আসা হয়। এই ভাবে পর্যায়ক্রমে চলতে থাকে।

কাউন্টিং টেবিলে ইভিএমের সঙ্গে থাকে সংশ্লিষ্ট বুথের ভোটার তালিকা। গণনা শুরুর আগে ইভিএমের ৩টি ভিন্ন ধরনের সিল খুলতে হয়। প্রথমে গণনার পূর্বে ইভিএম মেশিনগুলো পরীক্ষা করে নেওয়া হয়। সব ঠিক থাকলে গণনা পর্যবেক্ষকের পরামর্শ নিয়ে ইভিএম অন করা হয়। সুইচ অন করলেই স্ক্রিনের ওপর ২টি বিকল্প (অপশন) আসবে। একটি রেজাল্টের, অন্যটি প্রিন্টের। রেজাল্টে ক্লিক করলেই দেখা যাবে ওই বুথে কত ভোট পড়েছে এবং কোন প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন। এর পর তা নোট ডাউন করতে হয় মাইক্রো অবজার্ভারদের। একই সঙ্গে উপস্থিত থাকা রাজনৈতিক দলের এজেন্টদের তা দেখানো হয়। তবেই একটি ইভিএম বুথের গণনার কাজটি সম্পন্ন হয়। এই ভাবেই চলে ওই বিধানসভা আসনের বুথ অনুযায়ী পর পর গণনা। প্রতি রাউন্ড গণনার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

ভোট গণনার কাজে যুক্ত থাকেন গণনা পর্যবেক্ষক, গণনা সহকর্মী, মাইক্রো অবজার্ভার, কাউন্টিং এজেন্ট, প্রার্থী ও নির্বাচনী এজেন্ট। এ ছাড়া অন্য কেউ কমিশনের অনুমতিপত্র ছাড়া গণনাকক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না। তবে কাউন্টিং হলে ঢোকার মুখে এবং স্ট্রং রুমের বাইরে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ১০৮টি গণনাকেন্দ্রের জন্য ২৫৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে কমিশন। সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে ২৯২ জন। এ ছাড়া বুথের বাইরে নজরদারির জন্য থাকবেন ১৫ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।