ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ডাচদের বিপক্ষে পয়েন্ট তুলে নেয় জাপান ১২ বছর বাদে আবারও ‘সেভেন আপ’ কাণ্ড জার্মানির এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ১৪ জুন ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৫ জুন ২০২৬ ফরিদপুরে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ‘পিকান’ প্রকল্পের প্রাথমিক ফলাফল উপস্থাপন ও মতবিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পর্ষদ বাতিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক বেনজীর আহমেদকে অতি দ্রুতই দেশে ফেরত আনা হবে সংসদে জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদপুরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি দিতে হবে বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার

নতুন মুদ্রা তৈরি করার চেষ্টা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

মার্কিন ডলারের বিকল্প হিসেবে নতুন একটি মুদ্রা চালু করতে চায় ব্রিকস। ৯টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত এই সংগঠনটি নিজেদের মধ্যে পণ্য লেনদেন করতে আলাদা মুদ্রা ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ ব্রিকসের অন্যান্য সদস্য দেশগুলো অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন জানায়।

এদিকে, ব্রিকসের এই পরিকল্পনার ঘোর বিরোধী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দেশগুলোর কাছে সতর্কতা জানিয়ে বলেন, নতুন মুদ্রা তৈরি করার চেষ্টা করলে তার সরকারের পক্ষ থেকে ওই দেশগুলোকে শুল্ক আরোপ করা হবে।

ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন ডলারের পরিবর্তে অন্য কোনো মুদ্রা ব্যবহারের ফলে শুল্ক যুদ্ধের দ্বিতীয় তরঙ্গ শুরু হতে পারে। তবে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর জন্য শতভাগ শুল্ক আরোপ করা হবে যদি তারা আন্তর্জাতিক লেনদেনে ডলারকে প্রতিস্থাপন করার জন্য অন্য কোনো মুদ্রা ব্যবহার করে।

ট্রাম্প আরো জানান, ব্রিকস দেশগুলো আমাদের থেকে ডলারকে সরিয়ে আলাদা মুদ্রা ব্যবহারের চেষ্টা করছে, এমন কোনো ধারণা আর গ্রহণযোগ্য নয়। আমি নিশ্চিত করতে চাই, তারা নতুন ব্রিকস মুদ্রা তৈরি করবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এমন কিছু হলে তাদের বিরুদ্ধে ১০০% শুল্ক আরোপ করা হবে।

ট্রাম্পের মতে, ব্রিকস দেশগুলো অন্য কোনো মুদ্রা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারে, তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডলারকে প্রতিস্থাপন করার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ, যেসব দেশ এই চেষ্টা করবে, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আর বাণিজ্য করতে পারবে না।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পূর্বে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠায় শুল্ক কৌশল সম্পর্কে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, আমরা সাধারণত শুল্ক আরোপ করি না, তবে আমি শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। চীন ও ব্রাজিলের সঙ্গে শুল্কের বিষয়েও তিনি তার মন্তব্য তুলে ধরেন। ট্রাম্প ভারতকে নিয়ে বলেন, ভারত আমাদের ওপর সবচেয়ে বড় শুল্ক আরোপকারী দেশ, তারা চীন থেকেও বেশি শুল্ক নেয়, তবে তারা বিষয়টি খুব সামান্যভাবে উপস্থাপন করে।

Tag :

পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ডাচদের বিপক্ষে পয়েন্ট তুলে নেয় জাপান

নতুন মুদ্রা তৈরি করার চেষ্টা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

Update Time : ১১:৫০:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪

মার্কিন ডলারের বিকল্প হিসেবে নতুন একটি মুদ্রা চালু করতে চায় ব্রিকস। ৯টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত এই সংগঠনটি নিজেদের মধ্যে পণ্য লেনদেন করতে আলাদা মুদ্রা ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ ব্রিকসের অন্যান্য সদস্য দেশগুলো অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন জানায়।

এদিকে, ব্রিকসের এই পরিকল্পনার ঘোর বিরোধী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দেশগুলোর কাছে সতর্কতা জানিয়ে বলেন, নতুন মুদ্রা তৈরি করার চেষ্টা করলে তার সরকারের পক্ষ থেকে ওই দেশগুলোকে শুল্ক আরোপ করা হবে।

ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন ডলারের পরিবর্তে অন্য কোনো মুদ্রা ব্যবহারের ফলে শুল্ক যুদ্ধের দ্বিতীয় তরঙ্গ শুরু হতে পারে। তবে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর জন্য শতভাগ শুল্ক আরোপ করা হবে যদি তারা আন্তর্জাতিক লেনদেনে ডলারকে প্রতিস্থাপন করার জন্য অন্য কোনো মুদ্রা ব্যবহার করে।

ট্রাম্প আরো জানান, ব্রিকস দেশগুলো আমাদের থেকে ডলারকে সরিয়ে আলাদা মুদ্রা ব্যবহারের চেষ্টা করছে, এমন কোনো ধারণা আর গ্রহণযোগ্য নয়। আমি নিশ্চিত করতে চাই, তারা নতুন ব্রিকস মুদ্রা তৈরি করবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এমন কিছু হলে তাদের বিরুদ্ধে ১০০% শুল্ক আরোপ করা হবে।

ট্রাম্পের মতে, ব্রিকস দেশগুলো অন্য কোনো মুদ্রা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারে, তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডলারকে প্রতিস্থাপন করার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ, যেসব দেশ এই চেষ্টা করবে, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আর বাণিজ্য করতে পারবে না।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পূর্বে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠায় শুল্ক কৌশল সম্পর্কে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, আমরা সাধারণত শুল্ক আরোপ করি না, তবে আমি শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। চীন ও ব্রাজিলের সঙ্গে শুল্কের বিষয়েও তিনি তার মন্তব্য তুলে ধরেন। ট্রাম্প ভারতকে নিয়ে বলেন, ভারত আমাদের ওপর সবচেয়ে বড় শুল্ক আরোপকারী দেশ, তারা চীন থেকেও বেশি শুল্ক নেয়, তবে তারা বিষয়টি খুব সামান্যভাবে উপস্থাপন করে।