ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরের নগরকান্দায় সংগ্রামী সেই মিলির লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন ইউএনও

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৫১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১
  • ৪৮০ Time View

অবশেষে কিছুটা কষ্ট লাঘব হতে যাচ্ছে  সংগ্রামী মেয়ে মিলি আক্তারের। স্বপ্ন পূরণে তার লেখা পড়ার খরচ চালানোর দাযিত্ব নিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি দেয়া হয়েছে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী। মঙ্গলবার (৬জুলাই) বিকালে নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেতী প্রু মিলি আক্তারের বাড়িতে যান। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে নগদ ১০ হাজার টাকা, চাল-ডাল, আটা, তেল সহ খাদ্য সামগ্রী দেয়া হয়। এছাড়া ইউএনও ব্যাক্তিগতভাবে তাকে নগদ ৪ হাজার টাকা প্রদান করেন। এছাড়া মিলির পড়ালেখার খরচের পাশাপাশি সরকারিভাবে বিনামূল্যে একটি ঘর করে দেয়ার প্রতিশুতি দেন এ পরিবারটিকে। এ সময় তার সাথে ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মবর্তা ইকবাল কবির।

ফরিদপুরের রগনকান্দার তালমা ইউনিয়নের ধুৎরাহাটি গ্রামের আ. বারেক ব্যাপরীর মেয়ে মিলি আক্তার। সে ধুৎরাহাটি উচ্চ বিদ্যালয়র দশম শ্রেণির ছাত্রী।  আর্থিক অভাব- অনটনের মধ্যেও সে জেএসসি পরীক্ষায় সুনামের সঙ্গে কৃতকার্য হয়। মিলির বাবা বারেক ব্যাপারী চায়ের দোকান চালাতেন। ছয়-সাত বছর ধরে চোখের দৃষ্টি হারিয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছেন তিনি। টাকার অভাবে চোখের অপারেশন করাতে পারেননি। মা সূর্য খাতুন বৃদ্ধা এবং শারীরিকভাবে অক্ষম। চার ভাইবোনের মধ্যে বিয়ের পরে সবাই পেতেছেন আলাদা সংসার। একমাত্র মিলিই থাকে ঘরে তার বাবা- মায়ের সঙ্গে। তাই উপায়ন্ত না পেয়ে নিজের ও বাবা-মায়ের পেটের তাগিদে মিলি আক্তার হাতে তুলে নেয় গরম চায়ের কেটলি।

এ বিষয়ে ইউএনও জেতী প্রু বলেন, মিলির সংগ্রামী জীবন। তার পড়ালেখা চালিয়ে যেতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবরকম সাহায্য সহযোগিতা করা হবে।

Tag :

ফরিদপুরের নগরকান্দায় সংগ্রামী সেই মিলির লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন ইউএনও

Update Time : ০৯:৫১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১

অবশেষে কিছুটা কষ্ট লাঘব হতে যাচ্ছে  সংগ্রামী মেয়ে মিলি আক্তারের। স্বপ্ন পূরণে তার লেখা পড়ার খরচ চালানোর দাযিত্ব নিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি দেয়া হয়েছে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী। মঙ্গলবার (৬জুলাই) বিকালে নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেতী প্রু মিলি আক্তারের বাড়িতে যান। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে নগদ ১০ হাজার টাকা, চাল-ডাল, আটা, তেল সহ খাদ্য সামগ্রী দেয়া হয়। এছাড়া ইউএনও ব্যাক্তিগতভাবে তাকে নগদ ৪ হাজার টাকা প্রদান করেন। এছাড়া মিলির পড়ালেখার খরচের পাশাপাশি সরকারিভাবে বিনামূল্যে একটি ঘর করে দেয়ার প্রতিশুতি দেন এ পরিবারটিকে। এ সময় তার সাথে ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মবর্তা ইকবাল কবির।

ফরিদপুরের রগনকান্দার তালমা ইউনিয়নের ধুৎরাহাটি গ্রামের আ. বারেক ব্যাপরীর মেয়ে মিলি আক্তার। সে ধুৎরাহাটি উচ্চ বিদ্যালয়র দশম শ্রেণির ছাত্রী।  আর্থিক অভাব- অনটনের মধ্যেও সে জেএসসি পরীক্ষায় সুনামের সঙ্গে কৃতকার্য হয়। মিলির বাবা বারেক ব্যাপারী চায়ের দোকান চালাতেন। ছয়-সাত বছর ধরে চোখের দৃষ্টি হারিয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছেন তিনি। টাকার অভাবে চোখের অপারেশন করাতে পারেননি। মা সূর্য খাতুন বৃদ্ধা এবং শারীরিকভাবে অক্ষম। চার ভাইবোনের মধ্যে বিয়ের পরে সবাই পেতেছেন আলাদা সংসার। একমাত্র মিলিই থাকে ঘরে তার বাবা- মায়ের সঙ্গে। তাই উপায়ন্ত না পেয়ে নিজের ও বাবা-মায়ের পেটের তাগিদে মিলি আক্তার হাতে তুলে নেয় গরম চায়ের কেটলি।

এ বিষয়ে ইউএনও জেতী প্রু বলেন, মিলির সংগ্রামী জীবন। তার পড়ালেখা চালিয়ে যেতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবরকম সাহায্য সহযোগিতা করা হবে।