ঢাকা ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
‘ফেসবুক থেকে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে বাধ্য করতে আইন সংশোধন হচ্ছে’ ফরিদপুরে বিসিআইসি বাফার গুদামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন চৌধুরী নায়াব ইউসুফ নয়া দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৪ দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন শুরু দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৮ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বিষয় হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূস ও নূর জাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেননি আদালত হামে শিশু মৃত্যু: ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ইরান থেকে নতুন করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের ভূখণ্ডের দিকে শনাক্ত: : আইডিএফ রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ব্যারেলপ্রতি তিন ডলারেরও বেশি বেড়ে গেছে

ফরিদপুরে যুবক হত্যার দায়ে ৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরে মো. আছাদ (২৮) নামে এক যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার দায়ে ৭ জনকে  যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১ টার দিকে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মো. শিহাবুল ইসলাম এ রায় দেন।

রায় দেওয়ার সময় সাজাপ্রাপ্ত ৭ আসামির মধ্যে ৫ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আর দুই জন পলাতক ছিলেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. বাবুল মিয়া (২২), মো. সাদ্দাম শেখ (২৭), মো. সুরুজ সরদার (২৬), মো. নিশান (২২), মো. রনি (২২), চাঁন মিয়া সরদার (২৮) ও মো. রানা (২০)। এদের মধ্যে চাঁন মিয়া সরদার ও মো. রানা পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায় গত ২০১৩ সালের ০৬ মার্চ ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার একটি ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ১০ বছর পর সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) এ রায় দিলেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার পরিবার পরিকল্পনা অফিসের পাশের একটি ছাত্রাবাসে মাদকের ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আছাদ নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছাদ মারা যান। এ ঘটনায় নিহত আছাদের ভাই আশরাফুল আলম বাদী হয়ে ১১ মার্চ ফরিদপুরের কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে ঘটনাটি দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অখিল কুমার বিশ্বাস ২০১৩ সালের ৩১শে ডিসেম্বর সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের পিপি মো. সানোয়ার হোসেন বলেন,  এ রায়ে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে।

Tag :

‘ফেসবুক থেকে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে বাধ্য করতে আইন সংশোধন হচ্ছে’

ফরিদপুরে যুবক হত্যার দায়ে ৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Update Time : ০৫:০১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরে মো. আছাদ (২৮) নামে এক যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার দায়ে ৭ জনকে  যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১ টার দিকে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মো. শিহাবুল ইসলাম এ রায় দেন।

রায় দেওয়ার সময় সাজাপ্রাপ্ত ৭ আসামির মধ্যে ৫ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আর দুই জন পলাতক ছিলেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. বাবুল মিয়া (২২), মো. সাদ্দাম শেখ (২৭), মো. সুরুজ সরদার (২৬), মো. নিশান (২২), মো. রনি (২২), চাঁন মিয়া সরদার (২৮) ও মো. রানা (২০)। এদের মধ্যে চাঁন মিয়া সরদার ও মো. রানা পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায় গত ২০১৩ সালের ০৬ মার্চ ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার একটি ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ১০ বছর পর সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) এ রায় দিলেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার পরিবার পরিকল্পনা অফিসের পাশের একটি ছাত্রাবাসে মাদকের ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আছাদ নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছাদ মারা যান। এ ঘটনায় নিহত আছাদের ভাই আশরাফুল আলম বাদী হয়ে ১১ মার্চ ফরিদপুরের কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে ঘটনাটি দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অখিল কুমার বিশ্বাস ২০১৩ সালের ৩১শে ডিসেম্বর সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের পিপি মো. সানোয়ার হোসেন বলেন,  এ রায়ে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে।