ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে একদিনে শনাক্ত ৩ লাখ ২০ হাজার, মৃত্যু ২৭৬৪

করোনাভাইরাসে রীতিমতো বিধ্বস্ত ভারত সংক্রমণ ও মৃত্যুতে টানা রেকর্ডের পর অবশেষে নেতিবাচক গ্রাফ দেখলো। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুটা কমেছে।

ওয়ার্ল্ডো মিটারের মঙ্গলবার সকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৩ লাখ ১৯ হাজার ৪৩৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন ২ হাজার ৭৬৪ জন।

আগের দিন সংক্রমিত হয়েছিলেন ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩১ জন। একই সময়ে মারা যান ২ হাজার ৮০৬ জন।

ভারতে করোনার মোট সংক্রমণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৬ লাখ ২৫ হাজার ৭৩৫ জনে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮০ জন। করোনার বৈশ্বিক সংক্রমণ তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয় আর মৃত্যুতে চতুর্থ।

এদিকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে লকডাউন এবং কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণায় রাজ্য সরকারগুলোর জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে রাজ্য প্রশাসনগুলোকে লিখিতভাবে নির্দেশনা দিয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ, যে সব এলাকায় সংক্রমণের হার সপ্তাহখানেক ধরে ১০ শতাংশ বা তার বেশি অথবা করোনা হাসপাতালে ৬০ শতাংশ বেড ভর্তি হয়ে গেছে, সেখানে ওই নির্দেশিকা মেনে লকডাউন চালু করা বা কন্টেনমেন্ট জোন তৈরি করতে পারে রাজ্য প্রশাসন।

Tag :

ভারতে একদিনে শনাক্ত ৩ লাখ ২০ হাজার, মৃত্যু ২৭৬৪

Update Time : ০৪:৫১:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল ২০২১

করোনাভাইরাসে রীতিমতো বিধ্বস্ত ভারত সংক্রমণ ও মৃত্যুতে টানা রেকর্ডের পর অবশেষে নেতিবাচক গ্রাফ দেখলো। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুটা কমেছে।

ওয়ার্ল্ডো মিটারের মঙ্গলবার সকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৩ লাখ ১৯ হাজার ৪৩৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন ২ হাজার ৭৬৪ জন।

আগের দিন সংক্রমিত হয়েছিলেন ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩১ জন। একই সময়ে মারা যান ২ হাজার ৮০৬ জন।

ভারতে করোনার মোট সংক্রমণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৬ লাখ ২৫ হাজার ৭৩৫ জনে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮০ জন। করোনার বৈশ্বিক সংক্রমণ তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয় আর মৃত্যুতে চতুর্থ।

এদিকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে লকডাউন এবং কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণায় রাজ্য সরকারগুলোর জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে রাজ্য প্রশাসনগুলোকে লিখিতভাবে নির্দেশনা দিয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ, যে সব এলাকায় সংক্রমণের হার সপ্তাহখানেক ধরে ১০ শতাংশ বা তার বেশি অথবা করোনা হাসপাতালে ৬০ শতাংশ বেড ভর্তি হয়ে গেছে, সেখানে ওই নির্দেশিকা মেনে লকডাউন চালু করা বা কন্টেনমেন্ট জোন তৈরি করতে পারে রাজ্য প্রশাসন।