ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
‘ফেসবুক থেকে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে বাধ্য করতে আইন সংশোধন হচ্ছে’ ফরিদপুরে বিসিআইসি বাফার গুদামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন চৌধুরী নায়াব ইউসুফ নয়া দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৪ দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন শুরু দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৮ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বিষয় হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূস ও নূর জাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেননি আদালত হামে শিশু মৃত্যু: ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ইরান থেকে নতুন করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের ভূখণ্ডের দিকে শনাক্ত: : আইডিএফ রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ব্যারেলপ্রতি তিন ডলারেরও বেশি বেড়ে গেছে

ময়মনসিংহের যুদ্ধাপরাধী ৬ আসামির রায় আজ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:২৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩
  • ২৪৩ Time View

মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ছয় আসামির বিষয়ে আজ সোমবার (২৩ জানুয়ারি) রায় ঘোষণা করা হবে।

রবিবার (২২ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। এ সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল। আসামিপক্ষে ছিলেন এডভোকেট গাজী এম এইচ তামিম।

মামলার আসামিরা হলেন- মো. মোখলেসুর রহমান মুকুল, মো. সাইদুল রহমান রতন, শামসুল হক ফকির, নুরুল হক ফকির, মো. সুলতান মাহমুদ ফকির এবং নাকিব হোসেন আদিল সরকার। এদের সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

গত বছরের ৫ ডিসেম্বর মামলাটির রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে হয়। রায় ঘোষণার জন্য যে কোনো দিন অপেক্ষমাণ (সিএভি) ঘোষণা করেছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সেই ধারাবাহিকতায় গতকাল রবিবার আজকের দিন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করে ট্রাইব্যুনাল।

ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল গণমাধ্যমকে বলেন, এই মামলায় আসামি ছিলেন মোট ৯ জন। তাদের মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন দুজন। সেই দুজন ও পলাতক একজনসহ মোট তিনজন মারা গেছেন। আর বাকি ছয় আসামির সবাই পলাতক। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আটক, অপহরণ, নির্যাতন, হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয়টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০১৮ সালের ১২ জুলাই অভিযোগপত্র দাখিলের পর ওই বছরের ৫ ডিসেম্বর চার্জগঠনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক বিচার। চার্জ গঠনের সময় আসামির সংখ্যা ছিল ৯ জন। এর আগে ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত শুরু করে ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়।

এরপর ২০১৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারির মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ (আইও) রাষ্ট্রপক্ষের মোট ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। একই বছরের ৫ ডিসেম্বর শেষ হয় যুক্তিতর্ক।

Tag :

‘ফেসবুক থেকে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে বাধ্য করতে আইন সংশোধন হচ্ছে’

ময়মনসিংহের যুদ্ধাপরাধী ৬ আসামির রায় আজ

Update Time : ০৪:২৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩

মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ছয় আসামির বিষয়ে আজ সোমবার (২৩ জানুয়ারি) রায় ঘোষণা করা হবে।

রবিবার (২২ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। এ সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল। আসামিপক্ষে ছিলেন এডভোকেট গাজী এম এইচ তামিম।

মামলার আসামিরা হলেন- মো. মোখলেসুর রহমান মুকুল, মো. সাইদুল রহমান রতন, শামসুল হক ফকির, নুরুল হক ফকির, মো. সুলতান মাহমুদ ফকির এবং নাকিব হোসেন আদিল সরকার। এদের সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

গত বছরের ৫ ডিসেম্বর মামলাটির রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে হয়। রায় ঘোষণার জন্য যে কোনো দিন অপেক্ষমাণ (সিএভি) ঘোষণা করেছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সেই ধারাবাহিকতায় গতকাল রবিবার আজকের দিন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করে ট্রাইব্যুনাল।

ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল গণমাধ্যমকে বলেন, এই মামলায় আসামি ছিলেন মোট ৯ জন। তাদের মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন দুজন। সেই দুজন ও পলাতক একজনসহ মোট তিনজন মারা গেছেন। আর বাকি ছয় আসামির সবাই পলাতক। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আটক, অপহরণ, নির্যাতন, হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয়টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০১৮ সালের ১২ জুলাই অভিযোগপত্র দাখিলের পর ওই বছরের ৫ ডিসেম্বর চার্জগঠনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক বিচার। চার্জ গঠনের সময় আসামির সংখ্যা ছিল ৯ জন। এর আগে ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত শুরু করে ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়।

এরপর ২০১৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারির মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ (আইও) রাষ্ট্রপক্ষের মোট ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। একই বছরের ৫ ডিসেম্বর শেষ হয় যুক্তিতর্ক।