ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুনিয়া আত্মহত্যা করেছেন, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক ধারণা: পুলিশ

রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়া আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন সুরতহাল ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকরা। আত্মহত্যার প্ররোচনার প্রধান আসামি এ ঘটনায় জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, মামলা হয়েছে দণ্ডবিধি ৩০৬ ধারায়। আত্মহত্যায় ‘প্ররোচনা’ ও ‘অভিপ্রায়’ এখন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সে জন্য সাক্ষ্য সংগ্রহ জরুরি। পুলিশ এই ঘটনায় যাবতীয় তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করছে। বেশ কিছু ‘ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট’ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। ঘটনাটিকে এক সুতোয় গাঁথতে, অর্থাৎ কোন ঘটনার পর কোনটি ঘটেছে, তা জানতে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোন ও পারিপার্শ্বিক যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলো সংগ্রহ করেছে। ভুক্তভোগী নারীর মৃত্যু কী কারণে, সেটি জানা সবচেয়ে জরুরি।

তিনি বলেন, সুরতহাল ও ময়নাতদন্তে যারা যুক্ত ছিলেন, তাদের প্রাথমিক ধারণা মুনিয়া আত্মহত্যা করেছেন। শরীরের অন্য কোথাও জখম বা আঘাতের চিহ্ন ছিল না। ঝুলে থাকায় হাত-পা নীল হয়ে গিয়েছিল এবং কিছুটা ফুলে ছিল।

অপরদিকে গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের পর আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হুইপপুত্র শারুন চৌধুরীর সঙ্গে মুনিয়ার কিছু কথোপকথনের স্ক্রিনশটের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। শারুন সাংবাদিকদের বলেছেন, তার কাছে মুনিয়ার সঙ্গে কথোপকথনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে।

Tag :

মুনিয়া আত্মহত্যা করেছেন, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক ধারণা: পুলিশ

Update Time : ০৬:১৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ এপ্রিল ২০২১

রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়া আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন সুরতহাল ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকরা। আত্মহত্যার প্ররোচনার প্রধান আসামি এ ঘটনায় জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, মামলা হয়েছে দণ্ডবিধি ৩০৬ ধারায়। আত্মহত্যায় ‘প্ররোচনা’ ও ‘অভিপ্রায়’ এখন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সে জন্য সাক্ষ্য সংগ্রহ জরুরি। পুলিশ এই ঘটনায় যাবতীয় তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করছে। বেশ কিছু ‘ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট’ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। ঘটনাটিকে এক সুতোয় গাঁথতে, অর্থাৎ কোন ঘটনার পর কোনটি ঘটেছে, তা জানতে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোন ও পারিপার্শ্বিক যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলো সংগ্রহ করেছে। ভুক্তভোগী নারীর মৃত্যু কী কারণে, সেটি জানা সবচেয়ে জরুরি।

তিনি বলেন, সুরতহাল ও ময়নাতদন্তে যারা যুক্ত ছিলেন, তাদের প্রাথমিক ধারণা মুনিয়া আত্মহত্যা করেছেন। শরীরের অন্য কোথাও জখম বা আঘাতের চিহ্ন ছিল না। ঝুলে থাকায় হাত-পা নীল হয়ে গিয়েছিল এবং কিছুটা ফুলে ছিল।

অপরদিকে গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের পর আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হুইপপুত্র শারুন চৌধুরীর সঙ্গে মুনিয়ার কিছু কথোপকথনের স্ক্রিনশটের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। শারুন সাংবাদিকদের বলেছেন, তার কাছে মুনিয়ার সঙ্গে কথোপকথনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে।