করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণে একের পর এক নতুন রেকর্ড গড়ছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে শুক্রবার ৯৩ হাজার ৪৫ জন নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার।
এ নিয়ে দেশটিতে পরপর তৃতীয় দিন কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হলো।
এর আগে দেশটিতে বৃহস্পতিবার ৮৮ হাজার ৩৭৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার।
তার আগে বুধবার আক্রান্ত হয়েছিল ৭৮৬১০ জন। আগের সর্বোচ্চ রেকর্ডটি ছিল গত ৮ জানুয়ারির ৬৮০৫৩ জন।
সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ মহামারী চলাকালে যুক্তরাজ্যে সংক্রমণের মোট সংখ্যা বেড়ে প্রায় এক কোটি ১১ লাখে দাঁড়িয়েছে।
দেশটিতে করোনাভাইরাসে আরও ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় এক লাখ ৪৭ হাজারে দাঁড়ালো।
করোনাভাইরাসের আগের ধরন ডেল্টা এবং নতুন ধরন ওমিক্রন উভয়েই একই সঙ্গে দেশটির মানুষকে আক্রান্ত করে চলেছে বলে দেশটির শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
যুক্তরাজ্যের চিফ মেডিকেল অফিসার ক্রিস হুইটি সতর্ক করে বলেছেন, আগামী সপ্তাহগুলোতে আরো রেকর্ড ভাঙার ঘটনা ঘটতে চলেছে। তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক সপ্তাহে বারবার রেকর্ড ভাঙার ঘটনা ঘটবে, কারণ সংক্রমণের হার অবিশ্বাস্যভাবে বাড়ছে’।
বিশেষজ্ঞরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, চলতি মাসের শেষদিকে প্রতিদিন করোনা সংক্রমণের হার এক লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে।
কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ সামলে যখন ব্রিটেনে ব্যবসা বাণিজ্য মাথা তুলে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে, ঠিক তখনই ওমিক্রনের হানা ফের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়কার ছবি ফিরিয়ে এনেছে। লন্ডনে নিত্যদিনের চেনা ছবি যেন এক লহমায় উধাও হয়ে গিয়েছে। বাস, ট্রাম, ট্রেনে ভিড় নেই।
ব্রিটেনের সবচেয়ে ব্যস্তবহুল পর্যটকস্থল লন্ডন সেতু, ওয়েস্টমিনস্টার সেতু এবং লন্ডন ওয়াটারলু স্টেশনে যেন একটা রহস্যময় নিস্তব্ধতা। সেই চেনা ভিড় উধাও। আর এক সপ্তাহ পরই বড়দিনের উৎসবে মাতবে গোটা বিশ্ব। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে লন্ডন-সহ গোটা ব্রিটেন উৎসবমুখর হতে পারবে কিনা তা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক 























