ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, ন্যাটোতে যোগ দেবে না বলে জানিয়েছে ইউক্রেন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৩২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২
  • ২৭৩ Time View

উত্তর আটলান্টিক প্রতিরক্ষা জোট ন্যাটোতে যোগ দেয়া নিয়ে শুরু হয়েছিলো ইউক্রেন রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা। অবশেষে রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, ন্যাটোতে যোগ দেবে না বলে জানিয়েছে ইউক্রেন। তবে এর বিনিময় মস্কোকে নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিতে হবে।

মঙ্গলবার রাশিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় ইউক্রেন প্রতিনিধিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের উদ্যোগে মঙ্গলবার ইস্তাম্বুলে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধি দলের মধ্যে বৈঠক শুরু হয়। দুই সপ্তাহের মধ্যে দুই দেশের এটি প্রথম মুখোমুখি বৈঠক। আলোচনা শুরুর আগে এরদোয়ান রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতি ‘যুদ্ধের এই ট্রাজেডি’ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

ইউক্রেনে রুশসেনা অগ্রাসনের প্রধান অজুহাত ছিলো ন্যাটোতে যোগদানের উদ্যোগ। সেসময় রাশিয়া দাবি করেছিলো, ইউক্রেনকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে। অর্থাৎ শুধু ন্যাটো নয়, কোনো ধরনের সামরিক জোটেই যোগ দিতে পারবে না ইউক্রেন।

এছাড়া এ আলোচনায় রাশিয়ার অধিগ্রহণ করা ক্রিমিয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিলো। ক্রিমিয়ার মর্যাদা কী হবে সে বিষয়ে ১৫ বছর মেয়াদে আলোচনার একটি প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তবে ইউক্রেন বলেছে, শুধুমাত্র সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতির কার্যকর হলে এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হবে।

Tag :
জনপ্রিয়

রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, ন্যাটোতে যোগ দেবে না বলে জানিয়েছে ইউক্রেন

Update Time : ০৪:৩২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২

উত্তর আটলান্টিক প্রতিরক্ষা জোট ন্যাটোতে যোগ দেয়া নিয়ে শুরু হয়েছিলো ইউক্রেন রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা। অবশেষে রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, ন্যাটোতে যোগ দেবে না বলে জানিয়েছে ইউক্রেন। তবে এর বিনিময় মস্কোকে নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিতে হবে।

মঙ্গলবার রাশিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় ইউক্রেন প্রতিনিধিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের উদ্যোগে মঙ্গলবার ইস্তাম্বুলে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধি দলের মধ্যে বৈঠক শুরু হয়। দুই সপ্তাহের মধ্যে দুই দেশের এটি প্রথম মুখোমুখি বৈঠক। আলোচনা শুরুর আগে এরদোয়ান রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতি ‘যুদ্ধের এই ট্রাজেডি’ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

ইউক্রেনে রুশসেনা অগ্রাসনের প্রধান অজুহাত ছিলো ন্যাটোতে যোগদানের উদ্যোগ। সেসময় রাশিয়া দাবি করেছিলো, ইউক্রেনকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে। অর্থাৎ শুধু ন্যাটো নয়, কোনো ধরনের সামরিক জোটেই যোগ দিতে পারবে না ইউক্রেন।

এছাড়া এ আলোচনায় রাশিয়ার অধিগ্রহণ করা ক্রিমিয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিলো। ক্রিমিয়ার মর্যাদা কী হবে সে বিষয়ে ১৫ বছর মেয়াদে আলোচনার একটি প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তবে ইউক্রেন বলেছে, শুধুমাত্র সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতির কার্যকর হলে এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হবে।