ঢাকা ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দেশে আবারও বাড়ানো হয়েছে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম স্থানীয় নির্বাচন আগামী জুনের আগেই শেষ হবে : ইসি স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি দেশের সব বিভাগে দমকা হাওয়াসহ ভারি বর্ষণের আভাস নির্বাচনী এজেন্টের ব্যাংক হিসাব দাখিল বাধ্যতামূলক মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়ন করলে সুফল পাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম: প্রধানমন্ত্রী পুলিশের শীর্ষ পদে বড় ধরনের পরিবর্তন বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্যে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দরপতন ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সমাপ্তির দিকে; যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি যোগাযোগ হয়েছে: ট্রাম্প আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রিজার্ভ ডে’তে ২২৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৬:৩৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ২২১ Time View

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেট ম্যাচটা অমিমাংশিত রাখতে চায়নি। উত্তাপ ছড়ানো যে লড়াইয়ে আকাশ বৃষ্টি ঝরালেও রিজার্ভ ডে’তে সুরহা হওয়া ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের দেওয়া ৩৫৭ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১৮ রানে অলআউট হয়ে গেছে বাবররা। আর তাতে ২২৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। দুই দলের মধ্যকার লড়াইয়ে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের হারের রেকর্ডও এটি।

বিশেষ বৈঠকে বসে সুপার ফোরের শুধু ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে রিজার্ভ ডে রাখার কারণ অনুমেয়। ক্রিকেট বাণিজ্য। এসিসি কিংবা পিসিবি অর্থ আয়ের সুযোগ হারাতে চায়নি। কিন্তু সেই লড়াই জমলো না। ব্যাটে-বলে ভারতের আধিপত্যে ২০০৮ সালের পর এতো বড় রানে হারল পাকিস্তান। সেবার মিরপুরে মেন ইন গ্রিনরা হেরেছিল ১৪০ রানে।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ভারতের ছুড়ে দেওয়া ৩৫৭ রানের পাহাড়সমান লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান ৩২ ওভারে অলআউট হয়ে গেছে ১২৮ রানেই। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের ভারত হারিয়েছে ২২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই কোণঠাসা ছিল পাকিস্তান। ইমাম উল হক ৯ আর বাবর আজম ১০ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। পাকিস্তান ২ উইকেটে ৪৪ রান করার পর নামে বৃষ্টি।

প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর শুরু হয় খেলা। বৃষ্টির পর খেলা শুরু হতেই আউট হন মোহাম্মদ রিজওয়ানও (২)। ১২তম ওভারে মাত্র ৪৭ রান তুলতে ৩ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে পাকিস্তান।

ফাখর জামান যে টেস্ট খেলছিলেন। তারপরও রক্ষা হয়নি। ৫০ বলে ২৭ রান করে কুলদীপ যাদবের শিকার হন পাকিস্তানি ওপেনার। এরপর ভয়ংকর হয়ে উঠেন কুলদীপ।

বাঁহাতি এই স্পিনার আঘা সালমান (২৩), শাদাব খান (৬), ইফতিখার আহমেদকে (২৩)। ১১৯ রানে ৭ উইকেট হারানো পাকিস্তান ৩২ ওভারেই গুটিয়ে যায় ১২৮ রানে। ভারতের স্পিনার কুলদীপ যাদব ২৫ রান খরচায় একাই নেন ৫টি উইকেট।

এর আগে বিরাট কোহলি আর লোকেশ রাহুলের জোড়া সেঞ্চুরিতে ভারত ২ উইকেটেই দাঁড় করিয়েছিল ৩৫৬ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ। আগের দিন টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমেছিল ভারত। কিন্তু ২৪.১ ওভারে তারা ১৪৭ রান তোলার পর বৃষ্টির কারণে ম্যাচ বন্ধ হয়ে যায়। আম্পায়াররা অনেকটা সময় অপেক্ষার পরও খেলা শুরু করা না গেলে ম্যাচ গড়ায় রিজার্ভ ডেতে।

রিজার্ভ ডেতেও ভেজা আউটফিল্ডের কারণে সময়মতো খেলা শুরু করা যায়নি। প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা পর মাঠ প্রস্তুত হয়। আগের দিন রোহিত শর্মা ৫৬ আর শুভমান গিল ৫৮ রানে আউট হয়েছিলেন।

কিন্তু ২৪.১ ওভারে ১৪৭ রান নিয়ে মাঠে নামা ভারত আজ আর কোনো উইকেট হারায়নি। লোকেশ রাহুল ১০০ বলে আর বিরাট কোহলি ৮৪ বলে করেন সেঞ্চুরি। ১৯৪ বলের জুটিতে তারা ২৩৩ রানে অবিচ্ছিন্ন থাকেন।

৯৪ বলে ৯ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ১২২ রানে অপরাজিত থাকেন কোহলি। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৪৭তম সেঞ্চুরি। অন্যদিকে ১০৬ বলে ১২ চার আর ২ ছক্কায় ১১১ রানে অপরাজিত থাকা লোকেশ রাহুলের ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি এটি।

Tag :
জনপ্রিয়

দেশে আবারও বাড়ানো হয়েছে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম

রিজার্ভ ডে’তে ২২৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান

Update Time : ০৬:৩৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেট ম্যাচটা অমিমাংশিত রাখতে চায়নি। উত্তাপ ছড়ানো যে লড়াইয়ে আকাশ বৃষ্টি ঝরালেও রিজার্ভ ডে’তে সুরহা হওয়া ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের দেওয়া ৩৫৭ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১৮ রানে অলআউট হয়ে গেছে বাবররা। আর তাতে ২২৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। দুই দলের মধ্যকার লড়াইয়ে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের হারের রেকর্ডও এটি।

বিশেষ বৈঠকে বসে সুপার ফোরের শুধু ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে রিজার্ভ ডে রাখার কারণ অনুমেয়। ক্রিকেট বাণিজ্য। এসিসি কিংবা পিসিবি অর্থ আয়ের সুযোগ হারাতে চায়নি। কিন্তু সেই লড়াই জমলো না। ব্যাটে-বলে ভারতের আধিপত্যে ২০০৮ সালের পর এতো বড় রানে হারল পাকিস্তান। সেবার মিরপুরে মেন ইন গ্রিনরা হেরেছিল ১৪০ রানে।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ভারতের ছুড়ে দেওয়া ৩৫৭ রানের পাহাড়সমান লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান ৩২ ওভারে অলআউট হয়ে গেছে ১২৮ রানেই। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের ভারত হারিয়েছে ২২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই কোণঠাসা ছিল পাকিস্তান। ইমাম উল হক ৯ আর বাবর আজম ১০ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। পাকিস্তান ২ উইকেটে ৪৪ রান করার পর নামে বৃষ্টি।

প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর শুরু হয় খেলা। বৃষ্টির পর খেলা শুরু হতেই আউট হন মোহাম্মদ রিজওয়ানও (২)। ১২তম ওভারে মাত্র ৪৭ রান তুলতে ৩ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে পাকিস্তান।

ফাখর জামান যে টেস্ট খেলছিলেন। তারপরও রক্ষা হয়নি। ৫০ বলে ২৭ রান করে কুলদীপ যাদবের শিকার হন পাকিস্তানি ওপেনার। এরপর ভয়ংকর হয়ে উঠেন কুলদীপ।

বাঁহাতি এই স্পিনার আঘা সালমান (২৩), শাদাব খান (৬), ইফতিখার আহমেদকে (২৩)। ১১৯ রানে ৭ উইকেট হারানো পাকিস্তান ৩২ ওভারেই গুটিয়ে যায় ১২৮ রানে। ভারতের স্পিনার কুলদীপ যাদব ২৫ রান খরচায় একাই নেন ৫টি উইকেট।

এর আগে বিরাট কোহলি আর লোকেশ রাহুলের জোড়া সেঞ্চুরিতে ভারত ২ উইকেটেই দাঁড় করিয়েছিল ৩৫৬ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ। আগের দিন টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমেছিল ভারত। কিন্তু ২৪.১ ওভারে তারা ১৪৭ রান তোলার পর বৃষ্টির কারণে ম্যাচ বন্ধ হয়ে যায়। আম্পায়াররা অনেকটা সময় অপেক্ষার পরও খেলা শুরু করা না গেলে ম্যাচ গড়ায় রিজার্ভ ডেতে।

রিজার্ভ ডেতেও ভেজা আউটফিল্ডের কারণে সময়মতো খেলা শুরু করা যায়নি। প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা পর মাঠ প্রস্তুত হয়। আগের দিন রোহিত শর্মা ৫৬ আর শুভমান গিল ৫৮ রানে আউট হয়েছিলেন।

কিন্তু ২৪.১ ওভারে ১৪৭ রান নিয়ে মাঠে নামা ভারত আজ আর কোনো উইকেট হারায়নি। লোকেশ রাহুল ১০০ বলে আর বিরাট কোহলি ৮৪ বলে করেন সেঞ্চুরি। ১৯৪ বলের জুটিতে তারা ২৩৩ রানে অবিচ্ছিন্ন থাকেন।

৯৪ বলে ৯ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ১২২ রানে অপরাজিত থাকেন কোহলি। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৪৭তম সেঞ্চুরি। অন্যদিকে ১০৬ বলে ১২ চার আর ২ ছক্কায় ১১১ রানে অপরাজিত থাকা লোকেশ রাহুলের ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি এটি।