ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লকডাউনের কথা এখনই ভাবছে না সরকার

আসন্ন শীতে দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে শঙ্কা থাকলেও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধির বাইরে লকডাউনের মতো কঠোর বিধিনিষেধের কথা এখনই ভাবছে না সরকার। সোমবার (৩১ নভেম্বর) মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

আনোয়ারুল বলেন, কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ধাক্কা নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়েছে। আমেরিকা ও ইউরোপে পরিস্থিতি খুবই খারাপ। ইউরোপের ‘ম্যক্সিমাম’ দেশ লকডাউনে চলে গেছে।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ এলে আবার মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে কি না, এই প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এখন পর্যন্ত না। আমাদের তো ও রকম আল্লাহর রহমতে অবস্থা নেই। আমাদের যে অবস্থা সবাই যদি মাস্ক পড়ি, এটা প্রধানমন্ত্রীও বলছিলেন, আমাদের এখানে ভাইরাসের যে সিনারি আমরা দেখছি আমরা সবাই যদি মাস্ক ইউজ করি তাহলে আমরা আল্লার রহমতে কমফোর্টেবল জোনে থাকতে পারব।’

মাস্ক ছাড়া যাতে কোনোভাবেই সরকারি-বেসরকারি কোনো অফিসে কোনো সেবা না পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করা হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

সব মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা উদ্ধৃত করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমরা যেভাবে আছি সেটা কমফোর্টেবল কিন্তু সন্তুষ্টি নেওয়ার কোনো কারণ নেই। সবাইকে কেয়ারফুল থাকতে হবে। নো মাস্ক নো সার্ভিস এটাকে ব্যাপকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রয়োজন হলে সামাজিক আন্দোলন, প্রমোশন ক্যাম্পেইন বা লিগ্যালি এটাকে এনশিউর করতে হবে। কোনোভাবেই মাস্ক ছাড়া যাতে কেউ না আসে। এটা আমরা মাঠ পর্যয়ে বলে দিয়েছি, সচিবদেরও বলে দিয়েছি, তাদের অধীন ক্ষেত্রে ম্যাসিভলি ক্যাম্পেইন করতে।’

গণপরিবহন ও মার্কেটে বেশিরভাগ মানুষই মাস্ক ব্যবহার করছেন না এক সাংবাদিকের এমন মন্তব্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা মিটিংয়েও আলোচনা হয়েছে। আমি আজই এ বিষয়ে কথা বলব। সচিবালয় মসজিদে বলে দিয়েছি মাস্ক ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।’

সোমবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারীর প্রাদুর্ভাবজনিত বিপর্যয় থেকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়ন-অগ্রগতির বিষয়ে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়।

শীতকালে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা এলেও অর্থনীতির চাকা যাতে সচল থাকে সেজন্য কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে রেখেছে সরকার।

Tag :

লকডাউনের কথা এখনই ভাবছে না সরকার

Update Time : ০৫:৩৬:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২০

আসন্ন শীতে দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে শঙ্কা থাকলেও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধির বাইরে লকডাউনের মতো কঠোর বিধিনিষেধের কথা এখনই ভাবছে না সরকার। সোমবার (৩১ নভেম্বর) মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

আনোয়ারুল বলেন, কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ধাক্কা নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়েছে। আমেরিকা ও ইউরোপে পরিস্থিতি খুবই খারাপ। ইউরোপের ‘ম্যক্সিমাম’ দেশ লকডাউনে চলে গেছে।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ এলে আবার মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে কি না, এই প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এখন পর্যন্ত না। আমাদের তো ও রকম আল্লাহর রহমতে অবস্থা নেই। আমাদের যে অবস্থা সবাই যদি মাস্ক পড়ি, এটা প্রধানমন্ত্রীও বলছিলেন, আমাদের এখানে ভাইরাসের যে সিনারি আমরা দেখছি আমরা সবাই যদি মাস্ক ইউজ করি তাহলে আমরা আল্লার রহমতে কমফোর্টেবল জোনে থাকতে পারব।’

মাস্ক ছাড়া যাতে কোনোভাবেই সরকারি-বেসরকারি কোনো অফিসে কোনো সেবা না পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করা হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

সব মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা উদ্ধৃত করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমরা যেভাবে আছি সেটা কমফোর্টেবল কিন্তু সন্তুষ্টি নেওয়ার কোনো কারণ নেই। সবাইকে কেয়ারফুল থাকতে হবে। নো মাস্ক নো সার্ভিস এটাকে ব্যাপকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রয়োজন হলে সামাজিক আন্দোলন, প্রমোশন ক্যাম্পেইন বা লিগ্যালি এটাকে এনশিউর করতে হবে। কোনোভাবেই মাস্ক ছাড়া যাতে কেউ না আসে। এটা আমরা মাঠ পর্যয়ে বলে দিয়েছি, সচিবদেরও বলে দিয়েছি, তাদের অধীন ক্ষেত্রে ম্যাসিভলি ক্যাম্পেইন করতে।’

গণপরিবহন ও মার্কেটে বেশিরভাগ মানুষই মাস্ক ব্যবহার করছেন না এক সাংবাদিকের এমন মন্তব্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা মিটিংয়েও আলোচনা হয়েছে। আমি আজই এ বিষয়ে কথা বলব। সচিবালয় মসজিদে বলে দিয়েছি মাস্ক ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।’

সোমবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারীর প্রাদুর্ভাবজনিত বিপর্যয় থেকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়ন-অগ্রগতির বিষয়ে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়।

শীতকালে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা এলেও অর্থনীতির চাকা যাতে সচল থাকে সেজন্য কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে রেখেছে সরকার।