ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস বরেণ্য কবি ও সাংবাদিক শেখ শামসুল হকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা: বাংলা একাডেমি থেকে মরণোত্তর সম্মাননার দাবি ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ব্যতীত আন্দোলন থামবে না: ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা চীন বা রাশিয়া যদি ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করে, সেটি তাদের জন্য ‘খুবই খারাপ’ হবে: ট্রাম্প আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৫ জুলাই ২০২৬ দ্রুত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক না করলে সৌদি আরবের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি বাতিল: হোয়াইট হাউস ইরানের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো যুক্তরাষ্ট্র

শাপলা না দিলে বাদ দিতে হবে ধানের শীষও: পাটওয়ারী

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৩:০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৫৫ Time View

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের সামনে দু’টো পথ খোলা আছে। শাপলা প্রতীক দিতে হবে। অন্যথায় প্রতীকের তালিকা থেকে ধানের শীষ, সোনালি আঁশ বাদ দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শাপলা প্রতীকের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

শাপলা প্রতীক বরাদ্দ দিতে ইসির আইনি বা রাজনৈতিক কোনো সমস্যা নেই, তাই শাপলা প্রতীক ছাড়া নিবন্ধন মানবে না এনসিপি, এমনটাই জানিয়েছেন দলটি মুখ্য সমন্বয়ক পাটওয়ারী।

তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এখনও এ বিষয়ে তাদের না দেয়ার সিদ্ধান্ত অনড় আছে বলে ইসি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

নাসীরুদ্দীন বলেন, দুই ঘণ্টার আলোচনায় এনসিপিকে শাপলা প্রতীক না দেওয়ার আইনি কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি কমিশন।

সেইসঙ্গে অন্য কোনো প্রতীকে এনসিপির নিবন্ধন হবে না জানিয়ে নাসীরুদ্দীন বলেন, শাপলা প্রতীক না পেলে গণতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এনসিপির এই নেতা বলেন, অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠন রয়েছে, আমরা তাদের সাথে এ বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ যে কারো প্রতীক বাতিল না হোক। সুতরাং শাপলা পেতে আইনি বাধা এবং রাজনৈতিক বাধা কোথাও দেখছি না। এজন্য আমরা আশাবাদী শাপলা পাব, সে বিষয়টা ইসিকে জানিয়ে এসেছি।

পাটওয়ারী আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আজ নির্বাচন কমিশনার বললেন, যে উনি নাকি মেন্টালি প্রস্তুত, আগে যারা নির্বাচন কমিশনার ছিলেন তাদের মতো পরিস্থিতি বরণ করতে, তিনি মেন্টালি প্রস্তুত আছেন। এই ধরনের উদ্ভট কথাবার্তা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত কথাবার্তা এবং উদ্ভট চিন্তাভাবনার যাদের রয়েছে আমরা স্টিল উনাদের পদত্যাগ চাচ্ছি না।

তিনি আরও বলেন, ইসি গত মিটিংয়ে আমাদের ডিজিএফআই-এর কিছু উদাহরণ দিয়েছিল, বিভিন্ন সংস্থার উদাহরণ দিয়েছিল, সেটাও আমরা আজকে বলেছি। আপনারা যদি কোথা থেকে প্রেসার ফিল করেন বা কেউ আপনাদেরকে চাপ দিয়ে থাকে, আপনারা আমাদেরকে জানান। আমরা আপনাদের সঙ্গে কোনো কিছু বলব না।

আমরা তাদের সঙ্গে রাজপথে মোকাবিলা করবো। কোনো অদৃশ্য শক্তি পেছনে রেখে আপনি (ইসি সচিব) প্রেসারটা নিয়েন না। আপনি এমনি অসুস্থ মানুষ। আপনি এ ধরনের প্রেশার সহ্য করতে পারবেন না। তারপরে উনি চুপ ছিলেন।

যেহেতু যেহেতু ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। আমরা ওনাদেরকে বলে দিয়েছি যে নিবন্ধন যদি আমাদেরকে দিতে হয় এবং নিবন্ধন প্রশ্নে সেটা শাপলা দিয়েই হবে। শাপলা ছাড়া এনসিপির নিবন্ধন হবে না। এনসিপিও শাপলা ছাড়া নিবন্ধন মানবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা শাপলার ক্ষেত্রে অনড় আছি, অনড় থাকবো। কারণ এটা অধিকার।

এ সময় দলের মুখ্য সমন্বয়ক খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, এনসিপি দাবি জানিয়েছে যে নির্বাচনের দিন যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তারা যেন ভোট দেওয়ার সুযোগ পান।

যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, জাতীয় লীগের মতো ‘অকার্যকর ও বিলুপ্ত’ দলের নিবন্ধন দেওয়ার প্রক্রিয়ায় জড়িত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছি আমরা।

Tag :
জনপ্রিয়

অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

শাপলা না দিলে বাদ দিতে হবে ধানের শীষও: পাটওয়ারী

Update Time : ০৩:০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের সামনে দু’টো পথ খোলা আছে। শাপলা প্রতীক দিতে হবে। অন্যথায় প্রতীকের তালিকা থেকে ধানের শীষ, সোনালি আঁশ বাদ দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শাপলা প্রতীকের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

শাপলা প্রতীক বরাদ্দ দিতে ইসির আইনি বা রাজনৈতিক কোনো সমস্যা নেই, তাই শাপলা প্রতীক ছাড়া নিবন্ধন মানবে না এনসিপি, এমনটাই জানিয়েছেন দলটি মুখ্য সমন্বয়ক পাটওয়ারী।

তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এখনও এ বিষয়ে তাদের না দেয়ার সিদ্ধান্ত অনড় আছে বলে ইসি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

নাসীরুদ্দীন বলেন, দুই ঘণ্টার আলোচনায় এনসিপিকে শাপলা প্রতীক না দেওয়ার আইনি কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি কমিশন।

সেইসঙ্গে অন্য কোনো প্রতীকে এনসিপির নিবন্ধন হবে না জানিয়ে নাসীরুদ্দীন বলেন, শাপলা প্রতীক না পেলে গণতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এনসিপির এই নেতা বলেন, অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠন রয়েছে, আমরা তাদের সাথে এ বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ যে কারো প্রতীক বাতিল না হোক। সুতরাং শাপলা পেতে আইনি বাধা এবং রাজনৈতিক বাধা কোথাও দেখছি না। এজন্য আমরা আশাবাদী শাপলা পাব, সে বিষয়টা ইসিকে জানিয়ে এসেছি।

পাটওয়ারী আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আজ নির্বাচন কমিশনার বললেন, যে উনি নাকি মেন্টালি প্রস্তুত, আগে যারা নির্বাচন কমিশনার ছিলেন তাদের মতো পরিস্থিতি বরণ করতে, তিনি মেন্টালি প্রস্তুত আছেন। এই ধরনের উদ্ভট কথাবার্তা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত কথাবার্তা এবং উদ্ভট চিন্তাভাবনার যাদের রয়েছে আমরা স্টিল উনাদের পদত্যাগ চাচ্ছি না।

তিনি আরও বলেন, ইসি গত মিটিংয়ে আমাদের ডিজিএফআই-এর কিছু উদাহরণ দিয়েছিল, বিভিন্ন সংস্থার উদাহরণ দিয়েছিল, সেটাও আমরা আজকে বলেছি। আপনারা যদি কোথা থেকে প্রেসার ফিল করেন বা কেউ আপনাদেরকে চাপ দিয়ে থাকে, আপনারা আমাদেরকে জানান। আমরা আপনাদের সঙ্গে কোনো কিছু বলব না।

আমরা তাদের সঙ্গে রাজপথে মোকাবিলা করবো। কোনো অদৃশ্য শক্তি পেছনে রেখে আপনি (ইসি সচিব) প্রেসারটা নিয়েন না। আপনি এমনি অসুস্থ মানুষ। আপনি এ ধরনের প্রেশার সহ্য করতে পারবেন না। তারপরে উনি চুপ ছিলেন।

যেহেতু যেহেতু ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। আমরা ওনাদেরকে বলে দিয়েছি যে নিবন্ধন যদি আমাদেরকে দিতে হয় এবং নিবন্ধন প্রশ্নে সেটা শাপলা দিয়েই হবে। শাপলা ছাড়া এনসিপির নিবন্ধন হবে না। এনসিপিও শাপলা ছাড়া নিবন্ধন মানবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা শাপলার ক্ষেত্রে অনড় আছি, অনড় থাকবো। কারণ এটা অধিকার।

এ সময় দলের মুখ্য সমন্বয়ক খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, এনসিপি দাবি জানিয়েছে যে নির্বাচনের দিন যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তারা যেন ভোট দেওয়ার সুযোগ পান।

যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, জাতীয় লীগের মতো ‘অকার্যকর ও বিলুপ্ত’ দলের নিবন্ধন দেওয়ার প্রক্রিয়ায় জড়িত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছি আমরা।