ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ৭ অক্টোবর ২০২৬ ফুটবল শুধু একটি খেলা না, জীবনের গল্প, সেই গল্পের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়গুলোর একটির নাম লিওনেল মেসি লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচটা স্মরণীয় করে রাখল আর্জেন্টিনা; জিতলো ৩-০ গোলে ফরিদপুরে ব্যবসায়ী ইউসুফ হত্যা: আড়াই মাসেও রহস্য উদ্ঘাটন কিংবা গ্রেফতার নেই, ২০২৭ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল ফরিদপুরে মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কক্ষে যৌন উত্তেজক ঔষধ ও সরঞ্জাম, অপসারনের দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।। মানববন্ধন ওবিক্ষোভ ইরান যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে: আইআরজিসি উপদেষ্টা ওয়াশিংটন ইরান নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেবে এবং এর ফলাফল আসবে ‘সহজ অথবা কঠিন’: ট্রাম্প মদিনার বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলার নিন্দা বাংলাদেশের

সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নিট ঋণ নেমেছে অর্ধেকেরও নিচে

সদ্য বিদায়ী (২০২১-২২) অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রসহ জাতীয় সঞ্চয় স্কিমগুলোতে এক লাখ আট হাজার ৭০ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। এ অর্থের বিপরীতে মূল টাকা ও মুনাফা বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৮৮ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট বিক্রি ছিল ১ লাখ ১২ হাজার ১৮৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা। যা বিদায়ী অর্থবছরের চেয়ে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা বেশি। এর মধ্যে সঞ্চয়পত্রের সুদ-আসল বাবদ ৭০ হাজার ২২৯ কোটি টাকা গ্রাহকদের পরিশোধ করা হয়।
বিদায়ী অর্থবছর শেষে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৯১৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, যা বাজেট ঘাটতি মেটাতে এ খাতের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৬২.২৩ শতাংশ। ২০২০-২১ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ৪২ হাজার কোটি টাকা নিট ঋণ নিয়েছিল সরকার। সেই হিসাবে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নিট ঋণ নেমেছে অর্ধেকেরও নিচে।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
অধিদপ্তরের প্রতিবেদন মতে, ২০২১-২২ অর্থবছরে একক মাস হিসেবে চলতি বছরের জুনে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার ৭১২ কোটি টাকা। আলোচিত সময়ে মূল ও মুনাফা বাবদ পরিশোধ হয়েছে আট হাজার ৯৬২ কোটি টাকা। ফলে জুন মাসে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৪৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ওই অর্থবছর এ খাত থেকে সরকার নিট ৩২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। সে হিসেবে ১২ মাসে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ঋণ এসেছে ৬২.২৩ শতাংশ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নানান শর্ত জুড়ে দিয়েছে সরকার। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে সুদহার কমানো হয়েছে। এসব কারণে অনেকে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমিয়েছেন। আবার নতুন অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র কিনতে গ্রাহকের আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। এতে বিক্রি আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
চলতি অর্থবছর (২০২২-২৩) বাজেটে ঘাটতি মেটাতে সঞ্চয়পত্র থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ নেওয়ার লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে নতুন অর্থবছরে ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে গ্রাহকের আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।
২০২০-২১ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ৪২ হাজার কোটি টাকা নিট ঋণ নিয়েছিল সরকার। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ ঋণের পরিমাণ ছিল ১৪ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪৯ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৪৬ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ছিল ৫২ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা।
Tag :
জনপ্রিয়

আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা

সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নিট ঋণ নেমেছে অর্ধেকেরও নিচে

Update Time : ০৫:০৯:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ অগাস্ট ২০২২
সদ্য বিদায়ী (২০২১-২২) অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রসহ জাতীয় সঞ্চয় স্কিমগুলোতে এক লাখ আট হাজার ৭০ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। এ অর্থের বিপরীতে মূল টাকা ও মুনাফা বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৮৮ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট বিক্রি ছিল ১ লাখ ১২ হাজার ১৮৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা। যা বিদায়ী অর্থবছরের চেয়ে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা বেশি। এর মধ্যে সঞ্চয়পত্রের সুদ-আসল বাবদ ৭০ হাজার ২২৯ কোটি টাকা গ্রাহকদের পরিশোধ করা হয়।
বিদায়ী অর্থবছর শেষে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৯১৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, যা বাজেট ঘাটতি মেটাতে এ খাতের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৬২.২৩ শতাংশ। ২০২০-২১ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ৪২ হাজার কোটি টাকা নিট ঋণ নিয়েছিল সরকার। সেই হিসাবে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নিট ঋণ নেমেছে অর্ধেকেরও নিচে।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
অধিদপ্তরের প্রতিবেদন মতে, ২০২১-২২ অর্থবছরে একক মাস হিসেবে চলতি বছরের জুনে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার ৭১২ কোটি টাকা। আলোচিত সময়ে মূল ও মুনাফা বাবদ পরিশোধ হয়েছে আট হাজার ৯৬২ কোটি টাকা। ফলে জুন মাসে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৪৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ওই অর্থবছর এ খাত থেকে সরকার নিট ৩২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। সে হিসেবে ১২ মাসে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ঋণ এসেছে ৬২.২৩ শতাংশ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নানান শর্ত জুড়ে দিয়েছে সরকার। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে সুদহার কমানো হয়েছে। এসব কারণে অনেকে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমিয়েছেন। আবার নতুন অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র কিনতে গ্রাহকের আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। এতে বিক্রি আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
চলতি অর্থবছর (২০২২-২৩) বাজেটে ঘাটতি মেটাতে সঞ্চয়পত্র থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ নেওয়ার লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে নতুন অর্থবছরে ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে গ্রাহকের আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।
২০২০-২১ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ৪২ হাজার কোটি টাকা নিট ঋণ নিয়েছিল সরকার। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ ঋণের পরিমাণ ছিল ১৪ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪৯ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৪৬ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ছিল ৫২ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা।