টেস্ট ক্যারিয়ার প্রায় ছয় বছরের। খেলে ফেলেছেন ২৫ টেস্ট। এর মধ্যে নেই কোন সেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ ৯৫ রান। নার্ভাস নাইনটিজ হয়েছিলেন তখন। দেখা মেলেনি তিন অংকের ম্যাজিক ফিগার।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শুক্রবার প্রথম টেস্টে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম সেশনটা বাজে গেছে বাংলাদেশের। হারায় চার উইকেট। রান আসে ৬৯। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার কাজ করেছেন মুশফিকের সাথে লিটন দাস।
পঞ্চম উইকেটে এই জুটির সাবলিল ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ পায় বড় স্কোরের ভিত্তি। আস্তে আস্তে দুজনই একসময় পেয়েছেন ফিফটির দেখা। মুশফিক আগে নামলেও বেশি বল ফেস করেছেন লিটন। দারুণ ব্যাটিংয়ে আগাতে থাকেন সামনের দিকে। নব্বই ঘরে গিয়ে ধীর লয়ে খেলেছেন তিনি।
একটা সময় পেয়েছেন কাঙ্ক্ষিত তিন অংক। ১৯৯ বলে পৌঁছান শতকের ঘরে। নোমান আলীর বলে নেন সিঙ্গেল। চান্স ছিল রান আউটের। কিন্তু অদম্য লিটন পৌছে যান দ্রুতই। শতকের ইনিংসে লিটন হাঁকান ১০টি চার ও একটি ছক্কা। মুশফিকও আছেন ৭৭ রানে অপরাজিত। দেখা যাক তার কপালে কী আছে।
টেস্টে নব্বইর ঘরে এর আগে দুইবার আউট হয়েছেন লিটন। সর্বশেষ চলতি বছরের জুলাইয়ে হারারে টেস্টে। যেখানে ৯৫ রান করে তিনি বিদায় নেন। ২০১৮ সালে এই চট্টগ্রামে ৯৪ রানে একবার আউট হয়েছিলেন তিনি। প্রতিপক্ষ ছিল শ্রীলঙ্কা।
অনলাইন ডেস্ক 























