ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহক-পুলিশ সংঘর্ষ মিয়ানমারে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ৫৫ শিশু রামিসা হত্যা: সোহেল রানা ও তার স্ত্রীর বিচার শুরু, সাক্ষ্যগ্রহণ আগামীকাল ঈদ উদযাপন শেষে সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী সিরিক দ্বীপে হামলার জবাবে মার্কিন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে আইআরজিসি এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ৩১ মে ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ১ জুন ২০২৬ দেশের বাজারে জুন মাসের জন্য তিন ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল সরকার ত্রিমুখী কার্যক্ষমতাসম্পন্ন ক্যানসারের নতুন ইনজেকশন রোগীর টিউমার পুরোপুরিই নির্মূল করতে সক্ষম দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

ইউক্রেন প্রশ্নে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানের জন্য চীনের প্রশংসা করেছেন পুতিন

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দেখা করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এই বৈঠকের পর ইউক্রেন প্রশ্নে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানের জন্য রুশ নেতা চীনের প্রশংসা করেছেন।

তবে তিনি এটাও উল্লেখ করেছেন যে এই বিষয়ে বেইজিংয়ের কিছু প্রশ্ন এবং উদ্বেগ রয়েছে।

তবে এগুলো ঠিক কী- পুতিন সে সম্পর্কে কোন কথা বলেননি। কিন্তু এটা মনে করা হয় যে ইউক্রেনের ওপর মস্কোর হামলার প্রতি চীনের সমর্থন সীমাহীন নয়।

শি এবং পুতিনের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে উজবেকিস্তানের সমরখন্দ শহরে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন বা এসসিও জোটের এক শীর্ষ সম্মেলনে।

এসসিও’র এই শীর্ষ সম্মেলনকে অনেকে দেখছেন পশ্চিমা বিশ্বে নেটোর মত জোটগুলোর প্রভাব মোকাবেলা করার জন্য একটি পাল্টা জোট হিসেবে।

এতে চীন ও রাশিয়া ছাড়াও আছে ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলো।

ভ্লাদিমির পুতিন ও শি জিনপিং ছাড়াও এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বর্তমান বিশ্বে ইউক্রেন যুদ্ধ ছাড়াও চীন ও পশ্চিমা দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এই সম্মেলনের ওপর ছায়া ফেলেছে।

তবে বৃহস্পতিবার চীন ও রাশিয়ার দুই নেতার বৈঠকটি নিয়ে অনেকদিন ধরেই আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছিল।

বেইজিং সরকার ইউক্রেনে রুশ অভিযানকে মৌখিকভাবে সমর্থন দিলেও এর চেয়ে বেশি কোনো ভূমিকা রাখার ব্যাপারে সতর্ক ছিল।

পুতিন অবশ্য চীনের কাছ থেকে আর কোনো সহায়তা চেয়েছিলেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।

চীনা প্রেসিডেন্ট শুধু এটুকুই বলেছেন যে চীন বড় শক্তিধর দেশ হিসেবে রাশিয়ার সাথে একসাথে কাজ করতে চায়।

মধ্য এশিয়াকে ঐতিহ্যগতভাবেই মস্কো সরকার তার প্রভাব বলয়ের অংশ বলে মনে করে।

তবে সম্প্রতি এই অঞ্চলে চীনের উপস্থিতি বাড়ছে এবং তাদের রাজনৈতিক প্রভাবও এখন আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।
সূত্র : বিবিসি

Tag :

ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহক-পুলিশ সংঘর্ষ

ইউক্রেন প্রশ্নে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানের জন্য চীনের প্রশংসা করেছেন পুতিন

Update Time : ০২:৪২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দেখা করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এই বৈঠকের পর ইউক্রেন প্রশ্নে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানের জন্য রুশ নেতা চীনের প্রশংসা করেছেন।

তবে তিনি এটাও উল্লেখ করেছেন যে এই বিষয়ে বেইজিংয়ের কিছু প্রশ্ন এবং উদ্বেগ রয়েছে।

তবে এগুলো ঠিক কী- পুতিন সে সম্পর্কে কোন কথা বলেননি। কিন্তু এটা মনে করা হয় যে ইউক্রেনের ওপর মস্কোর হামলার প্রতি চীনের সমর্থন সীমাহীন নয়।

শি এবং পুতিনের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে উজবেকিস্তানের সমরখন্দ শহরে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন বা এসসিও জোটের এক শীর্ষ সম্মেলনে।

এসসিও’র এই শীর্ষ সম্মেলনকে অনেকে দেখছেন পশ্চিমা বিশ্বে নেটোর মত জোটগুলোর প্রভাব মোকাবেলা করার জন্য একটি পাল্টা জোট হিসেবে।

এতে চীন ও রাশিয়া ছাড়াও আছে ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলো।

ভ্লাদিমির পুতিন ও শি জিনপিং ছাড়াও এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বর্তমান বিশ্বে ইউক্রেন যুদ্ধ ছাড়াও চীন ও পশ্চিমা দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এই সম্মেলনের ওপর ছায়া ফেলেছে।

তবে বৃহস্পতিবার চীন ও রাশিয়ার দুই নেতার বৈঠকটি নিয়ে অনেকদিন ধরেই আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছিল।

বেইজিং সরকার ইউক্রেনে রুশ অভিযানকে মৌখিকভাবে সমর্থন দিলেও এর চেয়ে বেশি কোনো ভূমিকা রাখার ব্যাপারে সতর্ক ছিল।

পুতিন অবশ্য চীনের কাছ থেকে আর কোনো সহায়তা চেয়েছিলেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।

চীনা প্রেসিডেন্ট শুধু এটুকুই বলেছেন যে চীন বড় শক্তিধর দেশ হিসেবে রাশিয়ার সাথে একসাথে কাজ করতে চায়।

মধ্য এশিয়াকে ঐতিহ্যগতভাবেই মস্কো সরকার তার প্রভাব বলয়ের অংশ বলে মনে করে।

তবে সম্প্রতি এই অঞ্চলে চীনের উপস্থিতি বাড়ছে এবং তাদের রাজনৈতিক প্রভাবও এখন আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।
সূত্র : বিবিসি