রাশিয়ার হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও পারমাণবিক মহড়া করবে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও পারমাণবিক মহড়া করবে ন্যাটো।
ইউক্রেনের যুদ্ধ নিয়ে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার ভূখণ্ড রক্ষার জন্য তার হাতে থাকা সমস্ত উপায় ব্যবহার করার বিষয়ে বানিয়ে বলছেন না- এমন জানানোর পরও মার্কিন ন্যাটো পরের সপ্তাহে তাদের দীর্ঘ-পরিকল্পিত পারমাণবিক অনুশীলন শুরু করবে। মঙ্গলবার ন্যাটো মহাসচিব জেন্স স্টলটেনবার্গ একথা বলেছেন।
‘স্টেডফাস্ট নুন’ নামক মহড়াটি প্রতি বছর একবার করে অনুষ্ঠিত হয় এবং সাধারণত প্রায় এক সপ্তাহ চলে।
এতে পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম ফাইটার জেট উড়বে কিন্তু কোনো বোমা বিস্ফোরণ করা হবে না। প্রচলিত জেট, সার্ভেইলেন্স এবং রিফুয়েলিং বিমানও এতে নিয়মিত অংশ নেবে।
ন্যাটো সদস্য ৩০টি দেশের মধ্যে ১৪টি এই মহড়ায় অংশ নেবে। ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার আগে এ পরিকল্পনা করা হয়েছিল। নেটোর একজন কর্মকর্তা বলেছেন, মহড়ার মূল অংশটি রাশিয়া থেকে এক হাজার কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে অনুষ্ঠিত হবে।
পশ্চিমা অস্ত্রে সজ্জিত ইউক্রেনীয় বাহিনীর আঘাতে রুশ সেনাবাহিনী পিছু হটলে পুতিন ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলকে অধিগ্রহণ করার ঘোষণা দিয়েছেন এবং ভেঙে পড়া ফ্রন্ট লাইন ঠিক রাখার জন্য তিন লাখ অবধি রিজার্ভ সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
যেহেতু তার যুদ্ধ পরিকল্পনা ভ্রষ্ট হয়েছে, পুতিন বার বার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি রাশিয়ার বিজয় নিশ্চিত করতে পারমাণবিক অস্ত্রের আশ্রয় নিতে পারেন।ইউক্রেনে আরো অত্যাধুনিক অস্ত্র পাঠানোর থেকে ন্যাটো দেশগুলোকে নিবৃত্ত করাও এই হুমকির লক্ষ্য।
সংগঠন হিসেবে ন্যাটোর কাছে কোনো অস্ত্র নেই। পারমাণবিক অস্ত্র তিনটি সদস্য দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সের দৃঢ় নিয়ন্ত্রণে থাকে। জোটের গোপন নিউক্লিয়ার প্ল্যানিং গ্রুপ বৃহস্পতিবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের মধ্যে বৈঠক করবে।
সূত্র : ভয়েস অব আমেরিকা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 














