ঢাকা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই শেষ করতে হয়েছে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এবার নতুন এক ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সংগীতশিল্পী সঞ্জয় ফরিদপুর জেলা পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে নামতে পারে ব্রাজিল মরক্কো ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় দুঃসংবাদ আদ্-দ্বীন থেকে রেফার্ড রোগীদের তাৎক্ষণিক ও যথাযথ চিকিৎসা দিতে ৬ হাসপাতালকে নির্দেশ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা নিজেদের প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জিতেছে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপের তৃতীয় ও শেষ পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচে ‘অপরাজিত’ স্বাদ পেয়েছে কানাডা

ফারদিন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আয়াতুল্লাহ বুশরা জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:৫৮:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৩
  • ২৫১ Time View

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আয়াতুল্লাহ বুশরা জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ১২ মিনিটে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বুশরার বাবা মো. মঞ্জুরুল তাকে গ্রহণ করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনিয়র জেল সুপার ওবায়দুর রহমান।

এর আগে রবিবার (৮ জানুয়ারি) বুশরার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তেহসিন ইফতেখারীর জামিনের আদেশ দেন।

বুয়েট ক্যাম্পাসে যাওয়ার কথা বলে গত ৪ নভেম্বর ঢাকার ডেমরার কোনাপাড়ার বাসা থেকে বের হন ফারদিন। ওই দিনই তিনি নিখোঁজ হন। ওই দিন ফারদিনের সঙ্গে ছিলেন আয়াতুল্লাহ। নিখোঁজের তিন দিন পর ৭ নভেম্বর বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ফারদিনের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

এ ঘটনায় ফারদিনের বাবা মামলা করেন। মামলায় আয়াতুল্লাহ বুশরাকে আসামি করা হয়। ১০ নভেম্বর সকালে রাজধানীর রামপুরা এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে রিমান্ড শেষে কারাগারে ছিলেন বুশরা।

বুয়েটছাত্র ফারদিন নূর হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিক ধারণার কথা জানিয়েছিলেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। এরপর এটিকে হত্যাকাণ্ড ধরে মামলার তদন্ত এগোলেও সম্প্রতি তদন্ত সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ফারদিন নূর আত্মহত্যা করেছিলেন। এ ঘটনার ছায়াতদন্ত করা র‍্যাবের পক্ষ থেকেও একই কথা বলা হয়। দাবির পক্ষে যুক্তি হিসেবে রাতের আঁধারে ডেমরার সুলতানা কামাল সেতু থেকে একজনের নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার একটি ভিডিও হাজির করেছিল তারা।

তবে ফারদিনের পরিবার তাদের এই বক্তব্য মেনে নেয়নি। ফারদিন ‘হত্যাকাণ্ডের’ বিচার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসা বুয়েট শিক্ষার্থীরাও ডিবি-র‍্যাবের বক্তব্য নিয়ে কয়েকটি বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।

Tag :

পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই শেষ করতে হয়েছে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচ

ফারদিন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আয়াতুল্লাহ বুশরা জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন

Update Time : ০৯:৫৮:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৩

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আয়াতুল্লাহ বুশরা জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ১২ মিনিটে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বুশরার বাবা মো. মঞ্জুরুল তাকে গ্রহণ করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনিয়র জেল সুপার ওবায়দুর রহমান।

এর আগে রবিবার (৮ জানুয়ারি) বুশরার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তেহসিন ইফতেখারীর জামিনের আদেশ দেন।

বুয়েট ক্যাম্পাসে যাওয়ার কথা বলে গত ৪ নভেম্বর ঢাকার ডেমরার কোনাপাড়ার বাসা থেকে বের হন ফারদিন। ওই দিনই তিনি নিখোঁজ হন। ওই দিন ফারদিনের সঙ্গে ছিলেন আয়াতুল্লাহ। নিখোঁজের তিন দিন পর ৭ নভেম্বর বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ফারদিনের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

এ ঘটনায় ফারদিনের বাবা মামলা করেন। মামলায় আয়াতুল্লাহ বুশরাকে আসামি করা হয়। ১০ নভেম্বর সকালে রাজধানীর রামপুরা এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে রিমান্ড শেষে কারাগারে ছিলেন বুশরা।

বুয়েটছাত্র ফারদিন নূর হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিক ধারণার কথা জানিয়েছিলেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। এরপর এটিকে হত্যাকাণ্ড ধরে মামলার তদন্ত এগোলেও সম্প্রতি তদন্ত সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ফারদিন নূর আত্মহত্যা করেছিলেন। এ ঘটনার ছায়াতদন্ত করা র‍্যাবের পক্ষ থেকেও একই কথা বলা হয়। দাবির পক্ষে যুক্তি হিসেবে রাতের আঁধারে ডেমরার সুলতানা কামাল সেতু থেকে একজনের নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার একটি ভিডিও হাজির করেছিল তারা।

তবে ফারদিনের পরিবার তাদের এই বক্তব্য মেনে নেয়নি। ফারদিন ‘হত্যাকাণ্ডের’ বিচার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসা বুয়েট শিক্ষার্থীরাও ডিবি-র‍্যাবের বক্তব্য নিয়ে কয়েকটি বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।