ফিলিস্তিনের অধিকৃত জেরুসালেমের আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি পুলিশ।
বুধবার ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে।
ফিলিস্তিনি প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী স্টান গ্রেনেড ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করায় মুসল্লিরা দমবন্ধ হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
মসজিদের বাইরে থাকা এক বয়স্ক মহিলা কাঁদতে কাঁদতে রয়টার্সকে বলেন, আমি একটি চেয়ারে বসে কোরআন তিলাওয়াত করছিলাম। আমার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। তারা স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে, একটি আমার বুকে আঘাত করেছে।
ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট আহতের খবর দিয়েছে, তবে কতজন আহত হয়েছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ইসরাইল পুলিশ তাদের চিকিৎসকদের আল-আকসায় পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে।
তবে ইসরাইল পুলিশ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘মুখোশধারী আন্দোলনকারীরা’ আতশবাজি, লাঠি ও পাথর নিয়ে মসজিদের ভেতরে অবস্থান নেয়ার পরই তারা কম্পাউন্ডে প্রবেশ করতে বাধ্য হয়েছিল। পুলিশ প্রবেশ করলে, তাদের দিকে পাথর ও আতশবাজি ছুঁড়ে মারা হয়।
পুলিশের এক কর্মকর্তা পায়ে আঘাত পেয়েছেন বলে বিবৃতিতে বলা হয়।
পুলিশের একজন মুখপাত্রে বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, পুলিশ বুধবার ভোরে ৩৫০ জনেরও বেশি লোককে গ্রেফতার করেছে।
এদিকে আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি দলগুলো। এছাড়া হামলার ঘটনাকে তারা অপরাধ হিসেবেও বর্ণনা করেছে।
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পূর্ব জেরুসালেম ও পশ্চিম তীরে কয়েক মাস ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এছাড়া মুসলিমদের পবিত্র রমজান মাস ও ইহুদিদের পাসওভারের (বিশেষ উৎসব) সময় হওয়ায় আরো সহিংসতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র : আলজাজিরা, এএফপি
আন্তজার্তিক ডেস্ক 
















