ঢাকা ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৌসুমি বন্যা ও ভূমিধসে পাকিস্তানে এখন পর্যন্ত প্রাণহানির সংখ্যা ৮৬ জন

ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাকিস্তানে দেখা দিয়েছে মৌসুমি বন্যা ও ভূমিধস। গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা এ বন্যায় এখন পর্যন্ত প্রাণহানির সংখ্যা ৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত দুই শতাধিক মানুষ। মঙ্গলবার দেশটির জাতীয় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) এ তথ্য জানিয়েছে।

এএনডিএমএ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশজুড়ে তুমুল বৃষ্টিতে ছয়জন মারা গেছে, আহত হয়েছে ৯ জন। এছাড়া এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে ৮৬ জনের মৃত্যু এবং ১৫১ জনের আহতের রিপোর্ট করেছে এনডিএমএ। মৃতদের মধ্যে ১৬ জন নারী ও ৩৭ শিশু আছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারী বৃষ্টিতে পাঞ্জাবে ৫২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া খাইবার পাখতুনখোয়ায় ২০ জন এবং বেলুচিস্তানে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে এনডিএমএ ২০২৩ সালে পাকিস্তানে যে ভয়াবহ বন্যা হতে পারে তার ৭২ শতাংশ আশঙ্কা রয়েছে বলে জানায়। এনডিএমএ চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইনাম হায়দার বলেছেন, তাপমাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি, হিমবাহ গলা ও তাড়াতাড়ি বর্ষার কারণে বন্যা হতে পারে।

এদিকে, পাকিস্তানের প্রভাবশালী পত্রিকা ডন গত শনিবার জানায়, ভারী বৃষ্টিতে লাহোরের আজহার এবং শাহদারা শহরে দুই বাড়ির ছাদ ধসে পড়েছে। এতে অন্তত নয়জন আহত হয়েছে। আহতদের দ্রুত নিকটস্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

Tag :

মৌসুমি বন্যা ও ভূমিধসে পাকিস্তানে এখন পর্যন্ত প্রাণহানির সংখ্যা ৮৬ জন

Update Time : ১১:৪৮:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০২৩

ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাকিস্তানে দেখা দিয়েছে মৌসুমি বন্যা ও ভূমিধস। গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা এ বন্যায় এখন পর্যন্ত প্রাণহানির সংখ্যা ৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত দুই শতাধিক মানুষ। মঙ্গলবার দেশটির জাতীয় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) এ তথ্য জানিয়েছে।

এএনডিএমএ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশজুড়ে তুমুল বৃষ্টিতে ছয়জন মারা গেছে, আহত হয়েছে ৯ জন। এছাড়া এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে ৮৬ জনের মৃত্যু এবং ১৫১ জনের আহতের রিপোর্ট করেছে এনডিএমএ। মৃতদের মধ্যে ১৬ জন নারী ও ৩৭ শিশু আছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারী বৃষ্টিতে পাঞ্জাবে ৫২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া খাইবার পাখতুনখোয়ায় ২০ জন এবং বেলুচিস্তানে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে এনডিএমএ ২০২৩ সালে পাকিস্তানে যে ভয়াবহ বন্যা হতে পারে তার ৭২ শতাংশ আশঙ্কা রয়েছে বলে জানায়। এনডিএমএ চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইনাম হায়দার বলেছেন, তাপমাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি, হিমবাহ গলা ও তাড়াতাড়ি বর্ষার কারণে বন্যা হতে পারে।

এদিকে, পাকিস্তানের প্রভাবশালী পত্রিকা ডন গত শনিবার জানায়, ভারী বৃষ্টিতে লাহোরের আজহার এবং শাহদারা শহরে দুই বাড়ির ছাদ ধসে পড়েছে। এতে অন্তত নয়জন আহত হয়েছে। আহতদের দ্রুত নিকটস্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।