ঢাকা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টিকা বিতরণ ব্যবস্থা চরম অসম ও অন্যায্য: জাতিসংঘ

করোনার টিকা বিতরণ ব্যবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস একে ‘চরম অসম ও অন্যায্য’ উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ১৩০টি দেশ এখনো টিকার কোনো ডোজ পায়নি, মাত্র ১০ দেশের কাছে এখন পর্যন্ত উৎপাদন হওয়া টিকার ৭৫ ভাগ রয়েছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের সুরক্ষা কাউন্সিলের একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বক্তৃতায় এমন ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যান্তনিও গুতেরেস। বক্তৃতায় জাতিসংঘ প্রধান বলেন, ‘এই কঠিন মুহূর্তে ভ্যাকসিন সমতাই বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।’

সকল দেশে ভ্যাকসিনের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিতের জন্য সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে একটি বৈশ্বিক ভ্যাকসিন প্রয়োগ পরিকল্পনার আহ্বান জানিয়েছেন গুতেরেস। এতে বিজ্ঞানী, ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও অর্থ প্রদানকারীরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

অধিকাংশ দেশ ভ্যাকসিন কর্মসূচির আওতায় না আসায় সমন্বয়হীনতাকে দুষছেন গুতেরেস। বলেন, টিকা সুষম বণ্টনই সবচেয়ে জরুরি। যত দ্রুত সম্ভব প্রতিটি দেশ যেন ভ্যাকসিন পায় বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

বৈঠকে গুতেরেস জি ২০টি সদস্যভুক্ত অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশগুলোর প্রতি একটি জরুরি টাস্ক ফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। এতে অর্থ সহায়তা পাওয়া গেলে দ্রুত টিকা উৎপাদন করা সম্ভব মনে করেন তিনি।

ইতিমধ্যে বিশ্বের উন্নত দেশগুলো নিজ দেশের জনগণকে টিকা প্রয়োগ করে আসছে। কিন্তু অনেক দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশে ভ্যাকসিন না পৌঁছানো গেলে করোনা নিয়ন্ত্রণে আসা সম্ভব নয় মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Tag :

টিকা বিতরণ ব্যবস্থা চরম অসম ও অন্যায্য: জাতিসংঘ

Update Time : ১১:১৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১

করোনার টিকা বিতরণ ব্যবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস একে ‘চরম অসম ও অন্যায্য’ উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ১৩০টি দেশ এখনো টিকার কোনো ডোজ পায়নি, মাত্র ১০ দেশের কাছে এখন পর্যন্ত উৎপাদন হওয়া টিকার ৭৫ ভাগ রয়েছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের সুরক্ষা কাউন্সিলের একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বক্তৃতায় এমন ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যান্তনিও গুতেরেস। বক্তৃতায় জাতিসংঘ প্রধান বলেন, ‘এই কঠিন মুহূর্তে ভ্যাকসিন সমতাই বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।’

সকল দেশে ভ্যাকসিনের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিতের জন্য সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে একটি বৈশ্বিক ভ্যাকসিন প্রয়োগ পরিকল্পনার আহ্বান জানিয়েছেন গুতেরেস। এতে বিজ্ঞানী, ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও অর্থ প্রদানকারীরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

অধিকাংশ দেশ ভ্যাকসিন কর্মসূচির আওতায় না আসায় সমন্বয়হীনতাকে দুষছেন গুতেরেস। বলেন, টিকা সুষম বণ্টনই সবচেয়ে জরুরি। যত দ্রুত সম্ভব প্রতিটি দেশ যেন ভ্যাকসিন পায় বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

বৈঠকে গুতেরেস জি ২০টি সদস্যভুক্ত অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশগুলোর প্রতি একটি জরুরি টাস্ক ফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। এতে অর্থ সহায়তা পাওয়া গেলে দ্রুত টিকা উৎপাদন করা সম্ভব মনে করেন তিনি।

ইতিমধ্যে বিশ্বের উন্নত দেশগুলো নিজ দেশের জনগণকে টিকা প্রয়োগ করে আসছে। কিন্তু অনেক দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশে ভ্যাকসিন না পৌঁছানো গেলে করোনা নিয়ন্ত্রণে আসা সম্ভব নয় মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।