ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করুন মোবাইল দিয়েই গাজী নজরুলকে বহিষ্কার করেছে জামায়াত ফরিদপুরে যাত্রা শুরু করল ‘পেয়ালা ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ ফরিদপুরে নারীর মানসিক স্বাস্থ্য: সচেতনতা, সহমর্মিতা ও করণীয় বিষয়ক নন্দিতা সুরক্ষার কর্মশালা অনুষ্ঠিত মেসিকে নিয়ে আবারও নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করলেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় তিন ধাপ উন্নতি করেছে বাংলাদেশ আমূল বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট একনেকে ৮ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১৪ হাজার কোটি টাকা হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮০০ ছাড়ালো ভিডিও বার্তায় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন রাহুল গান্ধী

অবরোধেও রাজধানীর সড়কগুলোতে যানচলাচল স্বাভাবিক

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৫:৪৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৩
  • ২৫৩ Time View

সরকার পতনের এক দফা দাবিতে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ চলছে। তবে অবরোধেও রাজধানীর সড়কগুলোতে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। আজ বুধবার সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত টানা ৪৮ ঘণ্টা সড়ক, নৌ ও রেলপথে সর্বাত্মক অবরোধ শুরু হয়।

এদিন সকাল থেকে রাজধানী ঘুরে দেখা যায়, গুলিস্তান, পল্টন, প্রেস ক্লাব, শাহবাগ, বাংলামোটর ও কাওরান বাজার, রামপুরা, মালিবাগ, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, আসাদগেট ও মহাখালী এলাকায় যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। অবরোধের অন্যান্য দিনের তুলনায় এদিন রাস্তায় গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা অনেকটা বেড়েছে।

এদিকে পঞ্চম দফা অবরোধ শুরুর দিন সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি প্রাইভেট কারে আগুন দিয়েছে অবরোধকারীরা। এবং গতকাল মঙ্গলবার রাতে (রাত ১১টা পর্যন্ত) রাজধানীতে চারটি বাসে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। ধারণা করা হচ্ছে, অবরোধের সমর্থনে এসব বাসে আগুন দেয়া হয়েছে।

এর আগে, সোমবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ অবরোধের ঘোষণা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান।

গত ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশে হামলা, হত্যা, নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ এবং সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ২৯ অক্টোবর হরতাল এবং ৩১ অক্টোবর, ১ ও ২ নভেম্বর মোট তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচি পালন করে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের শরিকরা। তারপর ৫ ও ৬ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় এবং ৮ ও ৯ নভেম্বর তৃতীয় দফায় অবরোধ কর্মসূচি পালন করে তারা। ১১ ও ১২ নভেম্বর চতুর্থ দফায় ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ পালন করা হয়। এরপর গতকাল (মঙ্গলবার) একদিনের বিরতি দিয়ে বুধবার সকাল ৬টা থেকে পঞ্চম দফায় ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ ডাকা হয়।

এসব কর্মসূচি চলাকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ দলের সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আর গ্রেপ্তারের বাইরে থাকা নেতারা আত্মগোপনে রয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয়

হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করুন মোবাইল দিয়েই

অবরোধেও রাজধানীর সড়কগুলোতে যানচলাচল স্বাভাবিক

Update Time : ০৫:৪৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৩

সরকার পতনের এক দফা দাবিতে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ চলছে। তবে অবরোধেও রাজধানীর সড়কগুলোতে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। আজ বুধবার সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত টানা ৪৮ ঘণ্টা সড়ক, নৌ ও রেলপথে সর্বাত্মক অবরোধ শুরু হয়।

এদিন সকাল থেকে রাজধানী ঘুরে দেখা যায়, গুলিস্তান, পল্টন, প্রেস ক্লাব, শাহবাগ, বাংলামোটর ও কাওরান বাজার, রামপুরা, মালিবাগ, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, আসাদগেট ও মহাখালী এলাকায় যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। অবরোধের অন্যান্য দিনের তুলনায় এদিন রাস্তায় গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা অনেকটা বেড়েছে।

এদিকে পঞ্চম দফা অবরোধ শুরুর দিন সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি প্রাইভেট কারে আগুন দিয়েছে অবরোধকারীরা। এবং গতকাল মঙ্গলবার রাতে (রাত ১১টা পর্যন্ত) রাজধানীতে চারটি বাসে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। ধারণা করা হচ্ছে, অবরোধের সমর্থনে এসব বাসে আগুন দেয়া হয়েছে।

এর আগে, সোমবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ অবরোধের ঘোষণা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান।

গত ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশে হামলা, হত্যা, নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ এবং সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ২৯ অক্টোবর হরতাল এবং ৩১ অক্টোবর, ১ ও ২ নভেম্বর মোট তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচি পালন করে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের শরিকরা। তারপর ৫ ও ৬ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় এবং ৮ ও ৯ নভেম্বর তৃতীয় দফায় অবরোধ কর্মসূচি পালন করে তারা। ১১ ও ১২ নভেম্বর চতুর্থ দফায় ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ পালন করা হয়। এরপর গতকাল (মঙ্গলবার) একদিনের বিরতি দিয়ে বুধবার সকাল ৬টা থেকে পঞ্চম দফায় ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ ডাকা হয়।

এসব কর্মসূচি চলাকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ দলের সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আর গ্রেপ্তারের বাইরে থাকা নেতারা আত্মগোপনে রয়েছেন।