ঢাকা ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ৫ দিনের আলটিমেটাম চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে বিরল ব্যক্তিগত অভ্যর্থনা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ডোনাল্ড ট্রাম্প ও খলিলুর রহমানের মতবিনিময় সংঘাতের সমাধান না হলে তিনি ইরানকে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারেন: ট্রাম্প পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান

মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা করছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৪
  • ২০২ Time View

মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা করছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। মঙ্গলবার রাজধানীর সেতু ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ইজিবাইকসহ মোটরসাইকেলের কারণে বেশিরভাগ দুর্ঘটনা হচ্ছে। তাই তিনি মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক নিয়ে, বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও তিন চাকার গাড়ি নিয়ে একটা নীতিমালা করার জন্য সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে কিছুটা কাজ হচ্ছিল নীতিমালা নিয়ে। এই নীতিমালার কাজ যেন দ্রুত শেষ হয় সেই নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, নীতিমালা কার্যকর করতে হবে। এছাড়া বিশ্ব ব্যংক রোড সেফটির উপরে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। আমি আশা করি এই দুটি কাজ হয়ে গেলে দুর্ঘটনা অনেক কমে আসবে। বারবার বলার পরও কেন তিন চাকার বাহন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না, স্থানীয় সংসদ সদস্যরা কী ভূমিকা রাখছেন এমন প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখানে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনেরও দায়িত্ব আছে। তা ছাড়া আমাদের হাইওয়ে পুলিশের সংখ্যা কম, এখানে জনবলেরও একটা ব্যাপার আছে।

১৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, সারাদেশে ৬ হাজার ২৬১টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ হাজার ৯০২ জন নিহত এবং ১০ হাজার ৩৭২ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া একই সময় রেলপথে ৫২০টি দুর্ঘটনায় ৫১২ নিহত এবং ৪৭৫ জন আহত হন। নৌ-পথে ১৪৮টি দুর্ঘটনায় ৯১ জন নিহত এবং ১৫২ জন আহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে চালক এক হাজার ৫২৬ জন, নারী ৬৪৭ জন, শিশু ৪৬৬ জন, শিক্ষার্থী ৪১৬ জন, শিক্ষক ৮১ জন, পরিবহন শ্রমিক ২৬০ জন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ১৩ জন, সাংবাদিক ১৫ জন, প্রকৌশলী ৮ জন, আইনজীবী ৭ জন, চিকিৎসক ২২ জন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ৭৭ জন, সেনাসদস্য ১৬ জন, পুলিশ সদস্য ৪০ জন, বিজিবি সদস্য ৭ জন, নৌ-বাহিনীর সদস্য তিনজন, আনসার সদস্য তিনজন এবং ফায়ার সার্ভিসের দুই সদস্য রয়েছেন।

বিভাগভিত্তিক সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৭১২ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ১ হাজার ২০৫ জন, খুলনা বিভাগে ৭৬৪ জন, বরিশাল বিভাগে ৩৭৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৬৪ জন, সিলেট বিভাগে ৪০৩ জন, রংপুর বিভাগে ৬২৬ জন এবং রাজশাহী বিভাগে ৭৯৩ জনের মৃত্যু হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এ সময় যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে সড়ক দুর্ঘটনার বেশ কিছু কারণ এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সুপারিশমালা তুলে ধরা হয়।

Tag :

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা করছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ

Update Time : ০৪:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৪

মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা করছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। মঙ্গলবার রাজধানীর সেতু ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ইজিবাইকসহ মোটরসাইকেলের কারণে বেশিরভাগ দুর্ঘটনা হচ্ছে। তাই তিনি মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক নিয়ে, বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও তিন চাকার গাড়ি নিয়ে একটা নীতিমালা করার জন্য সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে কিছুটা কাজ হচ্ছিল নীতিমালা নিয়ে। এই নীতিমালার কাজ যেন দ্রুত শেষ হয় সেই নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, নীতিমালা কার্যকর করতে হবে। এছাড়া বিশ্ব ব্যংক রোড সেফটির উপরে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। আমি আশা করি এই দুটি কাজ হয়ে গেলে দুর্ঘটনা অনেক কমে আসবে। বারবার বলার পরও কেন তিন চাকার বাহন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না, স্থানীয় সংসদ সদস্যরা কী ভূমিকা রাখছেন এমন প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখানে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনেরও দায়িত্ব আছে। তা ছাড়া আমাদের হাইওয়ে পুলিশের সংখ্যা কম, এখানে জনবলেরও একটা ব্যাপার আছে।

১৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, সারাদেশে ৬ হাজার ২৬১টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ হাজার ৯০২ জন নিহত এবং ১০ হাজার ৩৭২ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া একই সময় রেলপথে ৫২০টি দুর্ঘটনায় ৫১২ নিহত এবং ৪৭৫ জন আহত হন। নৌ-পথে ১৪৮টি দুর্ঘটনায় ৯১ জন নিহত এবং ১৫২ জন আহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে চালক এক হাজার ৫২৬ জন, নারী ৬৪৭ জন, শিশু ৪৬৬ জন, শিক্ষার্থী ৪১৬ জন, শিক্ষক ৮১ জন, পরিবহন শ্রমিক ২৬০ জন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ১৩ জন, সাংবাদিক ১৫ জন, প্রকৌশলী ৮ জন, আইনজীবী ৭ জন, চিকিৎসক ২২ জন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ৭৭ জন, সেনাসদস্য ১৬ জন, পুলিশ সদস্য ৪০ জন, বিজিবি সদস্য ৭ জন, নৌ-বাহিনীর সদস্য তিনজন, আনসার সদস্য তিনজন এবং ফায়ার সার্ভিসের দুই সদস্য রয়েছেন।

বিভাগভিত্তিক সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৭১২ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ১ হাজার ২০৫ জন, খুলনা বিভাগে ৭৬৪ জন, বরিশাল বিভাগে ৩৭৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৬৪ জন, সিলেট বিভাগে ৪০৩ জন, রংপুর বিভাগে ৬২৬ জন এবং রাজশাহী বিভাগে ৭৯৩ জনের মৃত্যু হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এ সময় যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে সড়ক দুর্ঘটনার বেশ কিছু কারণ এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সুপারিশমালা তুলে ধরা হয়।