ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দান করার পরও আজীবন বাবা-মায়ের ভোগদখল করার অধিকার দিয়ে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস ইরানে আক্রমণ হলে হামলা তীব্রতর হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ে ১১ দল আজ রাজপথে নেমেছে: ডা. শফিকুর রহমান ইরানের সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনা ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এ আঘাত হানবে মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্থায়ী রূপ পাচ্ছে দ্রুত বিচার আইন

আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) সংশোধন আইন ২০২৪-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে মন্ত্রিসভায়। এই সংশোধনীর ফলে আইনটি স্থায়ী রূপ পাচ্ছে। এর আগে, দুই বছর পরপর আইনটির কার্যকারিতার মেয়াদ বাড়ানো হতো। বিএনপি সরকারের আমলে ২০০২ সালে আইনটি করা হয়েছিল।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আইনটির খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, এ আইনের ফলে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে হলে এ আইনের প্রয়োজন রয়েছে। তাই আইনটি স্থায়ীভাবে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এ আইনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ৯ এপ্রিল। মন্ত্রিসভায় এটিকে স্থায়ীভাবে গ্রহণ করার ফলে নতুন করে মেয়াদ বাড়াতে হবে না।

এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, আগে যা ছিল, সেই আইনটিই থাকবে। শুধু মেয়াদ বাড়াতে হবে না। একেবারে স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত হলো।

এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, আগে যা ছিল, সেই আইনটিই থাকবে। শুধু মেয়াদ বাড়াতে হবে না। একেবারে স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত হলো।

জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন-২০০২ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো অপরাধ করলে তিনি অন্তত দুই বছর এবং সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। পাশাপাশি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে এ আইনে। দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোনো প্রতিষ্ঠান বা কোনো ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করলে সেজন্য আদালত তা বিবেচনা করে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে ওই দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারবেন এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারি দাবি হিসাবে আদায়যোগ্য হবে।

সরকার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করতে পারবে। সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে এই আদালতের বিচারক নিযুক্ত করবে।

মন্ত্রিসভার সোমবারের বৈঠকে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি আইন-২০২৪’-এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

Tag :

দান করার পরও আজীবন বাবা-মায়ের ভোগদখল করার অধিকার দিয়ে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস

স্থায়ী রূপ পাচ্ছে দ্রুত বিচার আইন

Update Time : ০৫:৫৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৪

আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) সংশোধন আইন ২০২৪-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে মন্ত্রিসভায়। এই সংশোধনীর ফলে আইনটি স্থায়ী রূপ পাচ্ছে। এর আগে, দুই বছর পরপর আইনটির কার্যকারিতার মেয়াদ বাড়ানো হতো। বিএনপি সরকারের আমলে ২০০২ সালে আইনটি করা হয়েছিল।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আইনটির খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, এ আইনের ফলে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে হলে এ আইনের প্রয়োজন রয়েছে। তাই আইনটি স্থায়ীভাবে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এ আইনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ৯ এপ্রিল। মন্ত্রিসভায় এটিকে স্থায়ীভাবে গ্রহণ করার ফলে নতুন করে মেয়াদ বাড়াতে হবে না।

এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, আগে যা ছিল, সেই আইনটিই থাকবে। শুধু মেয়াদ বাড়াতে হবে না। একেবারে স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত হলো।

এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, আগে যা ছিল, সেই আইনটিই থাকবে। শুধু মেয়াদ বাড়াতে হবে না। একেবারে স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত হলো।

জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন-২০০২ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো অপরাধ করলে তিনি অন্তত দুই বছর এবং সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। পাশাপাশি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে এ আইনে। দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোনো প্রতিষ্ঠান বা কোনো ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করলে সেজন্য আদালত তা বিবেচনা করে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে ওই দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারবেন এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারি দাবি হিসাবে আদায়যোগ্য হবে।

সরকার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করতে পারবে। সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে এই আদালতের বিচারক নিযুক্ত করবে।

মন্ত্রিসভার সোমবারের বৈঠকে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি আইন-২০২৪’-এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়েছে।