ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফরিদপুরের সাদীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ফরিদপুরে ‘জুলাই যোদ্ধাকে’ তুলে নিয়ে সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণের অভিযোগ কলকাতায় হোটেলে ভয়াবহ আগুন, ৯ বাংলাদেশি নিহত সাবেক মন্ত্রী ড. দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ মারা গেছেন বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতার মেয়াদ বাড়াতে আগ্রহী নন ট্রাম্প, ফের বাজবে যুদ্ধের দামামা? এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ১৭ আগস্ট ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৮ আগস্ট ২০২৬

ট্রাম্প দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম কর্মদিবস থেকেই অবৈধ অভিবাসীদের আটক ও বিতাড়িত করার অভিযান শুরু হবে

নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম কর্মদিবস থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে বিনা অনুমতিতে বসবাসকারী অভিবাসীদের আটক ও বিতাড়িত করার অভিযান শুরু হবে। মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

দেশটির দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বর্ডার জার’ টম হোম্যানের হুমকির মুখে মঙ্গলবারের প্রথম প্রহরেই শিকাগোতে অবৈধ অভিবাসী-বিরোধী অভিযান শুরু হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের এই শহরে বিপুল সংখ্যক অভিবাসীর বসবাস রয়েছে।

ট্রাম্প ইতোমধ্যে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নির্বাসন কর্মসূচির তদারকি করবেন তিনি। চলতি সপ্তাহে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হোম্যান দেশজুড়ে ‘বড় অভিযান’ পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) সংস্থা দেশটিতে সব সময় অবৈধ অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনের কাজ করে। আগামী সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার অভিষেকের পর আইসিই অবৈধ অভিবাসী-বিরোধী অভিযান শুরু করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

শুরুতেই অভিবাসীদের ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত দেশটির বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করা হবে। শিকাগোর পাশাপাশি নিউইয়র্ক সিটি এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের মতো অন্যান্য কিছু শহরে অভিবাসীদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে।

গত মাসে শিকাগোতে রিপাবলিকান পার্টির এক সমাবেশে অংশ নিয়ে জনতার উদ্দেশে হোম্যান বলেছিলেন, ২১ জানুয়ারি আপনার শহরে অনেক আইসিই এজেন্টের উপস্থিতি দেখতে পাবেন; যারা অপরাধী ও গ্যাং সদস্যদের খুঁজে বের করবেন। তারিখ গণনা করুন, এটা হবে।

অভিযান পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের নতুন প্রশাসনের অভিবাসন-বিরোধী অভিযানের প্রথম দিকের নিশানা হতে চলেছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, ডেনভার এবং মিয়ামিও।

ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে সাধারণত অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেপ্তারে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছিল আইসিই। বিশেষ করে গুরুতর অপরাধী, সম্প্রতি সীমান্ত অতিক্রম করেছেন অথবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছেন, এমন অভিবাসীদের গ্রেপ্তার করা হতো। তবে ট্রাম্পের টিম ইতোমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে, যেসব অভিবাসী অপরাধের সঙ্গে জড়িত অথবা সকল অবৈধ অভিবাসী যারা বহু বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস ও কাজ করেছেন এবং কোনও অপরাধমূলক ইতিহাসও নেই; তাদেরও গ্রেপ্তার এবং নির্বাসিত করার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে।

Tag :

ফরিদপুরের সাদীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ট্রাম্প দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম কর্মদিবস থেকেই অবৈধ অভিবাসীদের আটক ও বিতাড়িত করার অভিযান শুরু হবে

Update Time : ০৫:২০:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম কর্মদিবস থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে বিনা অনুমতিতে বসবাসকারী অভিবাসীদের আটক ও বিতাড়িত করার অভিযান শুরু হবে। মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

দেশটির দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বর্ডার জার’ টম হোম্যানের হুমকির মুখে মঙ্গলবারের প্রথম প্রহরেই শিকাগোতে অবৈধ অভিবাসী-বিরোধী অভিযান শুরু হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের এই শহরে বিপুল সংখ্যক অভিবাসীর বসবাস রয়েছে।

ট্রাম্প ইতোমধ্যে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নির্বাসন কর্মসূচির তদারকি করবেন তিনি। চলতি সপ্তাহে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হোম্যান দেশজুড়ে ‘বড় অভিযান’ পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) সংস্থা দেশটিতে সব সময় অবৈধ অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনের কাজ করে। আগামী সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার অভিষেকের পর আইসিই অবৈধ অভিবাসী-বিরোধী অভিযান শুরু করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

শুরুতেই অভিবাসীদের ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত দেশটির বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করা হবে। শিকাগোর পাশাপাশি নিউইয়র্ক সিটি এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের মতো অন্যান্য কিছু শহরে অভিবাসীদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে।

গত মাসে শিকাগোতে রিপাবলিকান পার্টির এক সমাবেশে অংশ নিয়ে জনতার উদ্দেশে হোম্যান বলেছিলেন, ২১ জানুয়ারি আপনার শহরে অনেক আইসিই এজেন্টের উপস্থিতি দেখতে পাবেন; যারা অপরাধী ও গ্যাং সদস্যদের খুঁজে বের করবেন। তারিখ গণনা করুন, এটা হবে।

অভিযান পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের নতুন প্রশাসনের অভিবাসন-বিরোধী অভিযানের প্রথম দিকের নিশানা হতে চলেছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, ডেনভার এবং মিয়ামিও।

ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে সাধারণত অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেপ্তারে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছিল আইসিই। বিশেষ করে গুরুতর অপরাধী, সম্প্রতি সীমান্ত অতিক্রম করেছেন অথবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছেন, এমন অভিবাসীদের গ্রেপ্তার করা হতো। তবে ট্রাম্পের টিম ইতোমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে, যেসব অভিবাসী অপরাধের সঙ্গে জড়িত অথবা সকল অবৈধ অভিবাসী যারা বহু বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস ও কাজ করেছেন এবং কোনও অপরাধমূলক ইতিহাসও নেই; তাদেরও গ্রেপ্তার এবং নির্বাসিত করার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে।