ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি লটারিতে এসএসসির ফল ১০ আগস্ট প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ পাবে ইরান রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট রবীন্দ্রপ্রয়াণ ৮৫ বছর: এই দিনেই কলকাতার জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আজ থেকেজনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর, যেভাবে পাবেন টিকিট দেশের বাজারে বড় ব্যবধানে বেড়েছে স্বর্ণের দাম আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৬ আগস্ট ২০২৬ শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ দেয়ায় বাংলাদেশ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ মাগুরায় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের বাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

কার্গো নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির কয়েকদিনের মাথায় এই অগ্নিকাণ্ড

মাত্র কয়েকদিন আগে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছিল বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। গত আগস্টে যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্ট (ডিএফটি, ইউকে) পরিচালিত বিমানবন্দর মূল্যায়নে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সামগ্রিক মূল্যায়নে ৯৩ শতাংশ এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা (কার্গো) মূল্যায়নে শতভাগ নম্বর পায়।

আর সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও সমানভাবে সাফল্য দেখিয়েছে। এই বিমানবন্দ সামগ্রিক মূল্যায়নে ৯৪ শতাংশ এবং কার্গো নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শতভাগ নম্বর অর্জিত করে।

ডিএফটির পরিদর্শকরা বেবিচকের প্রস্তুতি ও কার্যক্রমে গভীর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বলে গত ১২ অক্টোবর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় বেবিচক।

এর কয়েকদিনের মাথায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৩৬টি ইউনিট করছে। ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে নৌ ও বিমানবাহিনী।

এদিকে, বেবিচকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ডিএফটির এয়ারপোর্ট অ্যাসেসমেন্ট হলো যুক্তরাজ্য সরকারের একটি আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মূল্যায়ন ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বিদেশি বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রী ও কার্গো নিরাপত্তা মানদণ্ড যাচাই করা হয়। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের অতিরিক্ত নিরাপত্তা চাওয়া মানদণ্ডগুলো ঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে কি না তা পর্যালোচনা করা হয়। পরিদর্শন কার্যক্রমে সরেজমিন পর্যবেক্ষণ, নীতিমালা পরীক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করা হয়।

২০১৭ সাল থেকে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়মিতভাবে চালু রয়েছে। ২০১৬ সালে কার্গো স্ক্রিনিং নিয়ে উদ্বেগের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্য ঢাকাগামী কার্গো পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। এর ফলে রফতানির ক্ষেত্রে কার্গোতে তৃতীয় দেশে অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্ক্রিনিং করতে হতো, যা রপ্তানিকারকদের জন্য বিলম্ব ও অতিরিক্ত খরচের সৃষ্টি করেছিল।

এরপর বেবিচক ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আধুনিক ডিটেকশন সিস্টেম সংযুক্ত করে কার্গো নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করে।

Tag :

প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি লটারিতে এসএসসির ফল ১০ আগস্ট

কার্গো নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির কয়েকদিনের মাথায় এই অগ্নিকাণ্ড

Update Time : ০২:৪৮:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

মাত্র কয়েকদিন আগে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছিল বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। গত আগস্টে যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্ট (ডিএফটি, ইউকে) পরিচালিত বিমানবন্দর মূল্যায়নে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সামগ্রিক মূল্যায়নে ৯৩ শতাংশ এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা (কার্গো) মূল্যায়নে শতভাগ নম্বর পায়।

আর সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও সমানভাবে সাফল্য দেখিয়েছে। এই বিমানবন্দ সামগ্রিক মূল্যায়নে ৯৪ শতাংশ এবং কার্গো নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শতভাগ নম্বর অর্জিত করে।

ডিএফটির পরিদর্শকরা বেবিচকের প্রস্তুতি ও কার্যক্রমে গভীর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বলে গত ১২ অক্টোবর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় বেবিচক।

এর কয়েকদিনের মাথায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৩৬টি ইউনিট করছে। ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে নৌ ও বিমানবাহিনী।

এদিকে, বেবিচকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ডিএফটির এয়ারপোর্ট অ্যাসেসমেন্ট হলো যুক্তরাজ্য সরকারের একটি আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মূল্যায়ন ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বিদেশি বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রী ও কার্গো নিরাপত্তা মানদণ্ড যাচাই করা হয়। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের অতিরিক্ত নিরাপত্তা চাওয়া মানদণ্ডগুলো ঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে কি না তা পর্যালোচনা করা হয়। পরিদর্শন কার্যক্রমে সরেজমিন পর্যবেক্ষণ, নীতিমালা পরীক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করা হয়।

২০১৭ সাল থেকে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়মিতভাবে চালু রয়েছে। ২০১৬ সালে কার্গো স্ক্রিনিং নিয়ে উদ্বেগের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্য ঢাকাগামী কার্গো পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। এর ফলে রফতানির ক্ষেত্রে কার্গোতে তৃতীয় দেশে অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্ক্রিনিং করতে হতো, যা রপ্তানিকারকদের জন্য বিলম্ব ও অতিরিক্ত খরচের সৃষ্টি করেছিল।

এরপর বেবিচক ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আধুনিক ডিটেকশন সিস্টেম সংযুক্ত করে কার্গো নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করে।