ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সাড়ে ৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ফরিদপুরে মোল্লার খিচুড়ি’র প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন ফরিদপুরে একেকে-র উদ্যোগে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত, শতাধিক তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে আর কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না, সিনেটে প্রস্তাব পাস দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম ভরিতে কমলো ৫৪৮২ টাকা আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৪ জুন ২০২৬ দুই ম্যাচে ৫ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে বড় ধাপ ফেললেন ৩৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড বিশ্বকাপের মাঝপথে ছিটকে গেলেন জার্মানির তারকা ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেক

এখনও গাজা উপত্যকায় সক্রিয় হামাসের প্রায় ২০ হাজার যোদ্ধা, ৭০ শতাংশ সুড়ঙ্গ

দুই বছর গণহত্যা চালিয়ে হামাসকে সামরিকভাবে দুর্বল করলেও পুরোপুরি ধ্বংস করতে পারেনি ইসরায়েল। পুনরায় শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে গোষ্ঠীটি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি’র এক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, এখনও উপত্যকায় সক্রিয় হামাসের প্রায় ২০ হাজার যোদ্ধা। নারকীয় বর্বরতার মধ্যেও থামেনি তাদের নতুন সদস্য নিয়োগ। নিরাপত্তা বিনের তথ্য বলছে, এখনও উপত্যকায় সক্রিয় হামাসের প্রায় ২০ হাজার যোদ্ধা। নারকীয় বর্বরতার মধ্যেও থামেনি তাদের নতুন সদস্য নিয়োগ। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মত, উপত্যকায় হামাসের ৭০ শতাংশ সুড়ঙ্গ এখনও অক্ষত রয়েছে; যার বেশিরভাগের অস্তিত্বই খুঁজে পায়নি ইসরায়েল।

যুদ্ধিবিরতি চুক্তির আওতায় ইসরায়েলি সেনারা গাজার কিছু অংশ থেকে সরে যেতেই রাস্তায় রাস্তায় চোখে পড়েছে হামাসের সশস্ত্র সদস্যদের। ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের এই দাপুটে উপস্থিতি জন্ম দিয়েছে নতুন আলোচনার। বিশ্বের অন্যতম সামরিক শক্তিধর দেশ টনকে টন বোমা ফেলে হামাসকে কতটা দুর্বল করতে পেরেছে?

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, হামাস উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হলেও পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। বরং আবারও উপত্যকায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে পুনর্জাগরণের চেষ্টা চালাচ্ছে গোষ্ঠীটি। দুই বছরে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ২০ হাজার যোদ্ধা হারিয়েছে তারা। সেই শূন্যস্থান পূরণে যুদ্ধের মধ্যেই নতুন সদস্য নিয়োগ অব্যাহত রাখে হামাস। দেয়া হয় প্রশিক্ষণও। একাধিক ইসরায়েলি গোয়েন্দার তথ্যমতে, বর্তমানে গাজায় ১০ থেকে ২০ হাজার গেরিলা যোদ্ধা রয়েছে গোষ্ঠীটির।

বলা হচ্ছে, গাজায় ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে, বিপুল সদস্য হারালেও হামাসের জনবল সংকট হওয়ার সম্ভাবনা কম। এমন বর্বরতার কারণে ইসরাইয়েলের প্রতি আরও ক্ষোভ বেড়েছে ফিলিস্তিনিদের। আর তাই, হামাসে যোগ দিতে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, হামাসের ৯০ শতাংশ রকেট ও অন্যান্য অস্ত্র-সরঞ্জাম ধ্বংস করেছে আইডিএফ। আপাতত তাদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পথ নেই। তবে, উপত্যকার ৯২ শতাংশ অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিলেও হামাসের সুড়ঙ্গের মাত্র ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ধ্বংস করতে পেরেছে ইসরায়েল। বলা হচ্ছে, উপত্যকায় যে বিস্তৃত টানেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে গোষ্ঠীটি, তার অধিকাংশই এখনও রয়েছে লোকচক্ষুর আড়ালে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্যতম সশস্ত্র হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ। তবে এখন পর্যন্ত অস্ত্র সমর্পণে রাজি নয় হামাস। এ পরিস্থিতিতে শক্তি প্রয়োগে ফিলিস্তিনের প্রভাবশালী এ গোষ্ঠীটিকে নিরস্ত্র করা যাবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।

এর আগে চলতি বছরের প্রথম দিকে, সাময়িক যুদ্ধবিরতি চলাকালীন জিম্মি মুক্তির সময় বিপুল হামাস সদস্যের সশস্ত্র উপস্থিতি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিলো।

Tag :

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সাড়ে ৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

এখনও গাজা উপত্যকায় সক্রিয় হামাসের প্রায় ২০ হাজার যোদ্ধা, ৭০ শতাংশ সুড়ঙ্গ

Update Time : ০৩:২৭:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

দুই বছর গণহত্যা চালিয়ে হামাসকে সামরিকভাবে দুর্বল করলেও পুরোপুরি ধ্বংস করতে পারেনি ইসরায়েল। পুনরায় শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে গোষ্ঠীটি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি’র এক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, এখনও উপত্যকায় সক্রিয় হামাসের প্রায় ২০ হাজার যোদ্ধা। নারকীয় বর্বরতার মধ্যেও থামেনি তাদের নতুন সদস্য নিয়োগ। নিরাপত্তা বিনের তথ্য বলছে, এখনও উপত্যকায় সক্রিয় হামাসের প্রায় ২০ হাজার যোদ্ধা। নারকীয় বর্বরতার মধ্যেও থামেনি তাদের নতুন সদস্য নিয়োগ। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মত, উপত্যকায় হামাসের ৭০ শতাংশ সুড়ঙ্গ এখনও অক্ষত রয়েছে; যার বেশিরভাগের অস্তিত্বই খুঁজে পায়নি ইসরায়েল।

যুদ্ধিবিরতি চুক্তির আওতায় ইসরায়েলি সেনারা গাজার কিছু অংশ থেকে সরে যেতেই রাস্তায় রাস্তায় চোখে পড়েছে হামাসের সশস্ত্র সদস্যদের। ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের এই দাপুটে উপস্থিতি জন্ম দিয়েছে নতুন আলোচনার। বিশ্বের অন্যতম সামরিক শক্তিধর দেশ টনকে টন বোমা ফেলে হামাসকে কতটা দুর্বল করতে পেরেছে?

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, হামাস উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হলেও পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। বরং আবারও উপত্যকায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে পুনর্জাগরণের চেষ্টা চালাচ্ছে গোষ্ঠীটি। দুই বছরে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ২০ হাজার যোদ্ধা হারিয়েছে তারা। সেই শূন্যস্থান পূরণে যুদ্ধের মধ্যেই নতুন সদস্য নিয়োগ অব্যাহত রাখে হামাস। দেয়া হয় প্রশিক্ষণও। একাধিক ইসরায়েলি গোয়েন্দার তথ্যমতে, বর্তমানে গাজায় ১০ থেকে ২০ হাজার গেরিলা যোদ্ধা রয়েছে গোষ্ঠীটির।

বলা হচ্ছে, গাজায় ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে, বিপুল সদস্য হারালেও হামাসের জনবল সংকট হওয়ার সম্ভাবনা কম। এমন বর্বরতার কারণে ইসরাইয়েলের প্রতি আরও ক্ষোভ বেড়েছে ফিলিস্তিনিদের। আর তাই, হামাসে যোগ দিতে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, হামাসের ৯০ শতাংশ রকেট ও অন্যান্য অস্ত্র-সরঞ্জাম ধ্বংস করেছে আইডিএফ। আপাতত তাদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পথ নেই। তবে, উপত্যকার ৯২ শতাংশ অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিলেও হামাসের সুড়ঙ্গের মাত্র ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ধ্বংস করতে পেরেছে ইসরায়েল। বলা হচ্ছে, উপত্যকায় যে বিস্তৃত টানেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে গোষ্ঠীটি, তার অধিকাংশই এখনও রয়েছে লোকচক্ষুর আড়ালে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্যতম সশস্ত্র হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ। তবে এখন পর্যন্ত অস্ত্র সমর্পণে রাজি নয় হামাস। এ পরিস্থিতিতে শক্তি প্রয়োগে ফিলিস্তিনের প্রভাবশালী এ গোষ্ঠীটিকে নিরস্ত্র করা যাবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।

এর আগে চলতি বছরের প্রথম দিকে, সাময়িক যুদ্ধবিরতি চলাকালীন জিম্মি মুক্তির সময় বিপুল হামাস সদস্যের সশস্ত্র উপস্থিতি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিলো।