ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ নিয়ে নতুন বার্তা, কবে কোথায় আঘাত হানতে পারে আঘাত? সৌদির ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন চালু, বিশ্ববাজারে কমলো দাম সেপ্টেম্বরের প্রথম ২১ দিনে দেশে ২.০৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠালেন প্রবাসীরা ফরিদপুরের সালথায় ‎বিএনপি কর্মী হত্যা : জামিনে এসে বাদী ও স্বাক্ষীদের হুমকি, বিচারের দাবিতে তিন মাসের সন্তান কোলে নিয়ে আদালতে চত্বরে নিহতের স্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর বাড়ল বাসভাড়া নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দল ইউনাইটেড রাশিয়া রেকর্ড সংখ্যক আসন পেয়েছে আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিমান সংস্থাগুলো একযোগে ৩ হাজার ৩০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করেছে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:২৭:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৯৭ Time View

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিমান সংস্থাগুলো একযোগে ৩ হাজার ৩০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করেছে। পরিবহন দফতরের এক শীর্ষ কর্মকর্তার সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, চলমান সরকার অচলাবস্থার (শাটডাউন) কারণে দেশটির আকাশপথে ভ্রমণ ‘প্রায় থমকে যেতে পারে’। এক  প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়।

রোববার ( ৯ নভেম্বর) এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এরইমধ্যে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট নেতারা চলমান অচলাবস্থা নিয়ে অস্থায়ী এক চুক্তিতে পৌঁছান। অর্থ বরাদ্দ বিল নিয়ে টানাপোড়েনের ফলে ৪০ দিন ধরে স্থবির হয়ে আছে সরকারি কার্যক্রম।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) কর্মবিরতির ঘটনায় বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণে আংশিক সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। প্রায় ১৩ হাজার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার—যাদেরকে সরকারি নিয়মে ‘অপরিহার্য কর্মী’ হিসেবে ধরা হয়—১ অক্টোবর থেকে বেতন ছাড়া কাজ করে আসছেন।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়্যার–এর তথ্য অনুযায়ী, রোববার (৯ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে ৩ হাজার ৩০৪টি ফ্লাইট বাতিল হয় এবং আরও ১০ হাজারের বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়। এর আগে, শনিবার (৮ নভেম্বর) বাতিল হয়েছিল প্রায় ১ হাজার ৫০০টি ফ্লাইট। আর শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বাতিল হয়েছিল আরও প্রায় ১ হাজার ফ্লাইট।

রোববার গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি সতর্ক করে বলেন, থ্যাংকসগিভিং (২৭ নভেম্বর) ছুটির সময় আসার আগে বিমান ভ্রমণ ‘প্রায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে’।

তিনি বলেন, ‘মানুষ তখন পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে ভ্রমণে বের হবে, কিন্তু ফ্লাইটের সংখ্যা এত কমে যাবে যে তা প্রয়োজনের  তুলনায় খুবই কম। এটি ভালো হওয়ার সম্ভাবনা নেই—বরং আরও খারাপ হবে, যতক্ষণ না পর্যন্ত এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলাররা তাদের পাওনা বেতন পান।’

Tag :

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিমান সংস্থাগুলো একযোগে ৩ হাজার ৩০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করেছে

Update Time : ০৬:২৭:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিমান সংস্থাগুলো একযোগে ৩ হাজার ৩০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করেছে। পরিবহন দফতরের এক শীর্ষ কর্মকর্তার সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, চলমান সরকার অচলাবস্থার (শাটডাউন) কারণে দেশটির আকাশপথে ভ্রমণ ‘প্রায় থমকে যেতে পারে’। এক  প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়।

রোববার ( ৯ নভেম্বর) এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এরইমধ্যে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট নেতারা চলমান অচলাবস্থা নিয়ে অস্থায়ী এক চুক্তিতে পৌঁছান। অর্থ বরাদ্দ বিল নিয়ে টানাপোড়েনের ফলে ৪০ দিন ধরে স্থবির হয়ে আছে সরকারি কার্যক্রম।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) কর্মবিরতির ঘটনায় বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণে আংশিক সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। প্রায় ১৩ হাজার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার—যাদেরকে সরকারি নিয়মে ‘অপরিহার্য কর্মী’ হিসেবে ধরা হয়—১ অক্টোবর থেকে বেতন ছাড়া কাজ করে আসছেন।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়্যার–এর তথ্য অনুযায়ী, রোববার (৯ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে ৩ হাজার ৩০৪টি ফ্লাইট বাতিল হয় এবং আরও ১০ হাজারের বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়। এর আগে, শনিবার (৮ নভেম্বর) বাতিল হয়েছিল প্রায় ১ হাজার ৫০০টি ফ্লাইট। আর শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বাতিল হয়েছিল আরও প্রায় ১ হাজার ফ্লাইট।

রোববার গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি সতর্ক করে বলেন, থ্যাংকসগিভিং (২৭ নভেম্বর) ছুটির সময় আসার আগে বিমান ভ্রমণ ‘প্রায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে’।

তিনি বলেন, ‘মানুষ তখন পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে ভ্রমণে বের হবে, কিন্তু ফ্লাইটের সংখ্যা এত কমে যাবে যে তা প্রয়োজনের  তুলনায় খুবই কম। এটি ভালো হওয়ার সম্ভাবনা নেই—বরং আরও খারাপ হবে, যতক্ষণ না পর্যন্ত এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলাররা তাদের পাওনা বেতন পান।’