ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূস ও নূর জাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেননি আদালত হামে শিশু মৃত্যু: ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ইরান থেকে নতুন করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের ভূখণ্ডের দিকে শনাক্ত: : আইডিএফ রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ব্যারেলপ্রতি তিন ডলারেরও বেশি বেড়ে গেছে তেহরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ধরনের ফ্লাইট স্থগিত করেছে ইরান জেরুজালেমসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় অনবরত বাজছে যুদ্ধকালীন সতর্কতা সাইরেন, আকাশসীমা বন্ধ তেহরানসহ দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে তীব্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, যুদ্ধ ফের তীব্র হওয়ার শঙ্কা ভুটানে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশসহ এশিয়ার পাঁচটি দেশ ফিলিপাইনের ভূমিকম্পের জেরে প্রতিবেশী দেশ ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে সুনামি

অবসরে যাচ্ছেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:০২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২১
  • ৩২৪ Time View
অনুসারে বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসরে যাচ্ছেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) অফিসিয়ালি সুপ্রিম কোর্টে তার কার্যদিবস। তবে এরও আগে গত ১৫ ডিসেম্বর শেষ বিচারিক কর্মদিবস পালন করেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। গত ১৯ ডিসেম্বর থেকে সুপ্রিম কোর্টে শুরু হয় অবকাশ। এর ফলে অবকাশে বসেনি আপিল বিভাগ। তাই দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতিকে গত ১৫ ডিসেম্বর শেষ বিচারিক কর্মদিবসে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাঁড় ইউনিয়নের দেওভান্ডার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম সৈয়দ মুস্তফা আলী ও মায়ের নাম বেগম কাওসার জাহান।
সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের শিক্ষা জীবন কেটেছে কুমিল্লা শহরে। কুমিল্লা জেলা স্কুল থেকে ১৯৭২ সালে সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে ১৯৭৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষা এবং একই কলেজ থেকে ১৯৭৬ সালে বিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে ১৯৮০ সালে কুমিল্লা আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল আফ্রিকান স্টাডিজ এবং ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড লিগ্যাল স্টাডিজ থেকে ছয় মাসের ‘কমনওয়েলথ ইয়াং ল ইয়ার্স কোর্স’ সম্পন্ন করেন।
১৯৮১ সালে তিনি আইনজীবী হিসেবে জেলা বারের সনদ প্রাপ্ত হন। বিএসসি ও এলএলবি সম্পন্ন করে ১৯৮১ সালে জেলা জজ আদালতে কাজ শুরু করেন তিনি। এরপর ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে অ্যাডভোকেট হিসেবে তিনি অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৯৯ সালে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান। সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ২০০১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে এবং এর দুই বছর পর ২০০৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি একই বিভাগে স্থায়ীভাবে নিয়োগ পান। এরপর ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।  সৈয়দ মাহমুদ হোসেন দু’বার নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য গঠিত সার্চ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন অবসরে যাওয়ার পর  আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়াবে চারজনে। তাদের মধ্য থেকে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতার ক্রম অনুসারে বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী অবসরে যাবেন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর। বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ২০২৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ২০২৩ সালের ৩০ জুন এবং বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ২০২৬ সালের ১০ জানুয়ারি অবসরে যাবেন।
তাই সংবিধান অনুসারে আপিল বিভাগের এই চার বিচারপতির মধ্যে একজনকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত করবেন রাষ্ট্রপতি।
Tag :

হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূস ও নূর জাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেননি আদালত

অবসরে যাচ্ছেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন

Update Time : ০৪:০২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২১
অনুসারে বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসরে যাচ্ছেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) অফিসিয়ালি সুপ্রিম কোর্টে তার কার্যদিবস। তবে এরও আগে গত ১৫ ডিসেম্বর শেষ বিচারিক কর্মদিবস পালন করেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। গত ১৯ ডিসেম্বর থেকে সুপ্রিম কোর্টে শুরু হয় অবকাশ। এর ফলে অবকাশে বসেনি আপিল বিভাগ। তাই দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতিকে গত ১৫ ডিসেম্বর শেষ বিচারিক কর্মদিবসে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাঁড় ইউনিয়নের দেওভান্ডার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম সৈয়দ মুস্তফা আলী ও মায়ের নাম বেগম কাওসার জাহান।
সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের শিক্ষা জীবন কেটেছে কুমিল্লা শহরে। কুমিল্লা জেলা স্কুল থেকে ১৯৭২ সালে সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে ১৯৭৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষা এবং একই কলেজ থেকে ১৯৭৬ সালে বিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে ১৯৮০ সালে কুমিল্লা আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল আফ্রিকান স্টাডিজ এবং ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড লিগ্যাল স্টাডিজ থেকে ছয় মাসের ‘কমনওয়েলথ ইয়াং ল ইয়ার্স কোর্স’ সম্পন্ন করেন।
১৯৮১ সালে তিনি আইনজীবী হিসেবে জেলা বারের সনদ প্রাপ্ত হন। বিএসসি ও এলএলবি সম্পন্ন করে ১৯৮১ সালে জেলা জজ আদালতে কাজ শুরু করেন তিনি। এরপর ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে অ্যাডভোকেট হিসেবে তিনি অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৯৯ সালে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান। সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ২০০১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে এবং এর দুই বছর পর ২০০৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি একই বিভাগে স্থায়ীভাবে নিয়োগ পান। এরপর ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।  সৈয়দ মাহমুদ হোসেন দু’বার নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য গঠিত সার্চ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন অবসরে যাওয়ার পর  আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়াবে চারজনে। তাদের মধ্য থেকে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতার ক্রম অনুসারে বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী অবসরে যাবেন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর। বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ২০২৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ২০২৩ সালের ৩০ জুন এবং বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ২০২৬ সালের ১০ জানুয়ারি অবসরে যাবেন।
তাই সংবিধান অনুসারে আপিল বিভাগের এই চার বিচারপতির মধ্যে একজনকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত করবেন রাষ্ট্রপতি।