ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অ্যামাজন, ওয়ালমার্ট, টার্গেট ও গ্যাপ ভারত থেকে বস্ত্র ও পোশাক পণ্য আমদানির অর্ডার স্থগিত করেছে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১০:০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ১২৯ Time View
যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন, ওয়ালমার্ট, টার্গেট ও গ্যাপ ভারত থেকে বস্ত্র ও পোশাক পণ্য আমদানির অর্ডার স্থগিত করেছে। একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করেছেন। প্রথম ২৫ শতাংশ শুল্ক এরই মধ্যে কার্যকর হয়েছে। বাকি ২৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে আগামী ২৮ আগস্ট।

শাস্তিমূলক এই শুল্ক আরোপের কারণ হিসেবে ট্রাম্প বলেছেন, ভারতের রাশিয়া থেকে তেল আমদানি।

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে লেখা হয়েছে, ভারত যেহেতু সরাসরি বা পরোক্ষভাবে রাশিয়ান তেল আমদানি করছে, তাই আমদানিকৃত ভারতীয় পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত।

এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন ক্রেতারা রপ্তানিকারকদের চিঠি ও ই-মেইল দিয়ে অর্ডার স্থগিত রাখতে বলেছেন।

ক্রেতারা অতিরিক্ত শুল্ক খরচ বহন করতে নারাজ, বরং রপ্তানিকারকদের ওপর চাপ দিচ্ছেন তা মেটাতে। এতে করে রপ্তানিকারকদের লাভ মার্জিন চরমভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা।

আশঙ্কা করা হচ্ছে বাড়তি শুল্কে ৩০-৩৫ শতাংশ উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে। এতে মার্কিন বাজারে রপ্তানি কমে যেতে পারে, ফলে ভারতের ৪-৫ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র হলো ভারতের সবচেয়ে বড় টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানি গন্তব্য। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট ৩৬.৬১ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানির ২৮ শতাংশ গেছে যুক্তরাষ্ট্রে।

সূত্র: এনডিটিভি

Tag :

অ্যামাজন, ওয়ালমার্ট, টার্গেট ও গ্যাপ ভারত থেকে বস্ত্র ও পোশাক পণ্য আমদানির অর্ডার স্থগিত করেছে

Update Time : ১০:০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন, ওয়ালমার্ট, টার্গেট ও গ্যাপ ভারত থেকে বস্ত্র ও পোশাক পণ্য আমদানির অর্ডার স্থগিত করেছে। একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করেছেন। প্রথম ২৫ শতাংশ শুল্ক এরই মধ্যে কার্যকর হয়েছে। বাকি ২৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে আগামী ২৮ আগস্ট।

শাস্তিমূলক এই শুল্ক আরোপের কারণ হিসেবে ট্রাম্প বলেছেন, ভারতের রাশিয়া থেকে তেল আমদানি।

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে লেখা হয়েছে, ভারত যেহেতু সরাসরি বা পরোক্ষভাবে রাশিয়ান তেল আমদানি করছে, তাই আমদানিকৃত ভারতীয় পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত।

এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন ক্রেতারা রপ্তানিকারকদের চিঠি ও ই-মেইল দিয়ে অর্ডার স্থগিত রাখতে বলেছেন।

ক্রেতারা অতিরিক্ত শুল্ক খরচ বহন করতে নারাজ, বরং রপ্তানিকারকদের ওপর চাপ দিচ্ছেন তা মেটাতে। এতে করে রপ্তানিকারকদের লাভ মার্জিন চরমভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা।

আশঙ্কা করা হচ্ছে বাড়তি শুল্কে ৩০-৩৫ শতাংশ উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে। এতে মার্কিন বাজারে রপ্তানি কমে যেতে পারে, ফলে ভারতের ৪-৫ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র হলো ভারতের সবচেয়ে বড় টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানি গন্তব্য। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট ৩৬.৬১ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানির ২৮ শতাংশ গেছে যুক্তরাষ্ট্রে।

সূত্র: এনডিটিভি