ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করুন মোবাইল দিয়েই গাজী নজরুলকে বহিষ্কার করেছে জামায়াত ফরিদপুরে যাত্রা শুরু করল ‘পেয়ালা ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ ফরিদপুরে নারীর মানসিক স্বাস্থ্য: সচেতনতা, সহমর্মিতা ও করণীয় বিষয়ক নন্দিতা সুরক্ষার কর্মশালা অনুষ্ঠিত মেসিকে নিয়ে আবারও নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করলেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় তিন ধাপ উন্নতি করেছে বাংলাদেশ আমূল বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট একনেকে ৮ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১৪ হাজার কোটি টাকা হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮০০ ছাড়ালো ভিডিও বার্তায় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন রাহুল গান্ধী

ইশরাকের মেয়র হিসেবে শপথ নিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৬:০০:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • ১৮০ Time View

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে উচ্চ আদালতে দায়ের করা রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। রিটটি খারিজ করে আদেশ দিয়েছেন আদালত। ফলে ইশরাকের মেয়র হিসেবে শপথ নিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকাল পৌনে ১১টায় বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রিটের আদেশ দিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইশরাকের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, এ আদেশের ফলে মেয়র পদে ইশরাকের শপথে বাধা নেই। এ সময় আগামী ২৬ মে’র মধ্যে ইশরাককে শপথ না পড়ালে আদালত অবমাননা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা আট দিন আন্দোলন করছেন তার সমর্থকরা।

গতকাল বুধবার যমুনার পাশাপাশি মৎস্য ভবন ও নগর ভবনের সামনেও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা।

তবে গতকাল আন্দোলনে অবস্থানকালে ইশরাক হোসেন জানান, মেয়র পদে রায় পক্ষে এলেও উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পদত্যাগ চান তিনি। সেই সঙ্গে পদত্যাগ চান আরেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলমেরও।

অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনতে দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে, দ্বিতীয় আরেকজন মাহফুজ আলম, তথ্য উপদেষ্টা, তাকেও পদত্যাগ করতে হবে।’

এ আগে আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ইশরাক হোসেনকে ডিএসসিসির মেয়র ঘোষণা করে গত ২৭ এপ্রিল গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে এর প্রায় দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনো শপথ আয়োজন না করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় উল্টো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।

Tag :
জনপ্রিয়

হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করুন মোবাইল দিয়েই

ইশরাকের মেয়র হিসেবে শপথ নিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট

Update Time : ০৬:০০:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে উচ্চ আদালতে দায়ের করা রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। রিটটি খারিজ করে আদেশ দিয়েছেন আদালত। ফলে ইশরাকের মেয়র হিসেবে শপথ নিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকাল পৌনে ১১টায় বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রিটের আদেশ দিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইশরাকের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, এ আদেশের ফলে মেয়র পদে ইশরাকের শপথে বাধা নেই। এ সময় আগামী ২৬ মে’র মধ্যে ইশরাককে শপথ না পড়ালে আদালত অবমাননা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা আট দিন আন্দোলন করছেন তার সমর্থকরা।

গতকাল বুধবার যমুনার পাশাপাশি মৎস্য ভবন ও নগর ভবনের সামনেও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা।

তবে গতকাল আন্দোলনে অবস্থানকালে ইশরাক হোসেন জানান, মেয়র পদে রায় পক্ষে এলেও উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পদত্যাগ চান তিনি। সেই সঙ্গে পদত্যাগ চান আরেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলমেরও।

অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনতে দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে, দ্বিতীয় আরেকজন মাহফুজ আলম, তথ্য উপদেষ্টা, তাকেও পদত্যাগ করতে হবে।’

এ আগে আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ইশরাক হোসেনকে ডিএসসিসির মেয়র ঘোষণা করে গত ২৭ এপ্রিল গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে এর প্রায় দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনো শপথ আয়োজন না করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় উল্টো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।