ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য দ্রুতই নীতিমালা প্রণয়ন করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা কাউকে বন্ধ কিংবা থামিয়ে রাখার কোনো মানসিকতা বর্তমান সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের পতন দেখা গেলেও বাংলাদেশের বাজারে ঘটলো ঠিক উল্টো ঘটনা শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলার হাইকোর্টের রায় পিছিয়ে সোমবার ইরানের আয়ের সব উৎস বন্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার হাইকোর্টের রায় আজ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৫ আগস্ট ২০২৬ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী বছরের ১৪ মার্চ শুরুর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নুসরাত হত্যা মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিলের ওপর আজ রায়

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আজ লেবাননে স্থল হামলা চালানোর ঘোষণা দেয়

লেবাননে স্থল হামলা শুরু করেছে দখলদার ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আজ মঙ্গলবার স্থল হামলা চালানোর ঘোষণা দেয়। যদিও হামলাটি সীমিত এবং নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তু লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে তারা। খবর আল-জাজিরার

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তাদের সৈন্যরা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যস্থল ও অবকাঠামোর বিরুদ্ধে ‘সীমিত, স্থানীয় ও লক্ষ্যভেদী স্থল হামলা’ শুরু করেছে।

তারা জানায়, তারা সীমান্তের কাছে লেবাননি গ্রামগুলোকে টার্গেট করছে। হিজবুল্লাহ এসব অবস্থান থেকে উত্তর ইসরায়েলের ইসরায়েলি কমিউনিটিগুলোর প্রতি হুমকি সৃষ্টি করেছিল।

রাজনৈতিক নেতারা হামলাটি অনুমোদন করেছে। এর আগে আইডিএফের জেনারেল স্টাফ এবং নর্দার্ন কমান্ড এ ব্যাপারে প্রস্তুতি এবং পরিকল্পনা সম্পন্ন করে বলে ইসরায়েলি বাহিনী জানায়। তারা জানায়, স্থল সৈন্যদের বর্তমানে বিমান বাহিনী ও গোলন্দাজ বাহিনী সহায়তা করছে।

‘অপারেশন নর্দার্ন অ্যারোস’ নামে এই হামলাটি গত মাসে শুরু হওয়া অভিযানেরই সম্প্রসারিত রূপ। গত কয়েক দিন ধরে এই হামলাটি আসন্ন বলে মনে হচ্ছিল। বিশেষ করে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হওয়ার পর আন্দোলনটি ইসরায়েলে অব্যাহতভাবে ইসরায়েলের সামরিক অবস্থানে রকেট হামলা চালানোর ফলে উত্তেজনা বাড়ছিল।

ইসরায়লি হামলায় হামাসের এলিট ফোর্স রাদওয়ান ফোর্স বেশ কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারকে হারিয়েছিল। তবে তাদের যোদ্ধারা এখনো সক্রিয় আছে। নাসরুল্লাহ জীবিত থাকার সময় বলেছিলেন যে হিজবুল্লাহর এক লাখের বেশি যোদ্ধা রয়েছে। ফলে কমান্ডাররা নিহত হলেও তাদের সহকারীরা রয়ে গেছেন। যোদ্ধারাও আছেন। আর তাদের অবকাঠামোগুলো এখনো দক্ষিণ লেবাননে সক্রিয় রয়েছে। তারা প্রতিরোধ চালাতে পারবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তারা কঠিন পরীক্ষার মধ্যে পড়বেন বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে ইসরায়েলের স্থল আক্রমণের জন্য হিজবুল্লাহ প্রস্তুত বলে ঘোষণা করেছেন সংগঠনটির উপ-নেতা নাঈম কাসেম। গতকাল সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক অজ্ঞাত স্থান থেকে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে ভাষণ দিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।

ইসরায়েলের সর্বশেষ আক্রমণে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ নিহত হওয়ার পর এটি ছিল কাসেমের প্রথম বক্তব্য। নাঈম কাসেম বলেন, আমরা যেকোনও পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে প্রস্তুত এবং ইসরায়েল স্থলপথে প্রবেশ করলে আমরা স্থল যুদ্ধে অংশ নিতে প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে না। আমরা আগেও জয়ী হয়েছি, এবারও জয়ী হবো।

Tag :

ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য দ্রুতই নীতিমালা প্রণয়ন করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আজ লেবাননে স্থল হামলা চালানোর ঘোষণা দেয়

Update Time : ০৫:০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০২৪

লেবাননে স্থল হামলা শুরু করেছে দখলদার ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আজ মঙ্গলবার স্থল হামলা চালানোর ঘোষণা দেয়। যদিও হামলাটি সীমিত এবং নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তু লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে তারা। খবর আল-জাজিরার

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তাদের সৈন্যরা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যস্থল ও অবকাঠামোর বিরুদ্ধে ‘সীমিত, স্থানীয় ও লক্ষ্যভেদী স্থল হামলা’ শুরু করেছে।

তারা জানায়, তারা সীমান্তের কাছে লেবাননি গ্রামগুলোকে টার্গেট করছে। হিজবুল্লাহ এসব অবস্থান থেকে উত্তর ইসরায়েলের ইসরায়েলি কমিউনিটিগুলোর প্রতি হুমকি সৃষ্টি করেছিল।

রাজনৈতিক নেতারা হামলাটি অনুমোদন করেছে। এর আগে আইডিএফের জেনারেল স্টাফ এবং নর্দার্ন কমান্ড এ ব্যাপারে প্রস্তুতি এবং পরিকল্পনা সম্পন্ন করে বলে ইসরায়েলি বাহিনী জানায়। তারা জানায়, স্থল সৈন্যদের বর্তমানে বিমান বাহিনী ও গোলন্দাজ বাহিনী সহায়তা করছে।

‘অপারেশন নর্দার্ন অ্যারোস’ নামে এই হামলাটি গত মাসে শুরু হওয়া অভিযানেরই সম্প্রসারিত রূপ। গত কয়েক দিন ধরে এই হামলাটি আসন্ন বলে মনে হচ্ছিল। বিশেষ করে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হওয়ার পর আন্দোলনটি ইসরায়েলে অব্যাহতভাবে ইসরায়েলের সামরিক অবস্থানে রকেট হামলা চালানোর ফলে উত্তেজনা বাড়ছিল।

ইসরায়লি হামলায় হামাসের এলিট ফোর্স রাদওয়ান ফোর্স বেশ কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারকে হারিয়েছিল। তবে তাদের যোদ্ধারা এখনো সক্রিয় আছে। নাসরুল্লাহ জীবিত থাকার সময় বলেছিলেন যে হিজবুল্লাহর এক লাখের বেশি যোদ্ধা রয়েছে। ফলে কমান্ডাররা নিহত হলেও তাদের সহকারীরা রয়ে গেছেন। যোদ্ধারাও আছেন। আর তাদের অবকাঠামোগুলো এখনো দক্ষিণ লেবাননে সক্রিয় রয়েছে। তারা প্রতিরোধ চালাতে পারবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তারা কঠিন পরীক্ষার মধ্যে পড়বেন বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে ইসরায়েলের স্থল আক্রমণের জন্য হিজবুল্লাহ প্রস্তুত বলে ঘোষণা করেছেন সংগঠনটির উপ-নেতা নাঈম কাসেম। গতকাল সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক অজ্ঞাত স্থান থেকে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে ভাষণ দিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।

ইসরায়েলের সর্বশেষ আক্রমণে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ নিহত হওয়ার পর এটি ছিল কাসেমের প্রথম বক্তব্য। নাঈম কাসেম বলেন, আমরা যেকোনও পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে প্রস্তুত এবং ইসরায়েল স্থলপথে প্রবেশ করলে আমরা স্থল যুদ্ধে অংশ নিতে প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে না। আমরা আগেও জয়ী হয়েছি, এবারও জয়ী হবো।